film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indirEzhel mp3 indir, Ezhel albüm şarkı indir mobilhttps://guncelmp3indir.com Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০
কে কী---------কেন কিভাবে

ব্ল্যাক ড্রাগন পুল

-

আজ তোমরা জানবে কৃষ্ণ ড্রাগন কুণ্ড (ব্ল্যাক ড্রাগন পুল) সম্পর্কে । উদ্যানের ভূদৃশ্যে কুণ্ডকে ঘিরে আছে প্রাচীন কয়েকটি আকর্ষণীয় স্থাপনা।
প্রাচীন সভ্যতার দেশ চীন অবারিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে অনন্য । এ দেশের য়ুনান প্রদেশের প্রাচীন নগরী লিজিয়াংয়ের কাছে সুন্দর একটি উদ্যান আছে। নগরীর উত্তরে এলিফ্যান্ট পাহাড়ের পাদদেশে এ উদ্যানের অবস্থান।
উদ্যানের নাম জেড ¯িপ্রং। চীনা ভাষায় একে বলে হেইলংতান। এখানকার ব্ল্যাক ড্রাগন পুল (কৃষ্ণ ড্রাগন কুণ্ড) বিখ্যাত। আর এ কুণ্ডের নাম অনুসারেই উদ্যানটি কৃষ্ণ ড্রাগন কুণ্ড নামে সুপরিচিত। প্রায় ৪০ হেক্টর জায়গাজুড়ে রয়েছে কুণ্ডটি। সাধারণত কুণ্ড বলতে বোঝায় প্রাকৃতিক হ্রদ। এ হ্রদে ঝরনাধারাও এসে নামতে পারে।
কৃষ্ণ ড্রাগন কুণ্ড যেন এক পাখির রাজ্য। কত জানা-অজানা পাখি এখানে! আর দৃষ্টি আকর্ষক গাছপালা তো রয়েছেই। উদ্যানের ভূদৃশ্যে কুণ্ডকে ঘিরে আছে প্রাচীন কয়েকটি স্থাপনা। এগুলোর মধ্যে লংশেন মন্দির, দেয়ু প্যাভিলিয়ন, সুওকুই সেতু ও হানয়ু মঞ্চ বিখ্যাত।
উদ্যানে এসে রঙিন শান বাঁধানো পথ বরাবর এগিয়ে গেলেই পৌঁছা যাবে পান্না রঙের পানির ওপর একটি পাথরের সেতুতে। এটিই সুওকুই সেতু। এখান থেকে উত্তরে তাকালে অনুকূল আবহাওয়ার দিনে জেড ড্রাগন স্নো মাউন্টেন (জেড ড্রাগন বরফ পাহাড়) দেখা যায়। এ পাহাড়ের সাদা বরফ আর সাদাটে মেঘ উদ্যানের সম্পদ। দেয়ু প্যাভিলিয়নের অবস্থান কুণ্ডের মাঝে। একই অক্ষ বরাবর রয়েছে হানয়ু মঞ্চ। সদর দরজায় (গেইট) খোদিত আছে বিখ্যাত চীনা কবি গুও মোরুওয়ের দু’টি শ্লোক।
লংশেন মন্দির যেন উদ্যানের কেন্দ্র-মাধুরী। এতে রয়েছে একটি সদর দরজা-ঘর, যার রয়েছে দু’টি বিশেষ অংশ। মন্দিরে আরো রয়েছে একটি বড় হল। লংশেন অর্থ চীনা ভাষায় ড্রাগন দেবতা। আর চীনা পুরাণে একে উল্লেখ করা হয়েছে বৃষ্টির দেবতা হিসেবে। কিং রাজবংশের সময়ে সম্রাট কিয়ানলংয়ের শাসনামলে ১৭৩৭ সালে এ মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়। মন্দিরের নাম লংশেন অনুমোদন পায় কিং রাজবংশের কয়েকজন সম্রাটের মাধ্যমে। এ নামকরণ কৃষ্ণ ড্রাগন কুণ্ডের মর্যাদাও দেয় বাড়িয়ে। মার্চ মাসে স্থানীয়রা উপাসনার জন্য মন্দিরে একত্রিত হয়।
ধারণা করা হয়, এখানকার ঝরনার পানির রোগ নিরাময় ক্ষমতা আছে, বিশেষ করে পেটের অসুখ আর জটিল রোগের।
তথ্যসূত্র : ওয়েবসাইট


আরো সংবাদ

২৫তম স্প্যানে দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর পৌণে ৪ কিলোমিটার অন্য ভাষা শিখতে গিয়ে মাতৃভাষাকে অবহেলা নয় : প্রধানমন্ত্রী মেয়ের ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান কীভাবে নিয়েছেন তার বাবা? রোববার ১ হাজার কোটি টাকা দেবে গ্রামীণফোন প্রেমের ফাঁদে ফেলে তরুণীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে যুবক আটক মাতৃভাষা দিবসে ‘বাংলা ফন্ট’ চালু করল জাতিসংঘ যুব সমাজের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ইউএনডিপির সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু ভারতের মেয়েদের মোরগের লড়াইয়ে মোরগের ‘হাতেই’মৃত্যু হল মালিকের লাখো প্রদীপ প্রজ্জ্বলনে নড়াইলে ২১শে ফেব্রুয়ারি উদযাপন ফুলবাড়ীতে সড়ক প্রশস্তকরণের দাবিতে মানববন্ধন

সকল