ঢাকা, সোমবার,২৪ এপ্রিল ২০১৭

ফ্যাশন

শীতের প্রস্তুতি

জারিন তাসনিম

২১ নভেম্বর ২০১৬,সোমবার, ১৮:০২


প্রিন্ট

আমাদের এই অঞ্চলে শীতকাল খুব একটা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। এখন তো শীতকালের অবস্থান আরো কমে গেছে। কিন্তু তাই বলে শীতকালের আনন্দগুলো উপভোগ করা হবে না, তেমন তো নয়। এর জন্য বিশেষ কিছু প্রস্তুতিও নিতে হয়।

সঠিক পোশাক বাছুন
শীতকালে সুতি, লিলেনের বদলে সিল্ক ও তসরের পোশাক বাছাই করুন। বাইরে বের হলে জ্যাকেট, পুলওভার ও কার্ডিগান নিন। প্রয়োজন হলে মোজা, টুপি ও গ্লাভস পরতে পরেন। বয়স্ক ও ছোটদের জামাকাপড়ের বিষয়ে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখবেন। শিশুদের অতিরিক্ত গরমের পোশাক পরাবেন না, এতে ঘেমে বরং ঠাণ্ডা বসে যেতে পারে। শিশুদের পোশাক বাছাই করুন দেখে শুনে।

ত্বক ও চুলের যত্ন নিন
শীতকালে ত্বক আর্দ্রতা হারায়। ঘরের ভেতর ও বাইরের তাপমাত্রায় যেহেতু একটা পার্থক্য দেখা যায়, তাই ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্যও নষ্ট হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই শুকনো হাওয়ায় ত্বক ফাটতে শুরু করে। তাই দিনে তিন-চারবার ময়শ্চারাইজার লাগানো দরকার। মুখ ধোয়ার পর মুখে ভেজে ভাব থাকা অবস্থায় ময়শ্চারাইজার লাগান। শীতকালে শরীরের অয়েল গ্রান্ড থেকে তেল কম নিঃসৃত হয় বলে হাত-পায়ের ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যায়। তাই গোসলের পরপরই ত্বকে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করে নিতে হবে, এতে আর্দ্রভাব অনেকক্ষণ বজায় থাকে। মাঝে মাঝে ম্যানিকিউর ও প্যাডিকিওর করাতে পারেন। এ সময় চুলের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। আগা ফাটা, নির্জীব হয়ে যাওয়া, গ্রোথ কমে যাওয়া, খুশকি ও চুল পড়া শীতকালে বেড়ে যায়। তাই চুলে নিয়মিত তেল ম্যাসাজ করতে হবে। সপ্তাহে দুইবারের বেশি শ্যাম্পু না করাই ভালো। চুলে ময়শ্চারাইজার বজায় রাখার জন্য ভালো কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

ব্যায়াম করুন
ব্যায়াম ইমিউনিটি বাড়াতে সাহায্য করে। সর্দি কাশির মতো সমস্যা থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। তবে এক্সারসাইজ করা ছাড়াও ব্যাডমিন্টন, টেনিস ও সাইক্লিং করা যেতে পারে। পরিবারের সবাই মিলেও একটা খেলার আয়োজন করতে পারেন। এক্সারসাইজের সাথে সাথে আনন্দও পেতে পারেন।

ঘরোয়া প্রস্তুতি
• শীত শুরু হওয়ার আগেই লেপ, কম্বল, শীতের গরম কাপড় সব রোদে দিয়ে ভালোভাবে ঝেড়ে নিতে হবে।
• একই সাথে বাড়িঘর ঝেড়ে মুছে পরিষ্কার করে নিতে হবে। কারণ ধুলা বালুতে অনেকের শীতকালে সমস্যা হয়।

নিয়ম মেনে খাওয়া-দাওয়া
শীতকালে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা বেশি দেখা যায়। তাই শীতকালেও পানি খেতে হবে বেশি করে। এ ছাড়া স্যুপ, গরম দুধ, ফলের রসও খেতে পারেন। মঝে মাঝে ডাবের পানি খান। লেবুর রস দিয়ে লিকারও খেতে পারেন। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের কাজও করবে।

• প্রোটিন জাতীয় খাবার শরীরের তাপমাত্রা রেখে শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। মওসুমি শাকসবজি ও ফল যথেষ্ট পরিমাণে খেতে হবে। এসব খাবারের ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট শরীরের সজীবতা বজায় রাখে, হজমে সাহায্য করে এবং ত্বক ও চুল ভালো রাখে।

• ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খান প্রতিদিন।

• ব্যালেন্সড ডায়েট মেনে চলুন। মুলা, বিট শালগম ইত্যাদি রুট ভেজিটেবল ডায়েটে রাখুন।

• কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার যেমন চিনি, ময়দা, গম জাতীয় খাবার কম খান।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫