ঢাকা, মঙ্গলবার,২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

শিক্ষা

৯ লাখ টাকায় ঢাবির মেধা তালিকার ছাত্রীটি রাবিতে ভর্তি

রাবি সংবাদদাতা

১১ জানুয়ারি ২০১৭,বুধবার, ১৮:৫০


প্রিন্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ‘ঘ’ ইউনিটে মেধা তালিকায় স্থান পেয়েও জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বাদ পড়া সেই ছাত্রীকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগে ভর্তি করা হয়েছেন। আইন অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৫৫ দশমিক ৫০ নম্বর পেয়ে ৪৪তম মেধা স্থান অর্জন করেন তাজরিন আহমেদ খান নামের ওই ছাত্রী। মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মেধা তালিকায় প্রথম ধাপে গত ৮ ডিসেম্বর ভর্তি হন তিনি।
জানা যায়, জালিয়াতির মাধ্যমে তাজরীন আহমেদ খান মেধা এবছরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ভর্তি পরীক্ষায় ‘ডি’ ইউনিটে ৫ম মেধাস্থান অর্জন করেন। ৯ লাখ টাকার বিনিময়ে এই মেধাস্থান অর্জন করে বলে মিডিয়াতে প্রকাশিত হয়। জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার ভর্তি বাতিল করে ঢাবি কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে তাজরীন রাবিতে ‘এ’, ‘বি’, ‘ডি’ এবং ‘জি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শুধুমাত্র বি ইউনিটে ৪৪তম মেধাস্থান অর্জন করেন। চারটি ইউনিটের মধ্যে ‘ডি’ ইউনিট এবং ‘জি’ ইউনিটের পরীক্ষায় তিনি ফেল করেন, এবং ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষায় তার মেধাক্রম অনেক দূরে। ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষায় (রোল : B১৯২৪২) ৫৫.৫০ নাম্বার পেয়ে ৪৪ তম স্থান অধিকার করেন। ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় যার (রোল : D ৫২০০৪) মাত্র ১৪.০৬ নম্বর, ‘জি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় (রোল : G ২১৪৭১) ৩৩.২৫ নম্বর পেয়ে ফেল করেন, ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় (রোল : A ২৭৫৫৪) ৫০ নাম্বার পেয়ে তার মেধাক্রম ২২৯৭ তম। ‘বি’ ইউনিটের সাক্ষাতকার শেষে মেধাতালিকায় তার স্থান হয় ৩৪তম।
এব্যাপারে আইন অনুষদের ডিন ও ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি কমিটির সভাপতি প্রফেসর আবু নাসের মো. ওয়াহিদ বলছেন, ‘তার বিষয়ে এখনো আমাদের সন্দেহ রয়েছে। তবে কোনো অভিযোগ বা প্রমাণ হাজির না করতে পারায়, নিয়ম অনুযায়ী তাকে বাদ দিতে পারিনি। ধারণা করছি, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সে জালিয়াতি করে থাকতে পারে- যা হয়তো আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের আওতার বাইরে।’
বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি প্রফেসর ড. মুহম্মদ মিজানউদ্দিন বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই ঘটনাটি শুনেছিলাম। ভর্তি কমিটি এখানে তাকে যাচাই-বাছাই করে ভর্তি করিয়েছে বলে আমি বিশ্বাস করি। যদিও এটা ওই অনুষদের ভর্তি কমিটির বিষয়। আমি বলব, সে ভর্তি হয়েছে তার বিরুদ্ধে এখানে ভর্তি পরীক্ষায় অভিযোগ না উঠলেও পরে তার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে ভর্তি কমিটি ও বিভাগের শিক্ষকরা সিদ্ধান্ত নেবে।’

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫