film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indirEzhel mp3 indir, Ezhel albüm şarkı indir mobilhttps://guncelmp3indir.com Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

দুর্দান্ত শুরু করেও রাজকোটে কেন হেরে গেল বাংলাদেশ?

টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেই ঐতিহাসিক জয়। আর একটা ম্যাচ জিতলেই ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ পকেটে পুরে ফেলার হাতছানি। তবে রাজকোটে সে সুযোগ হারাল বাংলাদেশ। অথচ সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে দুর্দান্ত শুরু করেছিলেন বাংলাদেশি ওপেনাররা। ঠিক কোন জায়গায় পিছিয়ে গেল তারা? দেখে নেয়া যাক।

ক্রিকেটে ছন্দে থাকার উপর অনেক কিছুই নির্ভর করে। তা সে ব্যক্তিগতই হোক বা দলগত, ছন্দে থাকলে নিজের দিনে অনেক অঘটনই ঘটানো সম্ভব। তবে রাজকোটে সেই ছন্দই যেন দেখা গেল না বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে।

বাংলাদেশের ওপেনার জুটি লিটন দাস ও মহম্মদ নাঈম শুরুটা বেশ ভাল ভাবে করেছিলেন। তবে তার রেশ ধরে রাখতে পারেননি শেষ পর্যন্ত। কোনও উইকেট না খুইয়েই পাওয়ার প্লে-তে লিটন-নইমের ব্যাট থেকে আসে ৫৪ রান। কিন্তু তার উপর বড় রানের ভিত গড়তে ব্যর্থ হন দু’জনেই। অন্তত এক জনকে এখানে থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যাট করতেই হত।

দিল্লিতে খলিল আহমেদের শেষ চার বলে টানা চার হাঁকিয়েছিল বাংলাদেশ। রাজকোটেও খলিলের প্রথম তিন বল থেকে তিনটি চার তুলে নেন নাঈম। তবে সেই দাপট ধরে রাখতে পারেননি তিনি। ৩১ বলে মাত্র ৩৬ রান করেই ফেরেন নইম। তবে নাঈম সবে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু করেছেন। আরও দায়িত্ব নেয়া উচিত ছিল লিটনের।

নাঈমের মতোই দলকে বড় রানের পথে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হন অন্য ওপেনার লিটন দাস। ২১ বলে ২৯ রান করেন তিনি। জীবন ফিরে পেয়েও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন লিটন। যুজবেন্দ্র চহালের গুগলি লেগ সাইডে পাঠাতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফিরে যান তিনি। ফলে শুরুতে চমক দেখালেও তা ধরে রাখতে পারেননি কোনও ওপেনারই।

সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও মহম্মদ সইফুদ্দিনের মতো তারকারা না থাকা সত্ত্বেও মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে প্রথম ম্যাচে জিতেছিল বাংলাদেশ। তবে রাজকোটে প্রথম ম্যাচের মতো জ্বলে উঠতে পারেননি তিনি। এ ম্যাচে মাত্র ৪ রান (৬ বলে) করেন মুশি।

মুশফিকের উপর অতিমাত্রায় নির্ভরতাও বাংলাদেশের হারের একটা বড় কারণ। রাজকোটে দলের অন্য ব্যাটসম্যানেরাও তেমন কিছু করে উঠতে পারেননি।

মুশফিকুর ছাড়াও মাহমুদুল্লাহর দিকেও তাকিয়ে ছিল এই বাংলাদেশ টিম। রাজকোটে শুরুটা ভাল করলেও ২১ বলে ৩০ রান করে ফিরে যান তিনি। মাহমুদুল্লাহর ব্যাট থেকে বড়সড় রান না আসাটাও বাংলাদেশের হারের একটা ফ্যাক্টর।

টি-টোয়েন্টিতে অনেক সময় শেষ কয়েক ওভার বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ডেথ ওভারে চার-ছয়ের বন্যা তো দূরের কথা, ১৮.৩ ওভারে মাহমুদুল্লাহর আউটের পর বাংলাদেশ ইনিংশের শেষ ৯ বলে মাত্র ১১ রান ওঠে। একটাই মাত্র বাউন্ডারি পায় তারা। যা ভারতকে চাপে ফেলার জন্য যথেষ্ট নয়।

ভারতের বিরুদ্ধে যে রানের পুঁজি নিয়ে বল করতে নামে বাংলাদেশ, তাতে দ্রুত উইকেট তুলে নেয়ার কাজ ছিল বোলারদের। তবে রোহিত শর্মা বা শিখর ধওয়নের বিরুদ্ধে সে সুযোগ তৈরি করতে পারেননি মোস্তাফিজরা।

রাজকোটে মোস্তাফিজুর রহমান বা শফিউল ইসলামের ইকনমি রেট ৯.৫৪ ও ১১.৫০। সেই সঙ্গে ভারতের কোনও ব্যাটসম্যানকেই তারা প্যাভিলিয়নে ফেরাতে পারেননি। মোস্তাফিজের কোনও উইকেট না পাওয়ায় এ ম্যাচে সমস্যায় ফেলে বাংলাদেশকে।

দিল্লিতে রোহিত শর্মার ব্যাটকে থামিয়ে দিতে পেরেছিলেন বাংলাদেশিরা। তবে রাজকোটে সে সুযোগ তৈরি করে উঠতে পারেননি তাদের কোনও বোলার। মোস্তাফিজুরের ব্যর্থতার ফলে এমনিতেই চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে রোহিত শর্মাকে সহজেই না ফেরাতে পারাটাও একটা হারের বড় কারণ হয়ে ওঠে।

পেসারদের পাশাপাশি বাংলাদেশের স্পিনাররাও ভেল্কি দেখাতে ব্যর্থ হন। একমাত্র আমিনুল ইসলাম ছাড়া কেউই উইকেট পাননি। ভারতের দুই ওপেনারকেই আমিনুল তুলে নিলেও আফিফ হুসেন ও মোসাদ্দেক হুসেনের বল টলাতে পারেনি কোনও ভারতীয় ব্যাটসম্যানকেই।

ভারতের উপর চাপই সৃষ্টি করতে পারেনি বাংলাদেশ। চাপ সৃষ্টি না করতে পারলে ম্যাচের দখল নিজেদের দিকে আনাটা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। তবে সেই কাজটা করতে পারেনি বাংলাদেশ।


আরো সংবাদ