ঢাকা, রবিবার,২৮ মে ২০১৭

আগডুম বাগডুম

ফেজেন্ট দুই দেশের এক দ্বীপ

মো: আবদুস সালিম

০৭ জানুয়ারি ২০১৭,শনিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

তোমরা আজ দু’টি দেশের একটি দ্বীপের মজার ঘটনা সম্পর্কে জানবে। বছরে ছয় মাস থাকে ফ্রান্সের দখলে। আর বাকি ছয় মাস থাকে স্পেনের নিয়ন্ত্রণে। এমন একটি রহস্যঘেরা দ্বীপের নাম ফেজেন্ট। এ দিকে একটি নদী আছে ফ্রান্স ও স্পেন সীমান্তের মধ্যে। নদীটির নাম বিদাসোয়া। সেখানেই দেখতে পাওয়া যায় ফেজেন্টকে।
উল্লিখিত দু’টি দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ১৬৫৯ সালের কথা এটি। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ইতি টানে ‘থার্টি ইয়ার্স ওয়্যার’ বা ৩০ বছরের যুদ্ধ। আর চুক্তিটির নাম ‘দ্য ট্রিটি অব পেরিনিজ’। ওই সময়েই নির্ধারিত হয় নতুন সীমানা। দ্বীপটির আয়তন প্রায় ১ দশমিক ৬ একর।
ফেজেন্ট দ্বীপটি দুটি দেশের বিধায় এর নামও হয়েছে দু’টি। ফ্রেঞ্চ ভাষায় বলা হয় ‘ইল দে ফেজো’। আর স্প্যানিশ ভাষায় ‘ইসলা দে লস ফাইসানেস’। উভয় দেশের যৌথ মালিকানার বেশ পুরনো উদাহরণও দ্বীপটি। বলা যেতে পারে দ্বীপের মালিকানা নিয়ে এমন ঘটনা বা ইতিহাস অনেকেরই অজানা।
বহু আগে দ্বীপটি ব্যবহৃত হতো উভয় দেশের শাসকদের সম্মেলনকেন্দ্র হিসেবে। আরো ব্যবহৃত হতো বন্দী আদান-প্রদানের ব্যাপারে। শুনলে অবাক হবে, স্থায়ী কোনো বসতিই নেই দ্বীপটিতে। আর দ্বীপটিতে যেতে হলে দর্শনার্থীদের অনুমতি নিতে হয়, তবে বেশ কাছে থেকে দেখা যায় এটিকে। কারণ ফ্রান্সের ওনদাইয়ে প্রশাসনিক এলাকা থেকে প্রায় ১৫০ ফুট দূরত্বে দ্বীপটি। আর বিদাসোয়া নদী তীরের ইরুন (স্প্যানিশ শহর) প্রায় ১০০ ফুট দূরে। ঐতিহাসিক গুরুত্বও রয়েছে এর। পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের ফেজেন্ট নামক দ্বীপটি।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫