ঢাকা, রবিবার,৩০ এপ্রিল ২০১৭

শেষের পাতা

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ভুটানের সাথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু

পঞ্চগড় সংবাদদাতা

১২ জানুয়ারি ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০০:০০


প্রিন্ট
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আসছে পণ্যবাহী ট্রাক : নয়া দিগন্ত

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আসছে পণ্যবাহী ট্রাক : নয়া দিগন্ত

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত নেপালের পর এবার ভুটানের সাথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হলো। যার ফলে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসাবাণিজ্যিসহ আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল। বাংলাবান্ধা এমন একটি স্থলবন্দর, যার সাথে চারটি দেশের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম চলছে। ভুটানের সাথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে অর্থনীতিতে সফলতা বয়ে আনবে। জাতীয় রাজস্ব খাতে যোগ হবে নতুন মাত্রা।
সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, নতুন বছরের শুরুর দিনে প্রথম বারের মতো বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ভুটান থেকে পাথর আমদানির মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের যাত্রা শুরু হয়। গত ১ জানুয়ারি দুপুরে ভুটানের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রিজেন্ট এন্টারপ্রাইজের রফতানিযোগ্য পাথরভর্তি ট্রাক বাংলাদেশের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। আমদানি-রফতানিকারকেরা মনে করেন ভুটানের সাথে বাণিজ্য কার্যক্রম দুই দেশের সম্পর্ক মজবুত করবে।
সূত্রে প্রকাশ, ১৯৯৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্ত পথ দিয়ে নেপাল ও ভুটানের সাথে ত্রি-পাকি চুক্তির আওতায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়। তবে ত্রি-পাকি চুত্তি হওয়ায় শুধু নেপালের সাথে বাংলাদেশের পণ্য আনানেয়া হয়। এর ১৪ বছর পর ২০১১ সালের ২২ জানুয়ারি ভারতের সাথে বাণিজ্য চুত্তির অংশ হিসেবে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সাথে স্বল্প পরিসরে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের মাধ্যমে উভয় দেশের সাথে বাণিজ্য কার্যক্রম চালু হয়। ফুলবাড়িতে এক অনুষ্ঠানে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন পণ্য ব্যাপকভাবে আমদানি রফতানির সুযোগসহ পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে ইমিগ্রেশনসহ পরিপূর্ণ স্থলবন্দর হিসেবে চালুর ঘোষণা দেয়া হয়।
উল্লেখ্য গত ১ জানুয়ারি থেকে ভুটানের সাথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে এ স্থলবন্দর দিয়ে দেশের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক সৃষ্টি হলো। এই চার দেশের সাথে পুরোদমে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হলে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দেশের অন্যান্য স্থলবন্দরের মধ্যে সেরা স্থলবন্দরে পরিণত হবে। সেই সাথে এ বন্দর দিয়ে চীনের সাথেও বাংলাদেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালুর সম্ভাবনা রয়েছে বলে আমদানি রফতানিকারকেরা মনে করেন।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫