২০ জানুয়ারি ২০২০

বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের একটা বল বানাতে লাগছে আট দিন

ইতিহাসের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে ইডেন গার্ডেন। শুধু ভারতে নয়, এই উপমহাদেশে প্রথমবার দিন-রাতের টেস্ট ম্যাচ হতে চলেছে ক্রিকেটের নন্দনকাননে। আগামী ২২-২৬ নভেম্বর ভারত খেলবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচ ঘিরে দারুণ উন্মাদনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে।

গোটা বিশ্বের এখনও পর্যন্ত ১১টি দিন-রাতের টেস্ট খেলা হয়েছে। সবকটি ম্যাচেই ব্যবহৃত হয়েছে কোকাবুরা গোলাপি বল। কিন্তু ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠেয় প্রথম দিন-রাতের টেস্ট ম্যাচটি খেলা হবে এসজি গোলাপি বলে। আর সেই বল তৈরি হচ্ছে উত্তর প্রদেশের মিরাটে এসজি’র ফ্যাক্টরিতে।

মনে রাখা দরকার, ভারতের মাটিতে এর আগে গোলাপি বলে খেলা হয়নি এমনটা নয়। ২০১৭ সালে দলীপ ট্রফির ফাইনাল ম্যাচটিও দিন-রাতে হয়েছিল। তখন ব্যবহার করা হয়েছিল কোকাবুরা গোলাপি বল। দলীপ ট্রফির ফাইনাল দেখেই ভবিষ্যতে দিন-রাতের টেস্ট খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় বোর্ড । কিন্তু ওই ম্যাচের পর ভারতীয় বোর্ড গোলাপি বলের টেস্ট নিয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলি বোর্ড সভাপতি হয়েই সনাতনি ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির দিকে নজর দেন।

মূলত তার ইচ্ছাতেই বিরাট কোহলিরা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ইডেনে গোলাপি বলে দিন-রাতের টেস্ট খেলতে রাজি হয়েছেন।

দিন-রাতের টেস্টের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে গোলাপি বলের উপর। তাই সবার নজর মিরাটের ফ্যাক্টরিতে। এস জি’র গোলাপি বল অতীতে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে ব্যবহার করা হয়নি। তবে সংস্থার মার্কেটিং ডিরেক্টর পরশ আনন্দ আশাবাদী, তাদের তৈরি গোলাপি বল ভারতের মাটিতে হতে চলা ক্রিকেট বিপ্লবকে অক্সিজেন জোগাবে।

লাল বল ও গোলাপি বলের মধ্যে পার্থক্য কতটা? পরশ জানালেন, ‘দুটো বলের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। সব চেয়ে বড় পার্থক্য রংয়ের। গোলাপি বল অনেক বেশি উজ্জ্বল। ফ্লাড লাইটের আলোয় খেলতে যাতে সমস্যা না হয়, তাই গোলাপি বলের দৃশ্যমানতার দিকেও বিশেষ নজর রাখতে হচ্ছে।’

ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি প্রথম থেকেই এসজি লাল বলের সিম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে এসেছেন। তার দাবি ছিল, দেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজে ডিউক লাল বলে খেলা হোক। যা ব্যবহৃত হয় ইংল্যান্ডে, ওয়েস্ট ইন্ডিজে। কিন্তু প্রত্যেক দেশের ক্রিকেট বোর্ডের আলাদা পরিকল্পনা থাকে। ভারতীয় বোর্ডের সঙ্গে এসজি’র চুক্তি দীর্ঘদিনের। তাই কোহলিদের ডিউক বলের দাবি মানা না হলেও, এসজি’কে বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল সিম আরও ভালো করার জন্য। যাতে পেসাররা সুবিধা পায়। এই প্রসঙ্গে পরশ বলেন, ‘আমরা বোর্ডের বার্তা পেয়েই কাজ শুর করে দিয়েছিলাম। লাল বলের সিম আগের থেকে অনেক ভালো হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে তার সুফল পেয়েছেন উমেশ যাদব, মহম্মদ সামিরা। গোলাপি বলের সিম আরও ভালো। আমার আশা, ইডেনে দিন-রাতের টেস্টে উমেশ যাদব, মহম্মদ সামি বেশি সফল হবে। কারণ, বলের সিম অনেকক্ষণ স্থায়ী হয়। সেক্ষেত্রে যারা বেশি গতিতে বল করতে পারে, তারা সুবিধা পাবেই।’

বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে ছ’ডজন বলের অর্ডার দেয়া হয়েছে এসজি’কে। গোলাপি বলের উৎসব মিরাটের সংস্থার কর্মীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। তবে চ্যালেঞ্জও কম নয় তাঁদের সামনে। একটা গোলাপি বল তৈরি করতে সময় লাগছে আটদিন। পরশ জানালেন, ‘গোলাপি বল তৈরি করা সময়সাপেক্ষ। তবে দিন-রাতের টেস্ট বলে বল নিয়ে অনেক বেশি আগ্রহ ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে।’


আরো সংবাদ

সকল

ফেসবুকে আজহারীর আবেগঘন স্ট্যাটাস (২৪৬৫৮)রাশিয়াকে সিরিয়ান তেলক্ষেত্রে যেতে বাধা মার্কিন সৈন্যদের, উত্তেজনা দুপক্ষেই (১০৩৬৪)ইরান সীমান্তে মার্কিন এফ-৩৫ জঙ্গিবিমান (৬৫৮৫)চীনের বিশাল বিনিয়োগ চুক্তি রাখাইনে (৬২৪১)সোলাইমানি হত্যা নিয়ে ট্রাম্পের নতুন তথ্য (৬০৬২)লিবিয়া নিয়ে জরুরী আলোচনায় এরদোগান-পুতিনসহ বিশ্বনেতারা (৫৪৬৭)ভয়ঙ্কর নারী! আই ড্রপ খাইয়ে অত্যাচারী স্বামীকে খুন (৪৭৯১)১৩৬ কেজি ওজনের সেই আইএস নেতা আটক; বহন করতে লাগলো ট্রাক (৪৫৬৩)এবার যুক্তরাষ্ট্রের টার্গেট যে ইরানি কমান্ডার (৪৪১৬)তামিম-মাহমুদুল্লাহদের নিরাপত্তায় পাকিস্তানের আইন-শৃংখলা বাহিনীর ১০ হাজার সদস্য (৪৪১০)



krunker gebze evden eve nakliyat