ঢাকা, মঙ্গলবার,২৮ মার্চ ২০১৭

উপসম্পাদকীয়

পাঠ্যপুস্তক কর্তৃপক্ষ নেই

অন্য দৃষ্টি

জসিম উদ্দিন

১২ জানুয়ারি ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

বই উৎসব বছরের প্রথম দিন হয়ে গেছে। মহা আয়োজনে মহাসমারোহে তা করা হয়েছে। উৎসবের পর বছরের প্রথম দুই সপ্তাহ চলে গেলেও অনেক বিদ্যালয়ে এখনো বই পৌঁছেনি। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠনে মাত্র একটা বই পৌঁছে দিয়ে উৎসব করা হয়েছে। তড়িঘড়ি করে বই পৌঁছিয়ে উৎসব করতে গিয়ে বোর্ডকে আলাদা করে পরিবহনের ব্যবস্থা করতে হয়েছে। এতে করে গচ্চা দিতে হয়েছে লাখ লাখ টাকা।
শিশুদের জন্য প্রণীত বইয়ের মলাট চকচকে ছিল। সেটা দেখে শিক্ষার্থীরা যতটা উৎসাহী হয়েছে, ভেতরে নি¤œমানের কাগজ ও ছাপা দেখে তার চেয়ে বেশি আশাহত হয়েছে। কাগজের উজ্জ্বলতা কম ছিল। আকারে ছোট এবং পুরত্বও কম। এজন্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ৩৬ কোটি টাকার বিল আটকে দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া দরপত্র অনুযায়ী সময়মতো বই সরবরাহ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ৭২টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের প্রায় একই পরিমাণ টাকার বিল আটকে দেয়া হয়েছে। পাঠ্যবই দেশে-বিদেশে ছাপা হয়েছে। ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় দেশীয় প্রতিষ্ঠানের অর্থ আটকে দিয়েছে বোর্ড। কিন্তু বিদেশী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে তা জানা যায়নি।
বিদেশে ছাপতে দেয়া ৪৭ লাখ বই এখনো পৌঁছেনি। ৯ জানুয়ারির খবর এটি। পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান বলছেন, বইগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস হয়েছে। সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে এসব বই কোথায় আছে তার হদিস কারো কাছে নেই। এই বই ছাপার আদেশ পায় ভারতের শীর্ষাসাই বিজনেস। মুম্বাই ও পুনেতে তারা ওই বই ছাপছে বলে জানা যায়। দেশীয় মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান বরাবর আপত্তি করে আসছে বইয়ের কাজ বিদেশীদের যেন না দেয়া হয়। দেশীয় ছাপাখানা পাঠ্যপুস্তক ছাপার কাজে যথেষ্ট উপযুক্ত। এরপরও ভারতীয় প্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বই ছাপার কাজ পায় প্রতি বছর।
দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের কাজের মান ও নি¤œমানের কাগজ দেয়ার জন্য জরিমানা করা হয়েছে। মানসম্পন্ন বই ছাপানোর কাজটি নিশ্চিত করতে এ ধরনের জরিমানা প্রয়োজন রয়েছে। প্রয়োজনে পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আরো কঠোর শাস্তির বিধান করতে পারে। শিশুদের জন্য বই অবশ্যই গুণে মানে চমৎকার হওয়া উচিত। পরবর্তী বছর কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে আগের বছরের কর্মসাফল্যের বিবেচনায় রাখা হলে বই ছাপার মান অবশ্যই বাড়ার কথা। যারা মানসম্পন্ন কাগজ ও উন্নত ছাপা দিতে পারবে; কিংবা বোর্ডের চাহিদা অনুযায়ী সময়মতো বই সরবরাহ করতে পারবে পরবর্তী বছর তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্যাদেশ দিলে নি¤œমানের বই ছাপার সাহস তারা পাবে না।
বিদেশীরা এখনো বই সরবরাহ করতে পারেনি। তাদের ছাপা ও কাগজের মানের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সময়মতো বই সরবরাহ করতে না পারা এবং যদি মানসম্পন্ন ছাপা দিতে না পারে তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। বাংলাদেশের ছাপাখানা এরই মধ্যে প্রমাণ করেছে তারা কোটি কোটি বই ছাপানোর সক্ষমতা রাখে। এ অবস্থায় দেশীয় অর্থ খরচ করে বাইরের প্রতিষ্ঠানকে আনুকূল্য দেয়ার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। দেশীয় ছাপাখানার পৃষ্ঠপোষকতার কথা চিন্তা করে বরং বিদেশে ছাপার কার্যাদেশ বন্ধ করা প্রয়োজন। বোর্ডের বই ছাপাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে ছাপাখানার বিস্তার ঘটেছে। এর সাথে লাখ লাখ মানুষের রুটি রুজির বিষয়টি জড়িয়ে গেছে। বোর্ড শিশু-কিশোরদের জন্য উন্নত বই ছাপবে, একইভাবে দেশীয় ছাপাখানাকে তাদের কাজের যোগ্যতার ভিত্তিতে আনুকূল্য দেবে এমন প্রত্যাশা করা অসঙ্গত হবে না।
সংবাদমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কিছু কর্মকর্তা বছরের পর বছর এনসিটিবিতে প্রেষণে কাজ করছেন। তারা কেবল ঢাকায় থাকার জন্য তদবির করে পোস্টিং নিয়েছেন এনসিটিবিতে। পাঠ্যবইয়ের কারিকুলাম তৈরি, রচনা, মুদ্রণ এসব কাজের ব্যাপারে তাদের কোনো অভিজ্ঞতা নেই। এগুলো টেকনিক্যাল কাজ, তাই এতে অভিজ্ঞতা অবশ্য প্রয়োজনীয়। আগে এই অভিজ্ঞতা দেখেই কর্মকর্তারা নিয়োগ পেতেন। গত তিন মেয়াদে খোদ প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান নিয়োগের ক্ষেত্রে সেটি বিবেচনায় নেয়া হয়নি। এমন লোক এ পদে নিয়োগ পেয়েছেন, যারা কর্মজীবনে কখনো এনসিটিবিতে কাজ করেননি বা কাজ করার সুযোগ পাননি। এদের ক্ষেত্রে এমন ঘটছে যে, তারা কাজ বুঝে উঠতে উঠতে অবসরে চলে যাচ্ছেন। পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নে বড় ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তির এটা প্রধান একটি কারণ।
এনসিটিবির ৭৭টি প্রথম শ্রেণীর পদের মধ্যে বর্তমান ৬৩ জন প্রেষণে নিয়োগ পাওয়া। নিয়ম অনুযায়ী চেয়ারম্যানসহ মাত্র ছ’টি পদে প্রেষণে কর্মকর্তারা দায়িত্বে থাকার কথা। বাকিরা স্থায়ীভাবে এনসিটিবির কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার কথা। প্রেষণের পদগুলো নিয়ে লবিং গ্রুপিং চলে। ঢাকায় মূলত এসব লবিং জোরওয়ালা লোকেরা এনসিটিবিতে ডাম্পিং হন। মন্ত্রণালয়, বোর্ড এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে তারা এনসিটিবিতে পালিত হন। এ ছাড়া আরেকটি ব্যাপার হলো, এখানে বিপুল অঙ্কের টাকার আনাগোনা। কাগজ, কালি ও মুদ্রণের এক মহাযজ্ঞ চলছে এখানে। একটি প্রতিষ্ঠান এক লাখ বই ছাপার কাজ পেলে তা বিরাট ব্যাপার। কোটি টাকার অর্ডার পেলে তো কথাই নেই। এ অবস্থায় এনসিটিবির ভেতরে গড়ে উঠেছে সিন্ডিকেট। কর্তৃপক্ষকে এই সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা বন্ধ করতে হবে।
শিশুদের পাঠ্যে যেসব ভুলের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে তা অমার্জনীয়। এ ধরনের ভুল একবারের জন্যও গ্রহণযোগ্য নয়। বানান ভুল থেকে শুরু করে বিষয়বস্তু নির্বাচন পর্যন্ত ভুলের বিস্তৃতি ঘটেছে। আগের বছরের করা ভুলগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হলে যেখানে কোনো ভুল হওয়ার কথা নয়, সেখানে নতুন বছরে ভুলের সংখ্যা আরো বেড়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় এমন ভুল বাড়ছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মনে হয় পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নে বাংলাদেশে কোনো দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ নেই। তবে এবার ওএসডি করা হয়েছে পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের দুই কর্মকর্তাকে। ওএসডি একটি বহুল ব্যবহৃত অফিশিয়াল এক্সারসাইস। মূলত একটি আইওয়াশ হয় এতে। কিন্তু ভুলের মাশুল মেলে না। পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়ে গেলে অভিযুক্তরা আবার জায়গা মতো ফিরে আসার সুযোগ পাবেন। আবার তারা একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করবেন। অন্য দিকে, পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান এসব ভুলের কোনো দায়দায়িত্ব নেননি। তিনি বরং একটি সংশোধনী প্রস্তুত করছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এটি প্রত্যেকটি স্কুলে পৌঁছে দেয়া হবে। শিক্ষকেরা পাঠ দেয়ার সময় সংশোধনী অনুযায়ী শুদ্ধ করে পড়াবেন। এ এক অদ্ভুত ব্যাপার। কোনো দেশে পাঠ্যপুস্তকে এ ধরনের ভুল রেখে শিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার নজির নেই।
বইয়ের একজন লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক। তিনি দু’টি বাংলা বই লেখায় অংশ নিয়েছেন। বই প্রকাশ হলে তিনি দেখতে পান তার সংশ্লিষ্ট অংশে আরো কিছু যুক্ত করে দেয়া হয়েছে। তিনি একটি পত্রিকাকে জানান, সংযোজন বিয়োজনের এই পর্যায়ে তার কোনো মতামত নেয়া হয়নি। চূড়ান্তভাবে যা ছাপানো হয়েছে সেটা প্রেসে যাওয়ার আগে তাকে দেখানো হয়নি। বোর্ডের চেয়ারম্যান যে সংশোধনী দিতে যাচ্ছেন সেটি পাঠ্যবই প্রেসে যাওয়ার আগে যদি ফাইনাল সংশোধনীর কাজটি করতেন তাহলে এখন প্রায় সাড়ে চার কোটি বইতে ভুল যেত না। কোনো স্বাধীন দেশে শিশুদের পাঠ্যে এমন গাফিলতিজনিত ভুল করার পর সেই দেশের পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টরা নিজ দায়িত্বে কোনো ধরনের জবাবদিহিতাহীন বহাল থাকতে পারেন এ সম্ভবত শুধু বাংলাদেশে সম্ভব। মূলত এসব পদের জন্য তারাই যোগ্য যারা জাতির প্রতি প্রতিশ্রুতিশীল। নিজ থেকে দায়িত্ব নিয়ে নির্ভুল পাঠ্যপুস্তক রচনায় উৎসাহী। সে ধরনের প্রতিশ্রুতিশীল লোকদের জায়গামতো নিয়োগ দেয়া না হলে এই ভুলের পুনরাবৃত্তি কেয়ামত পর্যন্ত হতেই থাকবে।
পেশাদারিত্বের অভাব প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে পাঠ্যপুস্তকের বিষয় নির্বাচনেও। সেখানে ছবি, গল্প, কবিতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়নি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শিশুদের জন্য আপত্তিজনক পাঠ্যই স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের প্রকৃত চিন্তাচেতনা বইগুলোর বিষয়বস্তু হিসেবে অনেক ক্ষেত্রে উপেক্ষিত হয়েছে। গল্প বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের মান দেখা গেল না। বেশির ভাগ গল্পে কোনো নৈতিক শিক্ষা নেই। কোনো সারবস্তু নেই। উদ্ভট কল্পনা অপ্রকৃতিস্থ ভাবাবেগের প্রাধান্য দেখা গেছে ওইসব গল্পে। একই অবস্থা কবিতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে। অথচ সৃষ্টিকে চমৎকরভাবে উপস্থাপন করে বাংলা সাহিত্যে এমন কবিতার অভাব নেই। অন্ততপক্ষে স্বাধীনতার পরপর রচিত পাঠ্যপুস্তকের গল্প কবিতা অপরিবর্তিত থাকলেও সেগুলো এর চেয়ে অনেক বেশি মানসম্পন্ন হতে পারত। বিজ্ঞান, সমাজ ও ইতিহাস বইগুলোতে কিছু প্রয়োজনীয় বিষয় এসেছে; কিন্তু সেগুলোর লেখার মান যথেষ্ট সমৃদ্ধ নয়। একইভাবে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের বহুল নজির সেখানে রয়েছে।
ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষায় কারুণ
ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার বইটি ব্যতিক্রম দেখা গেল। সেখানে ছাত্রছাত্রীদের মুসলিমদের প্রার্থনা সালাত শেখানোর কসরত দেখা গেল। তাদের মাথায় টুপি পরিয়ে দেয়া হলো। মেয়ে শিশুদের হাতের কবজি অবধি হাতা টেনে দেয়া হলো। সালোয়ার-কামিজের ওপর আরো বাড়তি ওড়না চড়িয়ে দেয়া হলো। একটি কাপড় মাথায় চেপে দেয়া হলো। বাংলাসহ অন্যান্য বইয়ে দেখা গেল ঠিক এর উল্টো চিত্র। ধর্ম ও দৈনন্দিন জীবনকে আলাদা করে দেখাতে গিয়ে হয়তো আমরা এভাবে দু’টি জীবনকে আলাদা করে দেখাচ্ছি। বাস্তবতা হচ্ছে একজন মানুষের জীবন এমন দুটো ভিন্ন সত্তায় বিভক্ত নয়।
অর্থাৎ তুমি যখন ধর্ম পালন করবে তখন এক ধরনের পোশাক পরবে, অন্য সময় অন্য ধরনের পোশাক পরে ভিন্ন ধরনের আচরণ করলে অসুবিধা নেই। এটা নিশ্চই এক ধরনের দ্বন্দ্ব তৈরি করে শিশুদের মধ্যে। এ ধরনের দ্বিচারিতার মধ্যে তারা আসলে জীবনের স্থির কোনো আদর্শ খুঁজে পায় না।
তবে নৈতিক শিক্ষা বইয়ের প্রথম কয়টি চ্যাপ্টার পড়ে মার্জিত মনে হলো। কারুণের উল্লেখ দেখে আত্মপ্রবঞ্চনার মাত্রাটিও অনুভব করা গেল। চতুর্থ শ্রেণীর ওই বইতে লিখেছে, অনেক আগে কারুণ নামে এক ব্যক্তি ছিল। তার ধনসম্পদ ছিল প্রচুর। কিন্তু তৃপ্তি ছিল না, শান্তি ছিল না। সে আরো সম্পদ লাভের জন্য অস্থির ছিল। সে আল্লাহর শোকর করত না। গরিবের হক আদায় করত না, জাকাত দিত না। আল্লাহর হুকুমে সে ও তার ধনসম্পদ ধ্বংস হয়ে গেল।
এই স্টোরি কারুণের জীবনকে ঘৃণ্য হিসেবে দেখানো হয়েছে। কারুণের চরিত্রকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখানো হয়েছে। কোনো শিশু স্টোরিটি পড়ার পর কখনো কারুণ হতে চাইবে না। বাস্তবতা হচ্ছে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমাদের জাতীয় জীবনে কারুণের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। নবী মূসা আ: যখন মিসরে ফেরাউনের বিরুদ্ধে লড়ছিলেন, তখন একজন মাত্র কারুণ ছিল। আজ বাংলাদেশে সেই বিবেচনায় এ সংখ্য অনেক বেশি। এমনকি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এ ধরনের চরিত্র আনুকূল্য পাচ্ছে।
হলমার্ক ডেসটিনির ঘটনা জাতির সামনে সব স্পষ্ট করে দিচ্ছে। ব্যাংক থেকে হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। এ ধরনের লুটপাটের পর খোদ দেশের অর্থমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বক্তব্য দেয়া হচ্ছে, এমন লুটপাট খুব একটা কিছু নয়। কারুণের ঘটনাটি বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে কুরআনের ২৮ নাম্বার চ্যাপ্টারের ৭৬ থেকে ৮২ নাম্বার আয়াতের মধ্যে। প্রাসাদসহ ডেবে গিয়ে তার করুণ পরিণতি হয়েছিল।
jjshim146@yahoo.com

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫