২১ এপ্রিল ২০১৯

প্রবাসে খালিস্তান আন্দোলন উদ্বেগে ভারত

-

শিখদের জন্য স্বাধীন খালিস্তান রাষ্ট্রের দাবি এখন নতুন রূপ নিয়েছে। ভারতের ভেতরে সশস্ত্র আন্দোলনের তীব্রতা না থাকলেও বিদেশে খালিস্তান আন্দোলন বেশ জোরেশোরে চলছে। বিশেষ করে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শিখ সম্প্রদায়ের বিরাট অংশ মনে করে শিখদের জন্য একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের গুরুত্ব এখনো রয়েছে। খালিস্তান আন্দোলনের সমর্থনে একটি সমাবেশ নিয়ে ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে চলছে অস্বস্তি। ১২ অগস্ট লন্ডনের ট্রাফালগার স্কোয়ারে খালিস্তানিরা একটি বড় আকারের সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে। ভারতের তরফে বারবার ওই সমাবেশ নিষিদ্ধ করার জন্য ব্রিটেনের কাছে অনুরোধ জানানো হলেও, ভারতের ডাকে সাড়া দেয়নি ব্রিটেন। লন্ডনের একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ভারতের সমাবেশ বাতিলের এই অনুরোধ অগ্রহণযোগ্য মনে করছে ব্রিটেন।
পাঞ্জাবের ‘স্বাধীনতা’ চেয়ে ‘শিখ ফর জাস্টিস’ (এসএফজে) নামের একটি সংগঠন ১২ তারিখ প্রতীকী গণভোট করতে চলেছে। সেই সাথে সভাও করবে তারা। সে জন্য শুধু ব্রিটেন নয় আমেরিকা ও কানাডা থেকেও বিপুলসংখ্যক শিখ ধর্মাবলম্বী মানুষ এই সমাবেশে যোগ দেবেন।
ভারতের তরফে এ নিয়ে দুইবার ডিমার্শে দেয়া হয়েছে। দিন কয়েক আগে ভারতের বিদেশপ্রতিমন্ত্রী বিজয়কুমার সিংহ বলেন, ‘বিদেশমন্ত্রী এবং লন্ডনে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন আলাদাভাবে ব্রিটিশ সরকারকে নোট ভারবাল পাঠিয়েছে। অনুরোধ করা হয়েছে, এ ধরনের জমায়েতে যেন অনুমতি না দেয়া হয়।’ তবে লন্ডন কী উত্তর দিয়েছে, তা জানাননি মন্ত্রী।
এখনো সমাবেশ নিষিদ্ধ হয়নি বরং জোরদার প্রস্তুতি চলছে। এসএফজে সমাবেশের পক্ষে ভারত সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা বিবরণ দিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালাচ্ছে। পাল্টা ভারতও চাইছে খালিস্তানি আন্দোলনকারীদের দমিয়ে রাখতে। কিন্তু খালিস্তান-পন্থীদের ভারত সন্ত্রাসী তকমা দেয়ার চেষ্টা করলেও কানাডা সরকার ভারতের এমন নীতির ঘোরবিরোধী। এ নিয়ে দুই দেশের তিক্ততা স্পষ্ট হয়ে যায় ফেব্রুয়ারিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর ভারত সফরে। নরেন্দ্র মোদি কেন তাকে প্রাথমিকভাবে উপো করেছিলেন, সেই প্রশ্নও তোলে কানাডা। পরে ট্রুডোকে জড়িয়ে ধরেও বরফ গলাতে পারেননি মোদি।
কানাডার শিখ সংগঠন স্পষ্ট বার্তা দেয়, ‘কানাডার শিখদের ভারত বদনাম করতে চাইছে।’ এবার লন্ডন থেকেও তেমনই চ্যালেঞ্জ উঠে আসতে পারে বলে অনুমান নয়াদিল্লির।
ভারতের অভিযোগ, লন্ডনের সমাবেশের আয়োজন করেছে পরমজিৎ সিংহ পম্মা নামে এক খালিস্তানপন্থী নেতা। এই নেতা ২০১০-এ পঞ্জাবের পাতিয়ালা এবং অম্বালায় জোড়া বিস্ফোরণ মামলায় ‘ওয়ান্টেড’ আসামি। লন্ডনের শিখ নেতারা দাবি করছেন শিখদের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের এই আন্দোলনে ট্রাফালগারে লন্ডন ও শহরতলি থেকে ১০ হাজারেরও বেশি শিখের জমায়েত হবে। হ

 


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle gebze evden eve nakliyat