ঢাকা, শুক্রবার,২৬ মে ২০১৭

অর্থনীতি

গ্রামীণ ব্যাংক নতুন আঙ্গিকে পুনরুজ্জীত করা হবে : মুহিত

বিশেষ সংবাদদাতা

০১ জানুয়ারি ২০১৭,রবিবার, ১৯:২১ | আপডেট: ০১ জানুয়ারি ২০১৭,রবিবার, ১৯:২৬


প্রিন্ট
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত (ফাইল ফটো)

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত (ফাইল ফটো)

নতুন বছরে নতুন আঙ্গিকে গ্রামীণ ব্যাংক পুনরুজ্জীত করতে চান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এ লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংকের নামে চলা মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির পাশাপাশি এর পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণের সাপ্তাহিক কিস্তি আদায় ও তুলে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আজ রোববার অর্থমন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ব্যাংক ও আর্থিক বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের সাথে নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

এ সময় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ইউনুসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। নতুন বছর উদযাপন উপলক্ষে দুটি কেক কাটেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি যখন অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেই তখন গ্রামীণ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ছিল ৪০ শতাংশ। এখন এই হার ৯ শতাংশে নেমে এসেছে, যা সহনীয়।’

তিনি বলেন, ‘ইউনূস সাহেবের বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতামূলক কাজকর্ম থাকা সত্ত্বেও আমরা গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে ভাবছি। উই শুড রিভাইভ ইট। আই হ্যাভ অলরেডি কমিশনড সার্টেন পিপল টু লুক ইনটু দিস ইস্যু যে, কিভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের জন্য একটা নিউ রোল সৃষ্টি করা যায়।

আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, ‘যখন গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়, তখন দুটি উদ্দেশ্য ছিলো। একটি হলো ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীকে ঋণ দেয়া এবং তাদেরকে ঋণ ফেরত দেয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। এখন এটি শতভাগ সফল। মানুষ ঋণ নেয় এবং তা ফেরতও দেয়।

তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালনার ক্ষেত্রে আমি নতুন করে ভূমিকা সৃষ্টি করতে চাই। গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ গ্রহীতারা এখন ঠিকমত ঋণ পরিশোধে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন। এখন যে সাপ্তাহিক কিস্তি পরিশোধ করছে সেটা তুলে দেয়া হবে।’

নতুন বছর কেমন যাবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গত বছরের মতো নতুন বছরও ভালো যাবে। তবে নতুন বছরে আমাদের চ্যালেঞ্জ বিনিয়োগ বাড়ানো। এ বছরে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাসহ সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া একই গতিতে থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে জটিল কিছু দেখছি না।’

বছর শেষ ও নতুন বছর উদযাপন করতে না পারার হতাশা প্রকাশ করে মুহিত বলেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা ইয়ার এন্ডিং উদযাপন করতে পারি না। আজ রাত সাড়ে আটটার দিকে মনে হয়েছে শহর যেন মৃত। মানুষ ঘরে চলে গেছে। গাড়ি ঘোড়া চলছে না। নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কিন্তু সেটিকে কাটিয়ে উঠে আমরা যদি সফলভাবে বছর উদযাপন করতে পারতাম তবে ভালো হতো।’

নতুন বই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন বইয়ের গন্ধই আলাদা, উফ! অসাধারণ। কোমলমতি শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়ার পর ওদের যে আনন্দ উচ্ছ্বাস তা টাকা দিয়ে কেনা যাবে না। আমি আজ সকালে বই বিতরণ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। সেখানেই আমার এই উপলব্ধি। প্রথমদিকে এই কর্মসূচি বাস্তাবায়নে আমি একটু গড়িমসি করছিলাম। কোথায় টাকা পাবো? আমাদের কি সেই সামর্থ্য আছে? তবে এখন আমাদের সামর্থ্য বেড়েছে। আমি শিক্ষামন্ত্রীকে বলেছি, আরো সুন্দরভাবে এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার জন্য।’

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫