ঢাকা, বৃহস্পতিবার,১৯ জানুয়ারি ২০১৭

নাটক

অভিনয়ে মিঠুর তিন যুগ

বিনোদন প্রতিবেদক

০৬ জানুয়ারি ২০১৭,শুক্রবার, ১৭:০২


প্রিন্ট

মিডিয়ায় বড় দা মিঠু হিসেবেই পরিচিত তিনি। তিনি অভিনেতা মাহমুদুল ইসলাম মিঠু। রাজবাড়ীর সন্তান মিঠুর অভিনয়ে যাত্রা শুরু রাজবাড়ির ‘চারণ থিয়েটার’র মধ্য দিয়ে ১৯৮১ সালে। এ থিয়েটারের হয়ে তিনি অভিনয় করেন ‘বাসন’, ‘এখনো কৃতদাস’, ‘তোমরাই’সহ আরো বেশ কয়েকটি নাটকে।

১৯৯০ সালে ঢাকায় এসে ‘ঢাকতা থিয়েটার’র সাথে কাজ শুরু করেন। প্রথম এক বছর মঞ্চের পেছনে কাজ করলেও এরপর তিনি এই দলের হয়ে অভিনয় করেন ‘মুনতাসির ফ্যান্টাসি’, ‘ধুর্ত উই’, ‘হাত হদাই’সহ আরো বেশ কয়েকটি নাটকে। তবে টিভি নাটকে মিঠুর অভিষকে হয় রওশন আরা নীপার নির্দেশনায় ‘গোধূলী লগনে’ নাটকে। নাটকটি ২০০১ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচার হয়। একই বছরে তিনি মিনহাজুর রহমানের নির্দেশনায় ‘তমশ’ নাটকেও অভিনয় করেন। পাশাপাশি বিবেশ রায়ের নির্দেশনায় কাহিনীচিত্র ‘ধানের কাব্য’তেও অভিনয় করেন। এতে তার স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন চিত্রনায়িকা মুনমুন।

মিঠু অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক ছিল ‘সংসার’। মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর নির্দেশনায় ‘জীবন মানে যুদ্ধ’ চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। তবে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘আগে যদি জানতাম তুই হবি পর’, ‘বুঝেনা সে বুঝেনা’ ও ‘ডার্লিং’ চলচ্চিত্রে তার অভিনয় ছিল প্রশংসনীয়। সরকারি অনুদানের তিনটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন মাহমুদুল ইসলাম মিঠু। সেগুলো হচ্ছে রওশন আরা নীপার ‘মহুয়া সুন্দরী’, মানিক মানবিকের ‘শোভনের স্বাধীনতা’ ও প্রসূন রহমানের ‘সূতপার ঠিকানা’।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫