এক কথায় কিছু জটিল সমস্যার সমাধান

এস আর শানু খান

জীবনে সব কিছু সব সময় সহজে আসে না। সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য অনেক কিছুর প্রয়োজন। আর সেই প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোকে কিভাবে স্বপ্নে দেখা বিদ্যা দিয়ে সহজে বশ করা যায় আসুন দেখি। এস আর শানু খান
আপনি কি আপনার পছন্দের মানুষকে মনের কথা বলতে পারছেন না?
এটা আসলে আপনার দুর্বলতা নয় অভাব আপনার সাহসের। কিন্তু আপনি তাকে ছাড়া কিছু ভাবতে পারছেন না। আকাশে তাকালে সে, নদীতে তাকালে সে, মাঝি বেশে নৌকা চালায় সে, রাতে তারা সেজে বসে থাকে সে, মাঠে গেলে রাখাল বেশে হাজির হয় সেÑ তবু আপনি বলতে পারছেন না মনের কথাটি। এমন পরিস্থিতিতে একদিন সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে তীর বেগে ছুটে যান সেই কাক্সিত মানুষটির কাছে এবং বলে ফেলুন, তোমার বাবা-মা স্বপ্নে দেখেছেন যে, আমি নাকি তোমাকে বিয়ে করেছি। আরো বলুন, যেহেতু মুরব্বিরা স্বপ্নে দেখেছেন, কাজেই তাদের মনে কষ্ট দেয়া ঠিক না। আর তুমিও নিশ্চয় এটা চাও না। দেখবেন দ্রুত কার্যকর হয়ে গেছে।

আপনি কি আপনার বউয়ের যন্ত্রণা আর সহ্য করতে পারছেন না?
এক রাতে হঠাৎ ঘুম থেকে তাড়াহুড়া করে উঠে বিছানায় বসে পড়–ন। এবং এমনভাবে উঠবেন যেন আপনার স্ত্রীও উঠে পড়ে এবং আপনার এভাবে জেগে ওঠার কারণ জানতে চায়। তখন বলবেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম তুমি আমাকে ছেড়ে চলে গেছো। তার কিছু দিন পর তোমার একজন নায়কের সাথে বিয়ে হয়েছে এবং তুমিও নায়িকা হয়ে টিভিতে অভিনয় করছ। আর আমি গ্রামে চায়ের দোকানে বসে টিভিতে তোমাকে দেখে একা একা কানতাছি। এ কথা শেষ করে এটাও বলবেন, স্বপ্নটা আমি শেষ রাতে দেখেছি। শুনেছি শেষ রাতের স্বপ্ন সত্যি হয়। ব্যস, কাজ ফাইনাল। সকালবেলা উঠে দেখবেন বউ আপনার মাথার কাছে ডিভোর্স লেটার রেখে চলে গেছে।

বাবা-মাকে নিজের বিয়ের কথা বলতে পারছেন না?
মাকে রুমে আসতে দেখে ঘুমের ভান করে শুয়ে পড়–ন। তারপর ঘুমের মধ্যে কথা বলা মানুষের মতো বলতে শুরু করুনÑ না না না, আমি পারব না। বাবা-মাকে আমি বিয়ের কথা বলতে পারব না। প্রয়োজনে বুড়ো হয়ে যাবো তারপরও বলতে পারব না। এই বলে জেগে যান। মা জিজ্ঞেস করলে বলুন, বিশাল বড় সাদা দাড়িওয়ালা একজন এসে বলতেছে যে, আমি যেন দ্রুত বিয়ে করে ফেলি। আরো বলছে সেটা না করলে নাকি আমি মরে যাবো মা। মায়ের মন বলে কথা। দেখবেন ঠিকই আপনার বাবাকে বুঝিয়ে দ্রুত শাদি মোবারকের ব্যবস্থা করে ফেলবে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.