বিটিভির দুই নাটকে মুক্তি

আলমগীর কবির

তখন তিনি অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী। সেই বয়সে ইচ্ছে হলো মিডিয়াতে কাজ করার। যে কারণে ‘বিনোদন বিচিত্রা’ ফটোসুন্দরী হয়েই অষ্টম শ্রেণীতে পড়ার সময় মিডিয়াতে তার অভিষেক ঘটে। তিনি মুক্তি। মিজানুর রহমান পরিচালিত ‘অগ্নিগিরি’ নাটকে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে ছোটপর্দায় অভিনয়ে তার যাত্রা শুরু হয়। এতে তিনি তৌকীর আহমেদ’র বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন। একুশে টিভিতে আজ থেকে প্রায় পনেরো বছর আগে প্রচারিত এই নাটকে অভিনয়ের মধ্যদিয়েই আলোচনায় চলে আসেন সুন্দর মুখশ্রীর তন্বী তরুনী মুক্তি। এরপর কেটে গেছে অনেক বছর। সিনেমাতে যেমন অভিনয় করেছেন ঠিক তেমনি মডেল হিসেবেও কাজ করেছেন। পাশাপাশি ধারাবাহিক এবং খ- নাটকে তার ব্যস্ততাতো ছিলোই। কিন্তু এই সময়ে এসে মুক্তি নাটকে অভিনয় কমিয়ে দিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের দুটি নাটকে অভিনয় করেছেন। একটি ‘অদল বদল’ ও অন্যটি ‘চলো বদলাই’। ‘চলো বদলাই’ সরকারী কর পরিশোধের গুরত্বারোপের উপর ধারাবাহিক নাটক। এই ধারাবাহিকের একটি পর্বে অভিনয় করেছেন মুক্তি। ‘অদল বদল’ নাটকে মুক্তির বিপরীতে অভিনয় করেছেন সিদ্দিকুর রহমান এবং ‘চলো বদলাই’ নাটকে অভিনয় করেছেন সাব্বির আহমেদ। দুটি নাটকে অভিনয় প্রসঙ্গে এবং অভিনয়ে নিজের কম উপস্থিতি নিয়ে মুক্তি বলেন,‘ সত্যি বলতে কী অভিনয় আমার পেশা নয়, অভিনয়ের প্রতি এখনো এক ধরনের নেশা থেকেই আমি কাজ করছি। আমি অভিনয়কে ভালোবাসি, অভিনয় করতে ভালোবাসি। অভিনয়ে চর্চা করতে আমি ভালোবাসি। তাই ভালো গল্প, ভালো নির্মাতা না হলে সাধারণত আমি কাজ করিনা। যে কারণে আমার কাজে উপস্থিতি কম। বিটিভির যে দুটি নাটকে অভিনয় করেছি দুটিরই গল্প সমসাময়িক এবং আমার মনের মতো। দুটি কাজ নিয়েই আমি আশাবাদী। ’ ২০০৮ সালে হাছিবুল ইসলাম মিজান পরিচালিত ‘তুমি আছো হৃদয়ে’ চলচ্চিত্রে আরজু’র বিপরীতে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় মুক্তির। এরপর পাঁচ বছর বিরতির পর শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত ‘জোর করে ভালোবাসা হয়না’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এতে তার বিপরীতে ছিলেন শাকিব খান। মুক্তি এই সময়ে এসে ভাবছেন বিয়ে নিয়েও। যদি মায়ের কথা মতো তিনিও বিশ্বাস করেন জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে আল্লাহর হাতে তারপরও মুক্তি চেষ্টা করছেন মনের মতো কাউকে খুঁজে নিতে। সেই মানুষটিকে পেলেই বিয়ে করবেন তিনি।
ছবি : মোহসীন আহমেদ কাওছার

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.