২৬ এপ্রিল ২০১৯

সবাইকে খেপাচ্ছেন ট্রাম্প

-

কাকে বাদ রাখছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প? বিশ্বস্ত সহকর্মী থেকে ঘনিষ্ঠ মিত্রÑ সবাইকে চটিয়ে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বলা হয়ে থাকে, মৃত্যু শত্রু-মিত্র সবাইকে এক সারিতে এনে দেয়। কিন্তু ম্যাককেইনের মৃত্যুতে বরং বিভাজন আরেক দফা বেড়ে গেল যুক্তরাষ্ট্রে। পরিণতিতে ব্যক্তিগতভাবে তিনি যেমন নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছেন, একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রও মিত্র হারাচ্ছে। এর শেষ কবে বা কিভাবে হবে কেউ কি জানে?
একসময়ের প্রতিদ্বন্দ্বী সিনেটর জন ম্যাককেইনের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ডেমোক্র্যাট দলীয় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও রিপাবলিকান দলীয় জর্জ ডব্লিউ বুশ এতে হাজির না হওয়ায় ট্রাম্পকে তিরস্কার করেন।
শনিবার ম্যাককেইনকে চিরবিদায় জানাতে গিয়ে তার প্রশংসা করেন সাবেক এ দুই মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সিনেটর ম্যাককেইন ব্রেন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২৫ আগস্ট মারা যান। তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে দেশটির প্রভাবশালী রাজনীতিবিদেরা উপস্থিত ছিলেন; কিন্তু শেষকৃত্যে উপস্থিত না থাকায় ট্রাম্পের সমালোচনা করেন সাবেক এ দুই প্রেসিডেন্টসহ ম্যাককেইনের মেয়ে মেগান ম্যাককেইন।
তার একান্ত ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও চলছে নানা গুঞ্জন। তাকে ইমপিচমেন্ট করা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও একের পর এক বিতর্ক সৃষ্টি করে চলেছেন ট্রাম্প। এবার মুক্ত বিশ্বের ধারক-বাহক হিসেবে পরিচিত দেশটিকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) থেকে প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করছে না বলে অভিযোগ করেছেন ট্রাম্প।
ব্লুমবার্গকে দেয়া এক সাাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তারা যদি কাজের ধারা পরিবর্তন না করে তাহলে আমি ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন থেকে নাম প্রত্যাহার করব।
বিশ্ব-বাণিজ্যের েেত্র আন্তর্জাতিক নিয়ম নির্ধারণ করা ও সেসব নিয়মের বিষয় বিভিন্ন দেশের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্বের সমাধান করার উদ্দেশ্যেই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা গঠন করা হয়েছিল। তবে ট্রাম্পের দাবি-বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার যুক্তরাষ্ট্র।
ট্রাম্পের বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা থেকে প্রত্যাহারের হুমকির পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাণিজ্য নীতি আর বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মুক্তবাজার নীতির মধ্যকার আদর্শিক দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এলো।
যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা হস্তপে করছে এমন অভিযোগও তুলেছেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রবার্ট লাইথিজার। অপর দিকে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে থেকেই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নীতির সমালোচনা করে আসছেন ট্রাম্প।
চলতি বছরের শুরুর দিকে ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমাদের ছাড়া আর সবাইকে সুবিধা দেয়ার জন্য গঠন করা হয়েছিল বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা। সংস্থার প্রায় সব আইনি সিদ্ধান্তের েেত্রই দেখা যায় আমরা তিগ্রস্ত হচ্ছি। গত কয়েক মাসে অন্যান্য দেশের সাথে বাণিজ্যবিষয়ক নীতিনির্ধারণের েেত্র বেশ কঠোর অবস্থান নিতে দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রকে।
তবে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বাণিজ্যযুদ্ধ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন তুলেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুটি অর্থনৈতিক শক্তি বিশ্ববাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একে অপরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন দেশ থেকে আমাদানি হওয়া অনেক পণ্যের ওপর শুল্ক ধার্য করেছেন ট্রাম্প।
মার্কিন সিদ্ধান্তের জবাবে চীনা পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ধার্য করা শুল্কের সমান অর্থমূল্যের শুল্ক চীনও আরোপ করেছে তাদের দেশে আমদানি করা মার্কিন পণ্যের ওপর। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অভিযোগও করেছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায়।
চীনের বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম ভঙ্গ করছে, এমন আশঙ্কা করছেন তারা। বিরোধ নিষ্পত্তি করার জন্য সংস্থার যে বিভাগটি নিয়োজিত আছে, ওই বিভাগের নতুন বিচারক নির্বাচন স্থগিত করে রেখেছে ওয়াশিংটন।
এ অবস্থায় সংস্থার সদস্যদের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির েেত্র কার্যত কোনো ভূমিকা পালন করতে পারবে না সংস্থা।
প্রথম দফায় চীনা পণ্যের ওপর ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তের পর জুলাইয়ে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার কাছে প্রাথমিক অভিযোগ করে চীন।

ভারতের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আসছে
যে ভারত সাম্প্রতিক কালে খুবই ঘনিষ্ঠ হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের, সেই ভারত এবার মার্কিন কোপানলে পড়তে যাচ্ছে ট্রাম্পের কারণে। রাশিয়ার কাছে থেকে ভারত যদি সামরিক অস্ত্র ও প্রতিরাব্যবস্থা ক্রয় করে তাহলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে আসতে পারে দেশটি। পেন্টাগনের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা ভারতের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের এই ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, রুশ অস্ত্র কিনলে ভারত যে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসবে না তার নিশ্চয়তা দেয়া যায় না। বুধবার এক প্রশ্নের জবাবে পেন্টাগনের এশিয়া অঞ্চলবিষয়ক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা র‌্যান্ডাল শ্রিভার বলেন, ভারতের সাথে সু-সম্পর্ক রা করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে যদি অস্ত্র ক্রয় করে তাহলে এই সম্পর্কে ফাটল ধরতে পারে। ক্রিমিয়ার ইউক্রেন উপদ্বীপ দখলে নেয়ার জেরে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এর ফলে রাশিয়ার সাথে যদি কোনো দেশ প্রতিরা অথবা গোয়েন্দা কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়ে তাহলে সেই দেশও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসবে।
শ্রিভার বলেন, আমি এখানে বসে আপনাকে বলতে পারছি না যে, ভারত এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেখবেন যে রাশিয়ার কাছে থেকে ভারত বৃহৎ একটি প্ল্যাটফর্ম এবং সামরিক সমতা বাড়ানোর কাজ করছে, তখনই এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট সিদ্ধান্ত নেবেন।
এ দিকে, ভারতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পে দৃঢ় অবস্থান রয়েছে মার্কিন প্রতিরামন্ত্রী জেমস ম্যাটিসের। তবে শ্রিভার বলেছেন, এ নিষেধাজ্ঞা আরোপের এখতিয়ার প্রেসিডেন্টের হাতে রয়েছে; তবে তিনি চাইলেই এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরোপিত হবে না।
দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক পেণাস্ত্র প্রতিরা ব্যবস্থা এস-৪০০ কেনার চূড়ান্তপর্যায়ে রয়েছে ভারত। রাশিয়ার কাছে থেকে এই প্রতিরাব্যবস্থা কেনার ল্েয ইতোমধ্যে দুই দেশের মধ্যে ছয় বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি স্বারের অপোয় রয়েছে। চলতি বছরের শেষের দিকে এ চুক্তি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। হ


আরো সংবাদ

জাতিসঙ্ঘ প্রতিনিধি দলের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন উন্নয়নের সুফল যেন দুর্নীতির নালা দিয়ে ভেসে না যায় : ইনু রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসঙ্ঘ দায়িত্ব এড়াতে পারে না : বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে ঢাকায় বিএনপির বিক্ষোভ জীবননগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক পরিবারের ৫ জন হতাহত কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত নড়াইলে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা বগুড়া জেলা বিএনপি অফিসে তালা, বিক্ষোভ গণফোরামের বিশেষ কাউন্সিলে মোকাব্বির খান মহেশপুরে নেশাগ্রস্ত যুবকের হাতে মা ও নানী খুন পাকিস্তানে বিমান হামলা : এবার নতুন কথা ভারতীয় বিমান বাহিনীর

সকল




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat