ঢাকা, মঙ্গলবার,৩০ মে ২০১৭

সংগঠন

মেয়েকে হত্যাকারী বিএসএফ সদস্যের ফাঁসি চাইলেন ফেলানির বাবা-মা

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ জানুয়ারি ২০১৭,শুক্রবার, ১৬:৫৫


প্রিন্ট

ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম ও মা জাহানারা বেগম সীমান্তে তার মেয়ের হত্যাকারী বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের ফাঁসি দাবি করেছেন। সেই সাথে কমপক্ষে বিশ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

আজ সেগুন বাগিচা, ২৩/২, তোপখানা রোডস্থ নির্মলসেন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে নুরুল ইসলাম ও মা জাহানারা এ দাবি করেন।

গত ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কিশোরী ফেলানীকে তার বাবা নুরুল ইসলামের সামনে গুলিতে হত্যা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তার নিথর দেহ ঝুলতে থাকে সীমান্তের কাঁটা তারের সাথে। ঝুলন্ত ফেলানীর লাশের ছবি বিশ্ববিবেককে নাড়া দেয়। ঘৃণা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠে সারা পৃথিবীতে। মামলা রুজু হয়। বিএসএফ তাদের দেশটির আদালতে বিচারে গুলিবর্ষণকারী অমিয় ঘোষকে নির্দোষ ঘোষণা করে। এটি আপিল হয় ভারতীয় সুপ্রীম কোর্টে। এখনও বিচার সম্পন্ন হয়নি।

নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনে নুরুল ইসলাম ও মা জাহানারা বেগম এ বিচারে দীর্ঘসূত্রতা তাদেরকে মর্মাহত করে বলেও জানায়।

এদিকে নাগরিক পরিষদের সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ শামসুদ্দীন কতগুলো দাবি তুলে ধরেন। এগুলো হলো- সীমান্ত হত্যা ও সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বন্ধ, কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্তের নাম ফেলানী সীমান্ত, ঢাকার গুলশান-১ থেকে তেজগাঁও রাস্তার ফেলানী স্মরণী নামকরণ। বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে ৭ জানুয়ারি সীমান্ত হত্যা বিরোধী ফেলানী দিবস পালনের দাবিতে এ বছর ২০১৭ সালে ফেলানী দিবস পালন করা হবে বলেও তিনি জানান। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, আগামীকাল ৭ জানুয়ারি জাতীয়ভাবে ফেলানী দিবস পালন করা হোক, জাতিসংঘে আমাদের রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ফেলানী দিবস পালনের প্রস্তাবনা উত্থাপন করা হোক।

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫