স্মার্টফোনের চাহিদা কমছে!

আহমেদ ইফতেখার

মার্কিন বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনারের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে চলতি বছর স্মার্টফোন বিক্রি ৭ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে। এ হার গত বছরের অর্ধেক। বছরে ১৫০ কোটি ডিভাইস বিক্রি নিয়ে স্মার্টফোন খাত এরই মধ্যে বিশাল বাজারে পরিণত হলেও স্মার্টফোনের কাটতি কমছে। এর পরে কোন প্রযুক্তিপণ্যটি ভোক্তাদের পছন্দের তালিকায় উঠে আসে, সেটিই দেখার বিষয়। স্মার্টফোনের চাহিদা মন্দায় প্রভাব পড়ছে জাপান, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের কারখানাগুলোয়।
অ্যাপল ও স্যামসাং স্মার্টফোন দুনিয়ার দুই আধিপত্য বিস্তারকারী প্রতিষ্ঠান। চলতি বছর এ দুই টেকজায়ান্টের নড়বড়ে অবস্থান নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে স্মার্টফোন ডিভাইস খাতে। চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে প্রথমবারের মতো আইফোন বিক্রি কমার খতিয়ান তুলে ধরেছে অ্যাপল। অন্য দিকে গ্যালাক্সি নোট ৭ বিস্ফোরণ নিয়ে উন্মাদনায় স্যামসাং খানিকটা বিপর্যস্ত। অ্যাপলকে নিজস্ব পণ্য উৎপাদনে নির্ভর করতে হয় ২০০টির বেশি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর। এসব কোম্পানির বেশির ভাগই এশিয়াভিত্তিক। স্মার্টফোনের বাজার দখলে ব্র্যান্ডগুলোর কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে। তা হচ্ছে হালনাগাদ ক্যামেরা, শব্দ ও নান্দনিকতা। ভোক্তারা মূলত এ কারণেই চীনা স্মার্টফোনে ঝুঁকছেন। চলতি বছর ভালোমানের ডুয়াল ক্যামেরাবিশিষ্ট প্রায় ২০টি স্মার্টফোন বাজারে এসেছে। চীনা ব্র্যান্ডগুলোর আধিপত্য বেড়েছে ২০ শতাংশ। স্মার্টফোনের বাজার স্থবির হয়ে পড়লেও ডুয়াল ক্যামেরা ফোনের চাহিদা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি ফোনেই আছে আরো বেশি ইমেজ সেন্সর। অনেকেই স্মার্টফোন ব্যবসা থেকে সরে আসার কথা ভাবছে। কিন্তু শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলো গুরুত্ব দিচ্ছে ক্যামেরায়।
জেডিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মিতসুরু হোম্মা বলেন, এখনো স্মার্টফোন ব্যবসায় থাকলে আগামী ৫-১০ বছরের মধ্যে বিলুপ্ত হয়ে যাবে জেডিআই। আর এ জন্যই ইন্টারনেট অব থিংস ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সংশ্লিষ্ট ডিভাইস সরবরাহে গুরুত্ব দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.