১৭ নভেম্বর ২০১৮

দুই গোয়েন্দার অভিযান

-

ছেচল্লিশ.
‘করবেই তো। সে রেস বিশেষজ্ঞ। সম্ভবত, কার ওপর বাজি ধরা উচিত সেটা বুঝতে চায় লোকে। ইডিটারোডের ডগ রেস এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় রেস। বহু টাকার জুয়া চলে। প্রতি বছর বহু লোক ধনী হয়, আবার বহু লোক সর্বস্বান্তও হয়। আমার আর টেডের ওপরও গ্লিটারের লোকে এবার বাজি ধরবে, জানা কথা।’
কথা বলতে বলতে কেবিনে পৌঁছল ওরা। বাক্স নিয়ে ভেতরে ঢুকল। জোসি জিজ্ঞেস করল, ‘আরেকবার প্র্যাকটিস রানে গেলে কেমন হয়? পরিশ্রম না করালে চর্বি জমে যাবে কুকুরের গায়ে, অলস হয়ে পড়বে ওরা।’
‘ভালোই তো হয়,’ সুজা বলল। ‘আমি রাজি।’
রেজা বলল, ‘আমারও কোনো আপত্তি নেই।’
কুকুরের গলায় লাগাম পরাতে জোসিকে সাহায্য করল দুই গোয়েন্দা। নদীতে উঠে গতি বাড়াল কুকুরগুলো। লেজ উঁচু করে দিয়েছে। হাঁ করা চোয়ালের এক কোণ দিয়ে বেরিয়ে পড়েছে লাল জিভ।
‘যাচ্ছি কোথায়?’ রেজার প্রশ্ন।
‘মিঙ্ক রিভারে,’ জোসি জানাল। স্লেজের পেছনের রেইলে দাঁড়িয়েছে সে। বারবার পা নামিয়ে ঠেলা দিচ্ছে স্লেজের গতি বাড়ানোর জন্য। ‘বেশি দূরে না।’
‘কত দূর?’ সুজা জানতে চাইল।
‘এই পাঁচ মাইল। হাস্কির জন্য এটা কোনো দূরত্বই না।’
‘তা তো বুঝতেই পারছি,’ রেজা বলল। ‘ইডিটারোড রেসে ১১০০ মাইল দৌড়াবে যারা, তাদের জন্য পাঁচ মাইল আর কি। ক’টা দল অংশ নিচ্ছে এবার?’
(চলবে)


আরো সংবাদ