ঢাকা, রবিবার,২০ আগস্ট ২০১৭

নিত্যদিন

নিত্যোপন্যাস : রহস্যভেদী দলের নতুন অভিযান

রকিব হাসান

১০ জানুয়ারি ২০১৭,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট

এক.
স্কুল খুলেছে।
স্কুলে চলেছে ছেলেমেয়েরা, কারো ব্যাগ পিঠে বাঁধা, কারো কাঁধে ঝোলানো।
রহস্যভেদীদের সবার জামার বুকেই একটা করে ছোট ব্যাজ সেফটিপিন দিয়ে আটকানো। স্কুলে এসে বেশ গর্ব করে অন্য ছেলেমেয়েদের দেখাল। অনেকেই হিংসে করল তাদের, ভাবলÑ ইস, আমিও যদি ওই দলে থাকতে পারতাম!
দু-একজন তো ব্যাজ চেয়েই বসল।
‘না, পাবে না,’ মানা করে দিলো মিশা। ‘আর কাউকে দলে নেয়া হবে না। যা নেয়ার নেয়া হয়ে গেছে ছুটির মধ্যেই।’
‘তাতে কী?’ বলল একজন। ‘দলটা না হয় আরেকটু বড় হবে। ভালোই তো, জোর বাড়বে।’
‘না, সাতজনই যথেষ্ট। তোমাদের ইচ্ছে হলে কয়েকজনে মিলে আরেকটা বানিয়ে নাও।’
খানিকটা দূরে দাঁড়িয়ে ছিল অপুর বোন বাবলি। মিশার কথা শুনে এগিয়ে এলো। বলল, ‘এই সুমি, এত সাধাসাধি করছিস কেন? ওরা পারে, আমরা পারি না? আমরাও বানাব। এই লুডু, তুমি থাকবে?
‘নিশ্চয়ই।’
‘আমিও,’ বলল বাবু।
‘ভেরি গুড,’ তুড়ি বাজাল বাবলি। ‘আমরা হবো পাঁচ গোয়েন্দা। দেখিয়ে দেবো, গোয়েন্দাগিরিতে আমরাও কম যাই না। কাল থেকে ব্যাজ পরে আসব আমরাও।’
তা-ই হলো। পরদিনই ব্যাজ পরে এলো বাবলির গোয়েন্দাবাহিনী। ওরাও ব্যাজ দেখিয়ে বেড়াতে লাগল সেদিন। রহস্যভেদীদের কাছে এসে বড়াই করে বলল বাবলি, ‘তোমরা তো সাধারণ চোর ধরেছ, আমরা ধরব ডাকাত।’
‘চোর নয়,’ রেগে গেল অপু, ‘ডাকাতই ধরেছি আমরা! পোস্ট অফিসের ভ্যান ছিনতাই করে নিয়ে যাচ্ছিল, চোর হলো নাকি ওরা?’
(চলবে)

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫