ঢাকা, শুক্রবার,২৮ এপ্রিল ২০১৭

থেরাপি

পরীক্ষার রেজাল্টের সেকাল-একাল

লেখা তারেকুর রহমান আঁকা জাহিদ

১২ জানুয়ারি ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

বাবা-মায়ের প্রতিক্রিয়া
সেকাল

ছেলে : মা মা, আমি পরীায় ফার্স্ট ডিভিশন পেয়েছি।
মা : আয় বাবা বুকে আয়। কইগো মফিজের বাপ, আমাগো মফিজ ফার্স্ট ডিভিশন পাইছে। তাড়াতাড়ি মিষ্টি আনো।
বাবা : যাইতাছি যাইতাছি এুনি মিষ্টি আনতে যাইতাছি।

একাল
ছেলে : এই আম্মু শুনছ,আমি পরীায় এ প্লাস পেয়েছি।
মা : এই হতচ্ছাড়া এত চেঁচাচ্ছিস কেন? এ প্লাস কি দুনিয়ায় তুই একাই পেয়েছিস? আর কেউ পায়নি?

পাড়াপ্রতিবেশীর প্রতিক্রিয়া

স্ত্রী : এই শুনছো, পাশের বাড়ির মফিজ ফার্স্ট ডিভিশন পাইছে।
স্বামী : পাইব না? পোলাটা পড়াশোনার জন্য কত কষ্ট করছে।

স্ত্রী : পাশের বাসার মফিজ এ প্লাস পেয়েছে।
স্বামী : অবাক হওয়ার কী আছে? পরীার আগের রাতে হয়তো প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এ ছাড়া এই ছেলে এ প্লাস পায় কী করে?


ছেলের আবদারের প্রতিক্রিয়া
সেকাল
ছেলে : বাবা, তুমি বলছ আমি ভালো রেজাল্ট করলে সাইকেল কিনে দিবা।
বাবা : ঠিক আছে। বেতনটা পেলেই তোকে একটা সাইকেল কিনে দেবো।

একাল
ছেলে : আব্বু, তুমি বলেছ আমি এ প্লাস পেলে আইফোন কিনে দেবে।
বাবা : কালকে একটা কায়েন্ট আসবে টাকাটা পেলেই কিনে দেবো।

ফেল করার পর প্রতিক্রিয়া
প্রথম জন : খুব খারাপ লাগছে, কাসেম এবার পরীায় ফেল করছে।
দ্বিতীয় জন : আমারও খারাপ লাগছে, ছেলেটা অনেক কষ্ট করছে।

প্রথম জন : কাসেম নাকি ফেল করছে?
দ্বিতীয় জন : কস কী! এই যুগে কেউ ফেল করে?

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫