১৬ নভেম্বর ২০১৮

স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে দুলাভাইয়ের সাথে তরুণী, অতঃপর

স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে দুলাভাইয়ের সাথে তরুণী, অতঃপর - ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মগবাজারে একটি আবাসিক হোটেল থেকে বৃষ্টি আক্তার (১৬) নামের এক গার্মেন্ট কর্মীর লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
হাসপাতাল সুত্র জানায়, সোমবার বেলা ১২টার দিকে মগবাজার আবাসিক হোটেল বৈকালীর চার তলার ৪০৭ নম্বর কক্ষ থেকে গলায় লাশটি উদ্ধার হরে। পরে ময়না তদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে পাঠায়।
রমনা থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) দীপংকর চন্দ্র দাস জানান, সকালে বৈকালী হোটেল ম্যানেজার নোমান সিদ্দিকের মাধ্যমে খবর পেয়ে চার তলার ৪০৭ নম্বর কক্ষ থেকে বিছানার উপর থেকে বৃষ্টির লাশটি উদ্ধার করা হয়।

হোটেলে কর্তৃপক্ষ থেকে জানা যায়, রিয়াজ ও প্রিয়া সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্বামী স্ত্রীর মিথ্যা পরিচয় দিয়ে হোটেলে উঠেন। এক ঘন্টা পর স্বামী ফিরে এসে দেখেন, বৃষ্টি সিলিং ফ্যানের সাথে উড়না দিয়ে ঝুলে আছেন। তিনি নিজেই উড়না কেটে নামিয়ে মাথায় পানি ঢালেন। পরে মৃত অবস্থায় রেখে পালিয়ে যান।

এসআই আরো জানায়, মৃত বৃষ্টি গোপালগঞ্জ জেলার মোকসেদপুর উপজেলার আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। বর্তমানে মহাখালী সাততলা বস্তিতে পরিবারের সাথে ভাড়া থাকতেন। এবং স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। সকালে গার্মেন্টে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। রিয়াজ নামে যাকে স্বামী পরিচয় দিয়েছেন তিনি রিয়াজ নন, তার আপন দুলাভাই সুমন (২৮)। তিনি এখনো পলাতক আছেন।

এসআই দীপংকর জানান, মৃত বৃষ্টির গলায় অর্ধ চন্দ্রকৃতির দাগ আছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

যুবকের লাশ
রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোডে বাসের ধাক্কায় অজ্ঞাত (২৫) নামের এক যুবক মারা গেছে। তার বয়স আনুমানিক ২৫ বছর। তার পরিচয় জানা যায়নি।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

খিলক্ষেত থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মোফাখারুল ইসলাম জানান, বিশ্বরোড ফ্লাইওভার ঢালে রাস্তা দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় যাত্রীবাহি সুপ্রভাত পরিবহনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
তিনি আরো জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি। তার পরনে রয়েছে আকাশি রংয়ের গেঞ্জি ও নীল জিন্স প্যান্ট।

নান্দাইলে ছুরিকাঘাতে কৃষক নিহত
ময়মনসিংহ অফিস ও নান্দাইল সংবাদদাতা
ময়মনসিংহের নান্দাইলে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে আব্দুল হালিম (৪০) নামে এক কৃষক নিহত ও সাতজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। নিহত হালিমের বাড়ি নান্দাইল উপজেলার শিমুলতলা গ্রামে।

নান্দাইল থানার ওসি কামরুল ইসলাম মিয়া বলেন, রোববার বিকেলে নান্দাইল উপজেলা গাংগাইল ইউনিয়নের কান্দিউরা গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আব্দুল হাকিমের গরু প্রতিবেশী হাফিজ উদ্দিনের ধানের বীজতলা নষ্ট করলে গরুটি আটক করেন হাফিজউদ্দিন। পরে আব্দুল হাকিম গরুটি নিয়ে যান। সোমবার সকালে হাফিজ উদ্দিনসহ কয়েকজন আব্দুল হাকিমের বাড়ি গিয়ে এ নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে হাফিজ উদ্দিন তার সাথে থাকা ছোঁড়া দিয়ে আব্দুল হাকিমের ছোট ভাই আব্দুল হালিমকে বুকে ছুরিকাঘাত করলে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে সাতজন আহত হন।

নান্দাইল মডেল থানার পুলিশের এসআই আবু তালেব বলেন, কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে হাফিজ উদ্দিনের পুত্র হাদিছ মিয়া, খোকন মিয়া, মজিবুর রহমান ও হাদিছ মিয়ার পুত্র স্বপন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে খোরশেদ মিয়া ও তার ছেলে রতন মিয়া কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তিনি জানান, নিহত হালিমের লাশ কিশোরগঞ্জ হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নান্দাইল মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।


আরো সংবাদ