ঢাকা, শুক্রবার,২০ অক্টোবর ২০১৭

আইন ও বিচার

নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে পার পেলেন গাইবান্ধার এসপি : তদন্তে সময় বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ জানুয়ারি ২০১৭,রবিবার, ২০:২১


প্রিন্ট

হাইকোর্টে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে পার পেলেন গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মো. আশরাফুল ইসলাম।
গোবিন্দগঞ্জে সুগারমিলের বিরোধপূর্ণ জমি থেকে উচ্ছেদের সময় গুলির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠনের আদেশে সাঁওতালদের ‘বাঙ্গালী দুষ্কৃতিকারী’ বলায় হাইকোর্টের তলবে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

আজ বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ তার ক্ষমার আবেদন গ্রহণ করে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যহতি দেন।

এদিকে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাঁওতাল পল্লীতে আগুন দেয়ার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জড়িত কিনা তার তদন্তের মেয়াদ ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছেন হাইকোর্ট। গাইবান্ধার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ দেন।

রংপুর সুগারমিল কর্তৃপক্ষ গত বছর ৬ নভেম্বর তাদের সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারের অধিগ্রহণ করা জমি থেকে সাঁওতালদের উচ্ছেদ করতে গেলে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষের সময় সাঁওতালদের বাড়িঘরে লুটপাট হয়। এক পর্যায়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন তিনজন, আহত হন অনেকে। ওই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে গাইবান্ধায় দুটি মামলা করা হয়। আর হাইকোর্টে হয় দুটি রিট।

সাঁওতালদের ঘরে পুলিশের আগুন দেওয়ার একটি ভিডিও নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হলে এই হাইকোর্ট বেঞ্চ জেলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন।

১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ পেয়ে গত ২৭ ডিসেম্বর ঘটনাস্থল গিয়ে সাক্ষ্য নেওয়া শুরু করেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহিদুল্লাহ। উচ্চ আদালতের নির্দেশ পুলিশের তদন্ত শাখা পিবিআইও একই সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের করা দুই মামলার তদন্ত শুরু করে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫