২৭ মে ২০১৯
কে কী কেন কিভাবে

লোদি গার্ডেন্স

-


আজ তোমরা জানবে লোদি গার্ডেন্স সম্পর্কে । স্মৃতিসৌধ, গাছপালা, ফুল, পাখি সব কিছু মিলে উদ্যানটি দিল্লিবাসীর কাছে আকর্ষণীয়। লিখেছেন মুহাম্মদ রোকনুদ্দৌলাহ্
লোদি গার্ডেন্স কী? একটি বিখ্যাত উদ্যান। এটি গড়ে ওঠে সৈয়দ ও লোদি রাজবংশের ভারত শাসনের যুগে, মোগল শাসনের আগে। এর অবস্থান দিল্লিতে। আয়তন প্রায় ৯০ একর। বাগান ও স্থাপনার অপূর্ব সমন্বয় এটি।
১৫ ও ১৬ শতকের উদ্যানটি বেশ রক্ষণাবেক্ষণকৃত। বর্তমানে এটি আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া সংরক্ষণ করছে। উদ্যান পরিদর্শনে পর্যটকের মনে হতে পারে, তিনি যেন ১৫ শতকের মুসলমান-শাসিত ভারতে পৌঁছে গেছেন; মোগল নয়, দিল্লির মসনদে সৈয়দ কিংবা লোদি রাজবংশ।
উদ্যানের বৃক্ষশোভিত দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে রয়েছে মোহাম্মদ শাহের সমাধি। ১৪৪৪ সালে এটি নির্মাণ করেন আলা-উদ্-দীন আলম শাহ (সৈয়দ রাজবংশের শেষ শাসক)। গম্বুজাকৃতি সমাধির নির্মাণশৈলী অপূর্ব। এখানকার সিকান্দার লোদির সমাধিও নজরকাড়ানিয়া। ১৫১৭ সালে এটি নির্মাণ করেন লোদি রাজবংশের শেষ সুলতান ইব্রাহীম লোদী, যিনি ১৫২৬ সালে পানিপথের প্রান্তরে বাবরের কাছে পরাজিত হন। উদ্যানের শিশ গম্বুজ ও বড় গম্বুজও আকর্ষণীয়।
সৈয়দ ও লোদি শাসনের যুগে স্মৃতিসৌধগুলোর চারপাশে দু’টি গ্রাম ছিল। ১৯৩৬ সালে ব্রিটিশ রাজ গ্রাম দু’টি অন্যত্র সরিয়ে দেয়, উদ্যানের উন্নয়ন করে। এ সময় তারা উদ্যানটির নয়া নামকরণ করেÑ লেডি উইলিংডন পার্ক। ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হলে উদ্যানটির নামকরণ করা হয় লোদি গার্ডেন্স।
সমাধি বা স্মৃতিসৌধ, গাছপালা, ফুল, পাখি সব কিছু মিলে উদ্যানটি দিল্লিবাসীর কাছে আকর্ষণীয়। বিদেশী পর্যটকও আসেন। ব্যায়ামের জন্য দৌড়নেঅলা (জগার), স্বাস্থ্য-উদ্ধারপিয়াসী ও প্রাতঃভ্রমণকারীদের প্রিয় স্থান লোদি গার্ডেন্স।
তথ্যসূত্র : ওয়েবসাইট

 


আরো সংবাদ

Instagram Web Viewer
agario agario - agario