১৭ নভেম্বর ২০১৮

তিন জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

-

বরগুনা, সাতক্ষীরা ও কুমিলায় পৃথক বন্দুকযুদ্ধে তিনজন নিহত হয়েছে। বরগুনায় র‌্যাবের সাথে জলদস্যু ও সাতক্ষীরায় পুলিশের হাতে আটকের পর এক মোটরসাইকেল চোর ও কুমিল্লায় র‌্যাব-বিজিবির সাথে বন্দুকযুদ্ধে ২৭ মামলার এক আসামী নিহত হয়েছে।

পাথরঘাটা (বরগুনা) সংবাদদাতা:

বরগুনার পাথরঘাটায় র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে জলদস্যু কাজল বাহিনীর প্রধান নিহত হয়েছে। শনিবার (২৮ জুলাই) ভোর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

বরিশাল র‌্যাব-৮ এর বরাত দিয়ে পাথরঘাটা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মো: খবির আহম্মেদ জানান, পাথরঘাটা সংলগ্ন বলেশ্বরের মাঝের চর এলাকায় রাতে র‌্যাবের বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে কাজল নামে এক জলদস্যু নিহত হয়েছে। এ সময় তিনটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

ওসি আরও জানান, র‌্যাবের পক্ষ থেকে পাথরঘাটা থানায় নিহতের লাশ, অস্ত্র ও গোলাবারুদ্ধ হস্তান্তর করা হবে। নিহত জলদস্যু কাজল বাহিনী প্রধান কাজল বলে জানিয়েছেন। এর বেশি তার সম্পর্কে জানা যায়নি।

সাতক্ষীরায় আটকের পর ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত

সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার আন্ত:জেলা মোটর সাইকেল চোর সিন্ডিকেটের হোতা রেজাউল ইসলাম বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শ্যুটারগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার নূরনগর গ্রামে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

নিহত রেজাউল শ্যামনগর সদর ইউনিয়নের বাদঘাটা গ্রামের মাজেদ সরদারের ছেলে।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল রেজাউলকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে। রেজাউল শ্যামনগর থানা চত্বর থেকে পুলিশের মোটরসাইকেল চুরি মামলা ও শ্যামনগর উপজেলা সদরের আব্দুল্লাহেল বাকী অপহরণ মামলার প্রধান আসামি। গত তিন মাস যাবত সে রাজধানীতে আত্মগোপনে ছিল।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: ইলিয়াস হোসেন জানান, ঢাকা থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল রেজাউলকে আটক করে শ্যামনগর থানায় সোপর্দ করে। তার স্বীকারোক্তি অনুয়ায়ী শুক্রবার দিবাগত রাতে শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর এলাকায় মটর সাইকেল উদ্ধারে যায় পুলিশ।

এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে রেজাউলের বাহিনী গুলি করে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে কয়েক রাউন্ড গুলি করে। দুই পক্ষের গোলাগুলিতে রেজাউল নিহত হন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শ্যুটারগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। তার বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় নয়টি মামলা রয়েছে বলে ওসি জানান। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

কুমিল্লায়‘বন্দুক যুদ্ধে’মাদক কারবারি নিহত

কুমিল্লা সংবাদদাতা

কুমিল্লায় র‌্যাব-বিজিবির সাথে‘বন্দুকযুদ্ধে’২৭ মামলার আসামি সহিদুল ইসলাম ওরফে সবু মিয়া নামে শীর্ষ এক মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে নগরীর কাপ্তানবাজার সংলগ্ন গোমতী বেড়িবাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সবু মিয়া জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার একবালিয়া গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলিসহ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, শুক্রবার রাতে মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে র‌্যাব এবং বিজিবির পৃথক টহল টিম নগরীর কাপ্তানবাজার সংলগ্ন গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় র‌্যাব-বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের ওপর হামলা চালায় মাদক ব্যবসায়ীরা। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাব পাল্টা গুলি ছুড়লে সহিদুল ইসলাম (৪০) আহত হন। পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কুমিল্লাস্থ র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর আতাউর রহমান জানান, সহিদুল ইসলাম সবু একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদকের ২০টিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২৭টি মামলা রয়েছে।

 

 


আরো সংবাদ