ঢাকা, শুক্রবার,২৪ মার্চ ২০১৭

টেলিভিশন

উপস্থাপনায় ব্যস্ত হতে চান সোনিয়া

আলমগীর কবির

০৯ জানুয়ারি ২০১৭,সোমবার, ১৭:৩৯ | আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০১৭,সোমবার, ১৭:৪৭


প্রিন্ট

বেশ কয়েক বছর দেশের বাইরে পড়াশোনা নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত ছিলেন সোনিয়া হোসেন। ২০১৪ সালে দেশে ফিরেই আবারো ব্যস্ত হয়ে যান তার চিরচেনা সেই মিডিয়া ভুবনে। যে কারণে ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে সোনিয়া মিডিয়ায় কাজে ছিলেন বেশ উজ্জ্বল। বিগত এই তিন বছর ছিল সোনিয়ার ক্যারিয়ারের উত্থানের বছর। টিভি নাটকে যেমন অভিনয় করেছেন, ঠিক তেমনি চলচ্চিতেও অভিনয় করেছেন তিনি। আবার উপস্থাপনায়ও তার নান্দনিক উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

নতুন বছরে সোনিয়া হোসেন অভিনয়ের চেয়ে উপস্থাপনায় বেশি গুরুত্ব দেবেন বলে জানালেন। সোনিয়া বলেন, চলতি বছরে আমি অভিনয়ের চেয়ে উপস্থাপনায় গুরুত্ব দিব বেশি। কারণ আমি মনে করি আমি উপস্থাপনাই অনেক বেশি ভালো করতে পারি। তবে খুব ভালো অনুষ্ঠান না হলে উপস্থাপনা করতে কোনোরকমের আগ্রহই নেই আমার। যেহেতু আমি ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করেছি তাই ইংরেজিতে উপস্থাপনা করতেই আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। তবে টিভিতে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান আমাকে বাংলায়ই উপস্থাপনা করতে হয়। ২০১৪ সালে আবারো কাজে ফেরার পরই সোনিয়ার উপস্থাপনায় প্রথম যাত্রা শুরু। যমুনা টিভির শোবিজ টু-নাইট অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে নতুন এক দিগন্তের শুভসূচনা হয়। এরপর দেশ টিভির ‘সুরঞ্জনা’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করছেন টানা দুই বছর।

তাহলে নাটকে অভিনয় কমিয়ে দেবেন? জবাবে সোনিয়া বলেন, ভালো কাজ করব, অনেক অনেক কাজ করতে চাই না। আমি আমার অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্ট। যেমন এ মুহূর্তে আবু হায়াত মাহমুদের বৃষ্টিদের বাড়ি ধারাবাহিকে অভিনয় করছি। এটি বাংলাভিশনে প্রচার হচ্ছে। একটি কাজ ভালো হলেই আমি তৃপ্ত।

আরশাদ আদনানের প্রযোজনায় আলভী আহমেদের নির্দেশনায় ইউটার্ন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এরপর কী আর অভিনয় করেছেন চলচ্চিত্রে? আমি কৃতজ্ঞ আরশাদ আদনান ভাইয়া ও আলভী ভাইয়ার কাছে। কারণ আমার স্বপ্ন ছিল চলচ্চিত্রে কাজ করার। সেই স্বপ্নপূরণে তারা দু’জনই আমাকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। তা না হলে হয়তো আজো কাজ করা হতো না। এরপর আর চলচ্চিত্রে কাজ করা হয়নি আমার।

২০০৩ থেকে ২০০৬ র‌্যাম্প মডেল হয়ে কাজ করেছিলেন সোনিয়া হোসেন। ২০০৫ সালে টিভি নাটকে তার যাত্রা শুরু। নতুন বছর অনেক প্রত্যাশা পূরণের হোক, সোনিয়ার জন্য এই শুভকামনা।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫