ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

সাতরঙ

জিমের নিয়মকানুন

নিপা আহমেদ

১০ জানুয়ারি ২০১৭,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাড়ছে জিমে যাওয়া মানুষের সংখ্যাও। তবে জিমে যাওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় জেনে রাখা প্রয়োজন ।
ষ জিমে ভর্তি হওয়ার আগে আপনার সম্পূর্ণ ফিটনেস প্ল্যানিং করে নিন।
ষ প্রথমেই কোন জিমে আপনি ভর্তি হতে পারেন সে সম্পর্কে ভালো করে খোঁজ নিয়ে নিন। বাড়ির কাছাকাছি কোনো ভালো জিম থাকলে সেখানেই যোগাযোগ করুন, টাইম ম্যানেজমেন্টে সুবিধা হবে।
ষ প্রথমেই জিমের ফিটনেস ট্রেনারের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনি কি ফিটনেস গোল অ্যাচিভ করতে চাইছেন, জিম করার জন্য কতটা সময় বের করতে পারবেন, কোনো শারীরিক অসুস্থতা রয়েছে কি না এসব ব্যাপারে ফিটনেস এক্সপার্টের সাথে কথা বলে আপনার ফিটনেস প্ল্যানিং তৈরি করুন।
ষ জিমে ভর্তি হওয়ার পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ ফিটনেস এক্সপার্টের উপস্থিতিতে ফিটনেস ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করুন। কোনো ফিটনেস ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করতে অসুবিধা হলে সেই ইকুইপমেন্ট ব্যবহারের নিয়মকানুন সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিন।
ষ প্রাথমিক পর্যায়ে আস্তে আস্তে জিম করার সময় বাড়ান। প্রথম দিনই দুই-তিন ঘণ্টা এক্সারসাইজ করলে শরীরের ওপর বেশি স্ট্রেন পড়তে পারে।
ষ প্রথম চার সপ্তাহ রোজ আধা ঘণ্টা ওয়ার্কআউট করলে হাতে এক ঘণ্টা সময় রাখার চেষ্টা করুন। সকালে বা বিকেলে জিম করার জন্য প্রস্তুতি নিতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে। এরপর মনোযোগ দিয়ে ইকুইপমেন্টের ব্যবহার শেখার চেষ্টা করুন। ওয়ার্কআউট শেষ করার পর অন্তত ১৫ মিনিট রিলাক্স করুন।
ষ প্রাথমিক পর্যায়ে জিম থেকে ফিরেই কাজে বেরোনোর জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না। জিম করার পর ডায়েট চার্ট অনুযায়ী খাওয়াদাওয়া করে অফিসে যাবেন। সকাল বা বিকেল যে সময়ই জিমে যান, আগে থেকে সঠিক টাইম ম্যানেজমেন্টের ব্যাপারে নজর দিন।
ষ ঘরে এবং বাইরে অতিরিক্ত কাজের চাপ থাকলে সপ্তাহে তিন দিন জিমে যান।
ষ সপ্তাহের বাকি দিন সকালে উঠে মর্নিং ওয়াক করুন বা বাড়িতে ১০ মিনিট ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজ করে নিন।
ষ হোমমেকাররা সকালের কাজকর্ম শেষ করে দুপুরেও জিমে যেতে পারেন। এ সময় আপনি নিজের জন্য ব্যয় করার মতো পর্যাপ্ত সময় পাবেন।
ষ প্রাথমিক পর্যায়ে রোজ ফিটনেসের জন্য কিছুটা সময় ব্যয় করতে একটু অসুবিধা হতে পারে। কিন্তু জিমে ভর্তি হয়ে কখনোই হঠাৎ করে জিমে যাওয়া বন্ধ করবেন না। কয়েক মাস জিম করার সাথে অভ্যস্ত হয়ে গেলে দেখবেন ফিটনেসের জন্য প্রতিদিন কিছুটা সময় ব্যয় করা রোজকার রুটিনে অপরিহার্য হয়ে উঠবে।
ষ পজিটিভ মনোভাব রাখুন এবং ধৈর্য নিয়ে জিম করুন। কত তাড়াতাড়ি ফিটনেস গোল অ্যাচিভ করতে পারবেন, তা নিয়ে কখনোই টেনশন করবেন না।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫