ঢাকা, মঙ্গলবার,২৫ জুলাই ২০১৭

বরিশাল

চরাঞ্চল জুড়ে হাঁস পালনের চাহিদা বাড়ছে

রাঙ্গাবালীতে হাঁসপালনে স্বাবলম্বী বেকার যুবক রায়হান

মু. জাবির হোসেন, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)

১১ জানুয়ারি ২০১৭,বুধবার, ১৬:২৩


প্রিন্ট

পটুয়াখালী জেলার চরাঞ্চল রাঙ্গাবালী উপজেলার কাউখালী গ্রামের বেকার যুবক রায়হান হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন। তার সংসার থেকে অভাব নামের শব্দটি দূরীভূত হয়ে এসেছে সচ্ছলতা। তার এ সফলতা দেখে এখন এলাকার অনেক বেকার যুবক-যুবতী হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী হওয়া পথে হাঁটতে শুরু করেছেন। রায়হান এখন বেকার যুবকদের কাছে উদাহরণ।

জানা গেছে, রাঙ্গাবালী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এক সময় পরিবারের গোশত ও ডিমের চাহিদা মেটানোর জন্য ঘরে হাঁস পালন করা হতো। কয়েক বছর আগে এই চর অঞ্চলে হাঁসের খামার গড়ে তোলা হয়। এতে সফলতা আসে। এরপর থেকে এলাকা জুড়ে প্রতিযোগিতামূলক হাঁসের খামার গড়ে তোলা হয়। এতে শত শত বেকার লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে।

রাঙ্গাবালী উপজেলার চরঅঞ্চলের লোকজন বছরে চার মাস কাজ করেন, আর আট মাস বসে থাকেন। একটি মাত্র ফসল আমন ধানের ওপর তারা নির্ভরশীল। শুধু চার মাস কাজ, আর একটিমাত্র ফসলে জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ হয়ে পড়েছে অনেক কঠিন। তাই বিকল্প পেশা হিসেবে এখন তারা হাঁসের খামার গড়ার দিকে নজর দিচ্ছেন। এতে অনেকেই পেয়েছেন সচ্ছলতা। সৃষ্টি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান। বাড়ছে আমিষের উৎপাদন।

সরকারের প্রাণিস¤পদ বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় এ হাঁসের খামার জাতীয় অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রাখছে। চরগুলোতে থাকা উচ্ছিষ্ট বোরো ধান ও শামুক খেয়ে হাঁসগুলো বড় হয়ে ডিম দেয়। আলাদা খাদ্য দিতে হয় না। এ কারণে বাচ্চা কেনা ছাড়া এখানে হাঁস পালনে খরচ নেই বললেই চলে। এ কারণে কৃষক বেশ লাভবান।

জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা: এ.কে.এম আব্দুর রহমান বলেন, পটুয়াখালী জেলার গোটা চরাঞ্চল জুড়ে এভাবে হাঁস পালন করা হলে সরকারের অর্থনৈতিক খাতে ব্যাপক আয় বৃদ্ধি পাবে আর সেই সাথে দারিদ্র্যতাও দূর হবে। তাই আমরা তাদের সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছি।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫