ঢাকা, রবিবার,৩০ এপ্রিল ২০১৭

কম্পিউটার ও আইটি

বিভক্ত হওয়ার পথে স্যামসাং

আহমেদ ইফতেখার

২৯ নভেম্বর ২০১৬,মঙ্গলবার, ১৯:১৪


প্রিন্ট

দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক ইলেকট্রনিক জায়ান্ট স্যামসাং গত বছরে জায়ে ওয়াই লি ও তার দুই বোনের মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠানকে একীভূত করে। স্যামসাংয়ের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরো দৃঢ় করে তুলতেই এ পদক্ষেপ নিয়েছিল লি পরিবার। এই একীভূত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে প্রাতিষ্ঠানিক অপ্রধান সম্পদ বিক্রি করে দেয় স্যামসাং। সম্প্রতি স্যামসাংকে দু’টি প্রতিষ্ঠানে ভাগ করার চিন্তাভাবনা চলছে। এই বিভক্তীকরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হলে স্যামসাংয়ের স্মার্টফোন ব্যবসার ওপর স্যামসাংয়ের প্রতিষ্ঠাতা লি পরিবারের নিয়ন্ত্রণ আরো দৃঢ় হতে পারে। বর্তমানে স্যামসাংয়ের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে প্রতিষ্ঠানটির স্মার্টফোন বিভাগ। প্রতিষ্ঠানটিকে বিভক্ত করা হলে বিভাগটির নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি লি পরিবারের হাতে চলে যাবে বলে মনে করছেন অনেকেই।
চলতি বছরের অক্টোবরে স্যামসাংকে দু’টি আলাদা প্রতিষ্ঠানে বিভক্ত করার প্রস্তাব দেয় ইলিয়ট ম্যানেজমেন্ট। এ বিষয়ের সত্যতা জানতে চেয়ে স্যামসাংয়ের কাছ থেকে দ্রুত জবাব চেয়ে পাঠিয়েছে কোরিয়ান এক্সচেঞ্জ। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত স্যামসাংয়ের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রস্তাব অনুযায়ী বিভক্তীকরণ সম্পন্ন হলে দু’টি আলাদা প্রতিষ্ঠান হবে। এর মধ্যে একটি স্বত্বাধিকারী ও নিয়ন্ত্রক হিসেবে এবং অন্যটি পরিচালনমুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এ বিভক্তীকরণের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে বিশেষ লভ্যাংশ হিসেবে পরিশোধ করতে হবে দুই হাজার ৬০০ কোটি ডলার।
স্যামসাংয়ের পুনর্গঠনপ্রক্রিয়ার খবর প্রকাশের পর লি পরিবার বা স্যামসাং গ্রুপের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। স্যামসাংয়ের ভাইস চেয়ারম্যান জায়ে ওয়াই লি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষপর্যায়ে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটির পুনর্গঠনপ্রক্রিয়া বেশ জোরালো হয়ে ওঠে। জায়ে ওয়াই লির পিতা লি কুন-হি এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত থাকলেও বর্তমানে তিনি যেকোনো কার্যক্রম পরিচালনায় অক্ষম। ২০১৪ সালে লি কুন-হির হার্ট অ্যাটাকের পর থেকেই কার্যত জায়ে ওয়াই লিই প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষতম অবস্থানে রয়েছেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫