ঢাকা, বৃহস্পতিবার,১৯ জানুয়ারি ২০১৭

শেষের পাতা

স্থানীয় আ’লীগ নেতাকর্মীদের সংবাদ সম্মেলন

বরগুনার এমপি রিমনের বিরুদ্ধে অত্যাচার নির্যাতনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ জানুয়ারি ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনের এমপি ও আওয়ামী লীগ নেতা শওকত হাসানুর রহমান রিমন এবং পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম রিপনের বিরুদ্ধে হামলা-মামলা ও হয়রানির অভিযোগ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এসব অভিযোগ তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগীর নির্যাতিত মুক্তিযুদ্ধপ্রেমী মানুষদের প’ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পাথরঘাটা থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক মহিলাবিষয়ক সম্পাদক বিলকিস আরা রানী। আরো বক্তব্য রাখেন, রায়হানপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস চৌধুরী, রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ও পাথরঘাটার অধিবাসী ইসমাইল হোসেন, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা মো: সুলতান প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, হাসানুর রহমান রিমন এমপি হওয়ার পর প্রকৃত আওয়ামী লীগারদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্য মামলা দিয়েছেন। তার অত্যাচার নির্যাতনের কারণে এলাকার অনেক মানুষ ঘর-বাড়ি ছাড়া। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ, জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং প্রশাসনকে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। বরং টাকার জোরে তিনি পার পেয়ে যাচ্ছেন।
ইদ্রিস চৌধুরী বলেন, তার বোন ও বড় ভাইকে পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ও স্থানীয় এমপির লোকজন পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেছেন। তার বিরুদ্ধে আটটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এ রকম ছয় হাজার মামলা করা হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধা মো: সুলতান বলেন, এমপি রিমনের অত্যাচার নির্যাতনের কারণে আমরা বাড়ি থাকতে পারি না। ভয়ে পালিয়ে বেড়াতে হয়। টাকার জোরে রিমন কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন পান বলেও দাবি করেন এই মুক্তিযোদ্ধা।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫