ঢাকা, বুধবার,২২ নভেম্বর ২০১৭

প্রশাসন

মন্ত্রিসভায় সিডিএ আইন অনুমোদন

নয়া দিগন্ত অনলাইন

০২ জানুয়ারি ২০১৭,সোমবার, ১৮:৪৭ | আপডেট: ০২ জানুয়ারি ২০১৭,সোমবার, ১৯:০৭


প্রিন্ট

মন্ত্রিসভা আজ নীতিগতভাবে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন-২০১৬ এর খসড়া অনুমোদন করেছে। কোনো প্রকার সীমানা প্রাচীর সিডিএ’র সড়ক বাতি পিলার ভাঙ্গার ক্ষেত্রে জরিমানা ২শ’ টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়।

১৯৫৯ সালের চলতি আইনের সিডিএ খসড়া সংশোধনীতে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও অফিস কর্মীদের কোন প্রকার ব্যবসায়িক সংশ্লিষ্টতার বিরুদ্ধে আরো কঠোর শাস্তিরও প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়াও মন্ত্রিসভার বৈঠকে আজ নীতিগতভাবে হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট আইন-২০১৬ এবং বাংলাদেশ ভেটেরেনারি কাউন্সিল আইন-২০১৬ এর খসড়ার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম শফিউল আলম বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে একথা জানান।

বর্তমান প্যানেল কোডের ১৬৮ ধারার আওতায় অত্যন্ত নমনীয় শাস্তির পরিবর্তে খসড়া প্রস্তাবে বলা হয়, সিডিএ’র সাথে ব্যবসার ক্ষেত্রে সংস্থার বর্তমান চেয়ারম্যান, মেম্বার অথবা এর কর্মীদের দুই বছরের জেল অথবা ১০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় প্রকার শাস্তি ভোগ করতে হতে পারে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কক্সবাজার ও রাজশাহীর উন্নয়নে সম্প্রতি প্রণীত আইনের সাথে সঙ্গতি রেখে নতুন সিডিএ আইন প্রস্তুত করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোনো ধরনের সীমা প্রাচীর, সড়ক বাতির পিলার ভাঙ্গার জন্য জরিমানা ২শ’ টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকার প্রস্তাব রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে।

সিডিএ’র সাথে চুক্তি অনুযায়ী কোন স্থাপনা, দেয়াল অথবা পূর্ণাঙ্গ ভবন অথবা এর আংশিক অপসারণের ব্যর্থতার জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে এই খসড়ায়।

খসড়া আইনে সিডিএ মাস্টার প্লানের জমির অপব্যবহারের জন্য ১০ লাখ টাকা জরিমানারও প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি প্রাথমিকভাব ছিল এক হাজার টাকা এবং পরে প্রতিদিনের জন্য ছিল ৫০ টাকা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মন্ত্রিসভা বৈঠকের শুরুতে ১০তম জাতীয় সংসদের সদস্য মনজুরুল ইসলাম লিটন ও আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি বজলুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে দু’টি শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়।

শফিউল আলম বলেন, বাড়ি ও ভবন গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন-২০১৬ হবে ১৯৭৭ সালের এ সম্পর্কিত অধ্যাদেশ এবং ভেটেরেনারী কাউন্সিল আইন-২০১৬ হবে ১৯৮২ সালের অধ্যাদেশের প্রতিস্থাপন। উভয়টি সামান্য পরিবর্তনসহ সুপ্রিম কোর্টের আদেশের অনুসরণে বাংলা ভাষায় প্রণীত।

বাড়ি ও ভবন গবেষণা ইনস্টিটিউট আইনে প্রতিষ্ঠানটির প্রধানের পদমর্যাদা পরিচালক থেকে মহাপরিচালক পদে উন্নীত করার প্রস্তাব রয়েছে।

এই ইনস্টিটিউটে ২০ সদস্যের কাউন্সিলের প্রধান হবেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং নিয়মিত কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য মহাপরিচালকের নেতৃত্বে নির্বাহী কমিটি থাকবে। ইনস্টিটিউটটি একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। এটি ভবন নির্মাণ ও ভবন নির্মাণ সামগ্রী শিল্প ও সার্বিকভাবে আবাসন সম্পর্কিত বিভিন্ন গবেষণা এবং বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে নিয়োজিত।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫