১৯ আগস্ট ২০১৯

হেসন না মুডি : কে হচ্ছেন ভারতের কোচ?

হেসন না মুডি - ছবি : সংগৃহীত

ভারতীয় দলের হেড কোচের জন্য় রবি শাস্ত্রীসহ ছয়জনের নাম শর্ট-লিস্ট তৈরী করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই। বাকি পাঁচজন হলেন নিউজিল্য়ান্ডের সাবেক মাইক হেসন, টম মুডি, ফিল সিমন্স, লালচাঁদ রাজপুত ও রবিন সিং।এমনটাই রিপোর্ট সংবাদসংস্থা পিটিআই-এর।

মাইক হেসন অতীতে নিউজিল্য়ান্ডের কোচ হিসেবে সফলভাবে কাজ করেছেন। টম মুডি ছিলেন শ্রীলঙ্কার দায়িত্বে। ফিল সিমন্সকে আফগানিস্তান হেড কোচ করে নিয়ে এসেছিল। লালচাঁদ রাজপুত অতীতেও ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে ছিলেন। রবিন সিংকে ফিল্ডিং কোচ হিসেবে দেখা গিয়েছে আগে।

কপিল দেবের নেতৃত্বাধীন বোর্ডের ক্রিকেট অ্যাডভাইসরি কমিটির (সিএসি) কাছে তারা একটি প্রেজেন্টেশন দেবেন। চলতি সপ্তাহের শেষে বা আগামী সপ্তাহের শুরুতে চূড়ান্ত নাম ঘোষণা করে বিসিসিআই। যিনি আগামী দিনে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব সামলাবেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাওয়ার আগে শাস্ত্রীকেই ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে রেখে দেয়ার কথা শুনিয়ে যান তিনি।

বিশ্বকাপের পর বিসিসিআই আরো ৪৫ দিন চুক্তি বাড়িয়েছে টিম ইন্ডিয়ার সাপোর্টিং স্টাফেদের। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ভারতের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর সঙ্গেই ব্য়াটিং কোচ সঞ্জয় বাঙ্গার, বোলিং কোচ ভারত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর রয়েছেন। কিন্তু এরপরেই একদম নতুন ইউনিট দেখা যেতে পারে ভারতীয় দলের সঙ্গে। এমনটাই জোর সম্ভাবনা।
গত ১৬ জুলাই বিসিসিআই বিজ্ঞপ্তি মারফত জানিয়ে দিয়েছিল যে, টিম ইন্ডিয়ার সাপোর্ট স্টাফ নিয়োগ করা হবে। বিরাট কোহলির দলের জন্য় হেড কোচের পাশাপাশি ব্য়াটিং-বোলিং এবং ফিল্ডিং কোচ নেওয়া হবে। এর সঙ্গেই ফিজিওথেরাপিস্ট, স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশানিং কোচ এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ম্য়ানেজারের জন্য়ও আমন্ত্রণ জানিয়েছে বোর্ড।

হেসন আর মুডিই কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন বলেই খবর। সিমন্স আয়ারল্য়ান্ডের পাশাপাশি আফগানদের সঙ্গেও দুরন্ত কাজ করেছেন। ২০১৬ টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ী ক্য়ারিবিয়ান দলের সঙ্গেও কিছু দিন ছিলেন সিমন্স। এরপর আফগানিস্তানের দায়িত্ব নেন তিনি। অন্য়দিকে ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ী এমএস ধোনির ভারতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ ছিলেন রবিন। রাজপুত ছিলেন এই দলের কোচ। হেসন সদ্য়ই আইপিএল টিম কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন। নিউজিল্য়ান্ডের সঙ্গে ছ’বছর ছিলেন। তাঁর কোচিংয়ে ব্ল্য়াক ক্য়াপস ২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল। তারপরের বছর টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যায় নিউজিল্য়ান্ড।

২০১৭ সালে ভারতীয় দলের হেড কোচ পদে নিযুক্ত হন শাস্ত্রী। অনিল কুম্বলের জুতোয় পা গলান তিনি। শাস্ত্রীর কোচিংয়ে ভারত একটিও আইসিসি-র মেজর ইভেন্ট জিততে পারেনি। কিন্তু তাঁর কোচিংয়েই বিরাট অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জিতেছিল।
সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

 


আরো সংবাদ

bedava internet