ঢাকা, সোমবার,২৭ মার্চ ২০১৭

শেষের পাতা

দিনাজপুর খানসামায় হরতালের ঘটনায় জজ কোর্টের জিপি কারাগারে

দিনাজপুর সংবাদদাতা

১২ জানুয়ারি ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

দিনাজপুরের খানসামায় কলেজ জাতীয়করণের দাবিতে হরতাল পালনের পর এখন গ্রামে গ্রামে চলছে গ্রেফতার অভিযান। গ্রেফতার আতঙ্কে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা সদরসহ বানগাঁও, বিষ্ণপুর, জাহাঙ্গীরপুর, গোবিন্দপুর, বেলপুখুর গ্রাম প্রায় মানুষশূন্য। দিনের বেলায় হাতেগোনা কয়েকজন পুরুষ দেখা গেলেও রাতে সে সংখ্যা নেমে আসে শূন্যের কোটায়। এ দিকে হরতাল কর্মসূচিতে শেষে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে দায়ের করা মামলায় দিনাজপুর জজ কোর্টের জিপি (সরকারি কৌঁসুলি) অ্যাডভোকেট মীর ইউসুফ আলীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল অ্যাডভোকেট মীর ইউসুফ আলী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-২-এ আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফর রহমান। জানা যায়, খানসামা ডিগ্রি কলেজকে জাতীয়করণের দাবিতে গত ৮ জানুয়ারি অর্ধদিবস হরতাল কর্মসূচি পালন করে কলেজের শিক, শিার্থী, অভিভাবকসহ এলাকাবাসী। দুপুরে আন্দোলনকারীরা একটি বিােভ মিছিল বের করলে পুলিশ বাধা দেয়। বাধা উপো করে মিছিল করলে উভয়ের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিেেপর ঘটনা ঘটে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিআরসেল ও রাবার বুলেট নিপে করে। এই সংঘর্ষে পাঁচ পুলিশসহ প্রায় ২৫ জন আহত হন। এই ঘটনায় খানসামা থানা পুলিশের উপপরির্দশক (এসআই) দুলাল উদ্দিন বাদি হয়ে বিশেষ মতা আইনে ৪১ জনের নাম দিয়ে অজ্ঞাত আরো ৫০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় জিপি মীর ইউসুফ আলীকে ৯ নং আসামি করা হয়। একই ঘটনায় খানসামা থানার এসআই জ্বালাও পোড়াও আইনে ৩৭ জনের নাম দিয়ে অজ্ঞাত আরো ৬ শ’ ব্যক্তিকে আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় জিপি মীর ইউসুফ আলীকে ৩ নং আসামি করা হয়।

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫