ঢাকা, সোমবার,২৪ এপ্রিল ২০১৭

নগর মহানগর

শ্রমিক-বিজিবি সংঘর্ষ

শ্রীমঙ্গলে ক্ষতিগ্রস্তদের তথ্য ও সাক্ষ্য সংগ্রহ করছে তদন্ত কমিটি

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা

১২ জানুয়ারি ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পরিবহন শ্রমিক ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জেলা প্রশাসনের চার সদস্যের তদন্ত কমিটি চতুর্থ দিনের মতো আক্রান্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ ও সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগও গ্রহণ করেছেন। এ ছাড়া সরেজমিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন তদন্ত কমিটি।
গতকাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আক্রান্ত ব্যক্তি ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা ঘটনার জবানবন্দী ও সাক্ষ্য প্রদান করেন তদন্ত কমিটির প্রধান মৌলভীবাজার জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ফারুক আহমেদসহ কমিটির সদস্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক, শ্রীমঙ্গল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো: শহীদুল হক ও শ্রীমঙ্গল থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের কাছে।
এর আগে তদন্ত কমিটির প থেকে ঘটনার বিষয়ে তদন্ত কাজে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। শহরজুড়ে মাইকিং করে বলা হয়, গতকাল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ঘটনায় বিভিন্নভাবে আহত ব্যক্তিদের বক্তব্য ও স্যাগ্রহণ করা হবে এবং আজ বৃহস্পতিবার একই সময়ে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ঘটনার সাথে জড়িত বিজিবি ও পরিবহন শ্রমিকদের বক্তব্য ও স্যা গ্রহণ করা হবে।
এ ছাড়া মঙ্গলবার তারা সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে সরেজমিন তদন্তে নামেন। এ সময় তারা শহরের ভানুগাছ সড়ক, স্টেশন সড়ক, কলেজ সড়ক ও চৌমুহনা এলাকার মার্কেটের ভেতরের ও বাইরের ব্যবসায়ীদের তিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে ৫৫ জন তিগ্রস্ত ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করেন তদন্ত কমিটি। এদের মধ্যে দুইজন সাংবাদিক ও একজন আহত তিগ্রস্ত ব্যক্তি রয়েছেন।
এ দিকে গত রোববার তদন্ত কমিটির প্রথম দিনে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকের সাথে কথা বলে তিগ্রস্ত ট্রাক, ভ্যান, জিপ, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, নোহা মাইক্রোবাস, মাইক্রো পিকআপ, মিনিবাস, বড় বাস ও সিএনজি অটোরিকশা মিলিয়ে মোট ১২১টি যানবাহন সরেজমিন পরিদর্শন করে তির তথ্য সংগ্রহ করেন।
উল্লেখ্য গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যার দিকে শ্রীমঙ্গল শহরের পানসী রেস্টুরেন্টের সামনে সংঘটিত বিজিবি ও পরিবহন শ্রমিক সংঘর্ষের জের ধরে শ্রীমঙ্গলের সেক্টর সদর দফতর থেকে শতাধিক বিজিবি সদস্য শহরে ঢুকে দোকানপাট ভাঙচুর, ব্যবসায়ী, পর্যটক, পথচারীসহ নিরীহ জনসাধারণের ওপর হামলা চালায়। এতে ছয়জন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হন। এ ছাড়া বেশ কিছু দোকানপাট ও শহরে থাকা শতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির ও পরিবহন শ্রমিক-মালিকদের ডাকে অনির্দিষ্টকালের ব্যবসাবাণিজ্য ও পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেন।

 

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫