ঢাকা, রবিবার,১৭ ডিসেম্বর ২০১৭

উপসম্পাদকীয়

গণতন্ত্রের পথ দেখাবে কে?

হারুন-আর-রশিদ

১২ নভেম্বর ২০১৬,শনিবার, ১৭:৫৬


হারুন-আর-রশিদ

হারুন-আর-রশিদ

প্রিন্ট

গণতন্ত্রের মূল কাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা উপেক্ষা করে শুধু উন্নয়নের কথা ভেবে আমরা কেবল নতুন প্রকল্পের জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেছি। আমাদের সংবিধানে স্পষ্ট লেখা আছে ‘প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ।’ তারা কি ক্ষমতার মালিক হতে পেরেছে? সংসদে বর্তমানে অর্ধেকের বেশি আসন কি জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি? তাদের ‘নির্বাচিত’ হতে কেন জনগণের ভোটের প্রয়োজন পড়ল না? ৫ জানুয়ারি ২০১৪ জাতীয় নির্বাচনে বৃহত্তম বিরোধী দল বিএনপি ছাড়াও ৫০-এর অধিক দল অংশ নেয়নি। যে দলটি এখন ক্ষমতায় তারা সংবিধানের দোহাই দিয়ে ক্ষমতায় থাকলেও প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণÑ সেই অর্থে বর্তমান সরকার মূলত গণতান্ত্রিক নয়।
২৫ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সের ছাত্র। হানাদার বাহিনীর ক্র্যাকডাউনের পর থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসের ঘটনা স্বচক্ষে দেখা। যুদ্ধের মূল বিষয়টা হলো গণতন্ত্র। বঙ্গবন্ধু তার জীবনে দীর্ঘ সংগ্রাম করে গণতন্ত্র পুনঃউদ্ধার করেন। বিজয় অর্জন করেন ১৯৭০ সালের নির্বাচনে। ভুট্টো-ইয়াহিয়া গংদের ষড়যন্ত্রের কারণে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ক্ষমতায় যেতে পারেননি। সেই সূত্র ধরে মুক্তিযুদ্ধ শুরু। আমরা ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করি। সুতরাং আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের পেছনে ছিল ‘গণতন্ত্র’। মেকি গণতন্ত্র এবং প্রকৃত গণতন্ত্রের মধ্যে যোজন দূরত্ব। ২০১৬ সালে আমরা দু’টি বড় দলের কাউন্সিলরদের সমন্বয়ে এপ্রিল মাসে বিএনপি এবং অক্টোবর মাসে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন দেখলাম। দু’টি দলই তৃণমূল নেতাদের কথা বলে; কিন্তু নেতৃত্বের মূলধারায় দেখা যায়, পরিবারতন্ত্র গঠনের তোড়জোড়ই বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে।
গণতন্ত্রের তৃণমূলে কর্তৃত্ব নেইÑ এককথায় বড় দলের প্রধান ব্যক্তির অঙ্গুলির নির্দেশেই কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সব পদে নেতা নির্বাচন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সদ্যসমাপ্ত ২০তম জাতীয় সম্মেলনে ৮১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের মাত্র ২১ জনের নাম জানিয়ে অবশিষ্ট ৬০ জনের নাম পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়। এতে বোঝা গেল কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়নি। পরে নাম ঘোষণা করা হবে- এর অর্থ, দলের সভাপতির পছন্দনীয় ব্যক্তিদেরই কমিটিতে স্থান দেয়া হয়। বড় দুটো দলের মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চা না থাকায় জাতীয় নির্বাচনে এর প্রতিফলন ঘটছে না। গণতন্ত্রের প্রকৃত রূপ ইউরোপ এবং আমেরিকায় দৃশ্যমান। এ জন্যই উপমহাদেশে যোগ্য নেতা বেরিয়ে আসতে পারে না। ফলে গণতন্ত্র বেহাল রূপধারণ করে। রক্তারক্তি, হানাহানি- অভ্যন্তরীণ কোন্দল চিরচেনা ঘটনায় পরিচিতি লাভ করেছে। একটি কথা বলতে হবে- আওয়ামী লীগের এবারের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যোগ্য ব্যক্তি। একজন পরিশ্রমী মানুষ। সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেয়ার পর তিনি দৌড়ের ওপরই ছিলেন। এ মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার। কাজও করেছেন এবং তার ফলও দেশবাসী কিছুটা হলেও পেয়েছে। বড় দুটো দলের তৃণমূল কর্মীদের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে যদি সব জেলা-উপজেলা থানাপর্যায়ে এবং সর্বশেষে কেন্দ্রীয়পর্যায়ে কমিটি গঠিত হয় তাহলে বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের আসল চিত্রটা দেখতে পেত। কৃত্রিম বা মেকি এবং পরিবারকেন্দ্রিক গণতন্ত্রে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটে না। কেন্দ্রীয়ভাবে রুট লেভেল থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে পরিশ্রমী নেতাদের বাছাই করে নেতৃত্বে আসন দিলে দেশের চেহারার পরিবর্তন করতে ৪৫ বছর লাগে না। ১০ বছরই দেশের আমূল পরিবর্তন সম্ভব। মালয়েশিয়ার মাহাথির মোহাম্মদ বলেছিলেন- আমার ১০ জন মানুষ দরকার যারা সৎ ও কর্মনিষ্ঠ। তিনি এই ১০ জন লোক বাছাই করে নিতে পেরেছিলেন বলেই ২০ বছরে মালয়েশিয়ার মাথাপিছু আয় ২৭ হাজার ইউএস ডলারে উন্নীত করতে পেরেছিলেন। দারিদ্র্য শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিলেন। ইদানীং গণতন্ত্রের ছদ্মবেশে কোনো কোনো রাষ্ট্রে স্বৈরাচারী শাসন প্রবর্তন হয়েছে। আওয়ামী লীগের মতো ঐতিহ্যসম্পন্ন পার্টির ২০তম জাতীয় সম্মেলনের মতো এত ব্যয়বহুল বর্ণিল সম্মেলন অতীতে কখনো হয়নি। মনে হচ্ছিল, রাষ্ট্রের ও জনগণের সেবকরা দলের সেবক হয়ে কাজ করছে। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আপার লেভেলের কর্মকর্তাদের আচরণে মনে হচ্ছিল- তারা বড় আওয়ামী লীগার। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সব দলের সমান অধিকার। যতগুলো রাজনৈতিক দল আছে, সবারই সমান অধিকার পাওয়ার সুযোগ থাকা বাঞ্ছনীয়। এটি গণতন্ত্রের মূল বৈশিষ্ট্য। শাসকদল যেভাবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দুই দিনব্যাপী অত্যন্ত নিরাপদ বেষ্টনীতে বর্ণিল সাজে জাতীয় কাউন্সিল সমাপ্ত করেছে, সেভাবে সবচেয়ে বড় বিরোধী দল বিএনপি সরকার থেকে সুযোগ পায়নি। অতীতে বর্তমান সরকার বিএনপিকে উন্মুক্ত স্থানে সভা-সমাবেশ করতে অনুমতি দেয়নি। কখনো দিলেও তা ছত্রভঙ্গ করে দেয়। নাশকতা সৃষ্টির ভৌতিক অভিযোগ উত্থাপন করে। শাসক দলের জন্য নিরাপত্তা থাকবে অন্যদের ক্ষেত্রে ভীতিজনক পরিস্থিতির ধুয়া তুলে সভা-সমিতি থেকে বঞ্চিত করা গণতন্ত্রের কোন ধারা উপধারায় এমন কথা লেখা আছে? কিন্তু দেশের রাজনীতিতে সেটিই দুই যুগ ধরে চলছে। যে ক্ষমতায় যায় সেই বিরোধী দলকে শাসায়। রিমান্ড, হাজত, ক্রসফায়ার, মামলা-হামলা ও গুম এসব দিয়ে বিরোধী দলকে বাকশক্তিহীন করা হয়। বাংলাদেশে গণতন্ত্রায়নের সমস্যাটা ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু। ৬৮ বছর পরও তার সুরাহা ঘটেনি। গণতন্ত্রের অবস্থা এ রকম ‘সালিস মানি; তালগাছটা আমার।’ কথিত গণতন্ত্রের যে চরিত্রটা দেখছি সেখানে জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে স্থানীয়পর্যায়ের নির্বাচনে খুনের সেঞ্চুরি হয়। আহতের সংখ্যা কয়েক হাজার। গণতান্ত্রিক বিশ্বে গণতন্ত্রের এমন কাহিল দশা খুবই বিরল ঘটনা। গণতন্ত্রের চলমান বেহাল দশা থেকে জনগণ এবং রাষ্ট্র পরিত্রাণ চায়। গণতন্ত্র শুধু জাতীয় নির্বাচন নয়, ব্যক্তি ও দল এবং সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে এর অবাধ চর্চা প্রয়োজন। সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচনের জন্য সর্বক্ষেত্রে সার্চ কমিটি বিশেষ করে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য সব দলের মতামত নিয়ে কমিটি গঠন করতে হবে। শাসক দলের নিজের সিদ্ধান্তে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো সাজালে সেটি অবশ্যই বিতর্কিত হবে। গণতন্ত্র সবার। তাই সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এর রূপরেখা বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। দলের মধ্যে গণতন্ত্র না থাকলে জাতীয় নির্বাচনে গণতন্ত্র থাকবে না। বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষা নির্বাচন দেন ক্ষমতায় আমরাই যাব। অন্য দিকে প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে ঘোষণা দিয়েছেন- ২০১৯ সালে আরেকবার আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে হবে উন্নয়নের ধারা বজায় রাখার জন্য। এভাবে কখনো গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া সম্ভব হবে না।
এবার একজন শাসকের কথা বলব- তিনি জীবিত আছেন। তার নাম হোসে মুজিকা। উরুগুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট। তিনি খ্যাতি অর্জন করেছেন। পৃথিবীর সবচেয়ে দরিদ্র প্রেসিডেন্ট হিসেবে। সুশাসক হিসেবে দেশের মানুষের কাছে পরিচিত। মাসে বেতন পেতেন ১২ হাজার ৫০০ ডলার, যার বেশির ভাগই তিনি দান করে দিতেন। সর্বদাই তার মুখে মুচকি হাসি। প্রাণ খুলে সবার সাথে হাসেন। টিনের চালের ছোট একটি শোবার ঘরÑ পাশে একটি রান্নাঘর ও জীর্ণ এক খামারবাড়িতে থাকেন। পুরো জীবনটা উৎসর্গ করে দিয়েছেন মানুষের কল্যাণে। প্রথম জীবনে বেকারির ডেলিভারি বয় ও ফুল বিক্রেতাÑ এভাবে তার সংসার চলত। পাঁচ বছর বয়সে বাবাকে হারিয়ে চরম দারিদ্র্যের মুখোমুখি হতে হয় তাকে। পাঁচ বছর উরুগুয়ের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। যা বেতন পেতেন তার মধ্যে এক হাজার ২৫০ ডলার রেখে বাকি টাকা দুস্থদের বিলিয়ে দিতেন। টিভি চ্যানেলকে মুজিকা বলেছিলেন, এই টাকায় বেশ ভালো আছি। তার নামে কোনো ঋণ নেই। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। নিজেকে তিনি পরিচয় দেন একজন কৃষক হিসেবে। ২০১০ সালে আয়কর বিবরণীতে দেখা গেছে, বার্ষিক আয় এক হাজার ৮০০ ডলার, যা কি না তার ২৮ বছরের পুরনো গাড়ির দাম। প্রেসিডেন্ট থাকাকালে নির্ধারিত সরকারি বাড়ি-গাড়ি কোনোটাই ব্যবহার করেননি। রাজধানী মন্টিভিডিওর পাশে স্ত্রীর মালিকানাধীন ভাঙা এক খামার বাড়িতে থাকেন তিনি। ১৪ বছর জেলে বন্দিজীবন কাটিয়েছেন। মানুষের কথা বলতে গিয়ে জেলজীবনে এক বছর গোসল করতে পারেননি। সবচেয়ে গরিব প্রেসিডেন্ট গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতায় এসেছিলেন মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে। এ ধরনের নেতা বাংলাদেশে আশা করা যায় কি? যারা এখন রাজনীতি নিয়ে তামাশা করেন- তাদের অতীত ও বর্তমান জীবনবৃত্তান্ত কি হোসে মুজিকার সাথে একটুও মিলে? এ কারণে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের দারুণ খরা চলছে। নেপালেও একজন নেতা খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। তার সম্পত্তির মধ্যে পাওয়া গিয়েছিল দুটো পুরনো মোবাইল সেট। তা-ও পার্টি অফিস থেকে দেয়া।
১৯৬৩ থেকে ৯ বছর ধরে ভিয়েতনামে বি ৫২ বোমারু বিমানের শতাধিকের ওপর কাফেলা যে হামলা চালিয়েছিল তাতে যে ক্ষতি হয়েছে- তার তুলনায় বাংলাদেশের ক্ষতি কমই বলতে হবে। হোচিমিনের বর্তমান ভিয়েতনাম আর বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার দিকে তাকালে অবশ্যই কিছু পার্থক্য দৃশ্যমান হবে। এখন ভিয়েতনাম একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র। আমার প্রতিবেশী ১০ বছর ভিয়েতনামে তাদের গার্মেন্ট সেক্টরে উচ্চপদে কর্মরত ছিলেন। পরিবার নিয়েই তিনি সেই দেশে থেকেছেন। তিনি বলেছেন- একটি পরিবেশবান্ধব রাষ্ট্র বলতে গেলে প্রথমেই এশিয়া মহাদেশের যুদ্ধবিধ্বস্ত ভিয়েতনাম রাষ্ট্রকে বোঝায়। সাইকেল ও স্কুটার অত্যন্ত পরিবেশবান্ধব। স্বল্পসময়ে স্বল্পখরচে এই যানবাহন বেশির ভাগ মানুষ ব্যবহার করে। এ কারণে রাজধানী হ্যানয়ে দূষণ নেই বললেই চলে। ভিয়েতনামের অর্থনীতি জাপানের সমপর্যায় চলে যেতে বেশি দিন লাগবে না। দেশটিতে সন্ত্রাস নেই। যে যার কাজ নিয়ে ব্যস্ত। দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে ভিয়েতনাম। তারা চীন ও জাপানের মতো পরিশ্রমী। শিক্ষার গুণগতমান দেখার মতো। ৯ কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত ভিয়েতনামের উন্নয়ন দেখে অবাক হতে হয়। তাদের রফতানি আয় প্রায় ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভিয়েতনামে ক্ষুদ্র, মধ্যম ও ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। কোনো যানজট নেই হ্যানয় শহরে। রাস্তায় আমাদের মতো এত ট্রাফিক পুলিশ নেই। নিয়মের আবর্তে চলছে একসময়ের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ভিয়েতনাম। কঠোর মূল্য নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সাথে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ। খাওয়া-দাওয়া বাংলাদেশের মতোই- কিন্তু অপচয় করে না। রাজনীতি চলে পার্লামেন্টের অভ্যন্তরে। পুরো দেশটি চলছে নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে। বড় দলগুলো উদার মন নিয়ে একমাত্র বাংলাদেশকে লক্ষ্য স্থির করে গণতান্ত্রিক ধাঁচে দেশ পরিচালনা করলে বিশাল জনগোষ্ঠীর দেশটি তার হারিয়ে যাওয়া পথটি খুঁজে পাবে। 

লেখক : গবেষক ও কলামিস্ট
E-Mail : harunrashidar@gmail.com

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫