১৪ অক্টোবর ২০১৯

দুই গোয়েন্দার অভিযান অভিযান

-

তিন.
শোয়ার ঘরে ফিরে গেল রেজা।
এখনো ক্যামেরা নিয়ে খুটুরখাটুর করেই চলেছে সুজা। রেজাকে দেখে মুখ তুলল, ‘কি, মাথা ঠাণ্ডা হলো?’
জবাব দিলো না রেজা। মনি চাচী আর গেদু চাচার কথাগুলো মাথার মধ্যে জট পাকিয়ে দিচ্ছে।
রেজার মুখের দিকে দীর্ঘ একটা মুহূর্ত তাকিয়ে থেকে ক্যামেরাটা হাত থেকে নামিয়ে রাখল সুজা। ‘কী হলো? জবাব দিচ্ছিস না কেন?’
দরজাটা লাগিয়ে ছিটকানি তুলে দিলো রেজা। সুজার বিছানায় গিয়ে বসল। উসখুস করে শেষে বলেই ফেলল, ‘একটা কথা।’
‘কি?’
‘বলব কি না বুঝতে পারছি না।’
‘অত ভণিতা করছো কেন?’
‘পাগল ভাববি না তো?’
তীক্ষè হয়ে উঠল সুজার দৃষ্টি। ‘কী করেছিস, বল তো?’
‘কিছু করিনি। আমার মাথায় একটা কথা ঘুরছে। ভাবনাটা তুই-ই ঢুকিয়েছিস আমার মগজে।’
চুপ করে থেকে রেজার দিকে তাকিয়ে অপেক্ষা করতে লাগল সুজা।
‘তুই বলেছিলি না, তোর ক্যামেরা দিয়ে রেকর্ড করা ছবি ক্যামেরাতেই দেখা যায়, টেলিভিশন-ভিসিআর ছাড়াই?’ গলা কাঁপছে রেজার।
সুজার চোখে সন্দেহ মিশ্রিত আগ্রহ। মুরগির মতো ঘাড় কাত করে তাকাল। ‘হ্যাঁ, যায়। তাতে কী?’
‘আছে। পরে বলব। আগে ছবি দেখা।’
‘ক্যামেরার মেমোরিতেই রেকর্ড করা আছে,’ বলল সুজা। এতক্ষণে সত্যিই আগ্রহী মনে হচ্ছে ওকে। বোতাম টিপে রেজার হাতে দিয়ে বলল, ‘ভিউ ফাইন্ডার দিয়ে দেখ। ... আরে বোকা, বাঁ চোখ বন্ধ করে ডান চোখ দিয়ে তাকা!’ (চলবে)

 


আরো সংবাদ




astropay bozdurmak istiyorum