বিশ্ব ঐতিহ্য মির ক্যাসল

নয়া দিগন্ত অনলাইন

আজ তোমরা জানবে মির ক্যাসল সম্পর্কে। এটি কী? একটি বিশ্বখ্যাত প্রাসাদ। লিখেছেন মুহাম্মদ রোকনুদ্দৌলাহ্


ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান হচ্ছে বিশ্বসম্পদ, আর এগুলোরই একটি মির ক্যাসল কমপ্লেক্স। এর অপর নাম মিরস্কি ক্যাসল কমপ্লেক্স। এটি একটি দুর্গ। এর অবস্থান বেলারুশের মির শহরে। এটি নির্মাণ করা হয় পরস্পর সম্পর্কিত জটিল অংশ নিয়ে।
১৫ শতকের শেষ দিকে গথিক স্থাপত্য ঘরানার এই দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু হয়। ১৬ শতকের শুরুতে ডিউক ইলিনিচ দুর্গ-দালানের নির্মাণ সম্পন্ন করেন। ১৫৬৮ সালের দিকে মির ক্যাসল মিকোলাজ ক্রিঝটভ ‘দ্য অরফান’ রাদজিউইলের অধীনে আসে। তিনি রেনেসাঁ ঘরানায় দুর্গ-দালান তৈরি করেন। দুর্গের পূর্ব ও উত্তর দেয়াল বরাবর একটি তিনতলা প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়। প্রাসাদের সম্মুখভাগের ফটক, তাক, ঝুলবারান্দা ও ভবনসংলগ্ন ছাদযুক্ত প্রবেশপথ চুনাপাথরের পলেস্তারায় অলঙ্কৃত করা হয়।
পরবর্তীকালে দুর্গটি প্রায় ১০০ বছর পরিত্যক্ত থাকে এবং নেপোলিয়নীয় যুগে এর মারাত্মক ক্ষতি হয়। ১৯ শতকের শেষ দিকে দুর্গটি আগের সুন্দর অবস্থায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয় এবং এ প্রচেষ্টা বেশ ফলপ্রসূ হয়। দমিনিক হিরোনিম রাদজিউইলের মৃত্যুর পর তার কন্যা স্টেফানিয়া এই দুর্গের মালিক হন। এর পর তার কন্যা মারিয়ার অধীনে যায় দুর্গটি। ১৮৯৫ সালে তার পুত্র মরিস হোহেনলহে শিলিংসফার্স্ট দুর্গটি বিক্রি করেন নিকোলাই সভিয়াটোপোল্ক-মিরস্কির কাছে। নিকোলাইয়ের পুত্র মাইকেল স্থপতি টিউডর বুরঝের পরিকল্পনায় দুর্গের পুনর্নির্মাণ শুরু করেন। ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত দুর্গটি সভিয়াটোপোল্ক-মিরস্কি পরিবারের মালিকানায় থাকে। এরপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি জার্মান বাহিনী দখল করে এবং স্থানীয় ইহুদিদের আটকে রাখার কাজে ব্যবহার করে।
২০০০ সালে দুর্গটি বিশ্ব ঐতিহ্য স্থানের মর্যাদায় ভূষিত হয়।
তথ্যসূত্র : ওয়েবসাইট

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.