ঢাকা, বুধবার,২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

নিত্যদিন

বউর্টজির ইতিকথা

১১ জানুয়ারি ২০১৭,বুধবার, ০০:০০


প্রিন্ট

আজ তোমরা জানবে বউর্টজি সম্পর্কে। এটি একটি ঐতিহাসিক দুর্গ। বিভিন্ন সময়ে এটির হাতবদল হয়েছে। দুর্গটি নির্মাণ করে ভেনিশীয়রা, ১৪৭৩ সালে। উদ্দেশ্য ছিল জলদস্যু ও দখলদারদের হাত থেকে ন্যাফপ্লিও শহর রক্ষা করা। ১৭১৫ সালে দুর্গটি ওসমানীয় সাম্রাজ্যের (তুরস্ক) দখলে যায়। এ সময় গ্রিসসহ আজকের পূর্ব ইউরোপের অনেক দেশ ছিল তুরস্কের অধীন। লিখেছেন মুহাম্মদ রোকনুদ্দৌলাহ্
ঈজিয়ান সাগরের অংশ অ্যারগোলিক উপসাগর। এ উপসাগরে ন্যাফপ্লিও পোতাশ্রয়ের মাঝে একটি টিলার ওপর বউর্টজির অবস্থান। দূর থেকে মনে হয় পানির ওপর এটি ভেসে আছে। গ্রিসের এ দুর্গের নাম রয়েছে ইতিহাসের পাতায়। গ্রিস ও তুরস্কের ইতিহাসে বউর্টজি দুর্গ একটি আকর্ষণীয় নাম। ১৮২১ সালে গ্রিসে বিদ্রোহ দেখা দেয়, দেশটি স্বাধীনতা দাবি করে। ১৮২২ সালে বিদ্রোহীরা তুর্কিদের কাছ থেকে দুর্গটি পুনর্দখল করে। এ দুর্গের আশ্রয়ে থেকে বিদ্রোহীরা ন্যাফপ্লিও অবরোধে ভূমিকা রাখে। গ্রিস স্বাধীন হলে ন্যাফপ্লিও হয় এর রাজধানী। তার মানে আধুনিক গ্রিসের প্রথম রাজধানীর মর্যাদা পায় এ শহর। পরে এথেন্সে রাজধানী সরিয়ে নেয়া হয়।
১৮৬৫ সাল পর্যন্ত বউর্টজি দুর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পরে এটি দণ্ডিত অপরাধীদের ঘাতক ও জল্লাদদের বাসভবনে রূপান্তরিত করা হয়। ১৯৩০ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত বউর্টজিকে ব্যবহার করা হয় হোটেল হিসেবে।
বউর্টজি মানে বুরুজ, টাওয়ার। স্থাপনাটি একটি পর্যটক-আকর্ষক স্থান। ন্যাফপ্লিও থেকে নৌকাযোগে মাত্র পাঁচ মিনিটে বউর্টজিতে পৌঁছা যায়। কয়েক বছর আগে দুর্গটি সংস্কার করা হয়েছে। এতে পর্যটকসংখ্যা বেড়েছে।
তথ্যসূত্র : ওয়েবসাইট

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫