২১ জুলাই ২০১৯

যে অস্ত্রে আফগানদের হারালো বাংলাদেশ

‘আমাদের পরবর্তী দুটি ম্যাচ ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে যা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ, এখন আমরা সেই ম্যাচ দুটো নিয়েই ভাবছি’, ম্যাচ পরবর্তী সংবর্ধনায় সাকিব আল হাসান পুরস্কার নিতে গিয়ে নির্লিপ্ত ভঙিমায় এই কথাগুলোই বললেন।

আফগানিস্তান বাংলাদেশের চেয়ে অভিজ্ঞতায় পিছিয়ে থাকলেও গেলো ছয় বছরে বাংলাদেশের বিপক্ষে ভালো খেলেছে দলটি। কিন্তু বিশ্বকাপে মঞ্চে মুখোমুখি দুই দেখায় দুটিতেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

চলতি বিশ্বকাপে ভারতকে আফগানিস্তান কঠিন সময় দেয়, অর্থাৎ আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় তুলতে হিমশিম খায় ভারত। এরপর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভক্তদের মধ্যে চাপা শঙ্কা দেখা দেয়। আফগানিস্তানের কাছে হারলেই সেমিফাইনালের সমীকরণ কাগজে কলমে বাংলাদেশের জন্য কঠিন হয়ে যেত।

কিন্তু বাংলাদেশ আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৬২ রানের জয় পেয়েছে। যা এই আসরে বাংলাদেশের তৃতীয় জয়।

তিনটি জয়, তিনটিতেই ম্যাচসেরা সাকিব

লিটন দাস আউট হবার পর মাঠে নামেন সাকিব আল হাসান। তামিম ইকবাল আউট হয়ে গেলেও সাকিব তার অর্ধশতক পূরণ না করে মাঠ ছাড়েননি। ৫১ রান তোলেন, সাকিব।

আফগানিস্তান যখন জয়ের পথে ছিল, অর্থাৎ ১০০ এর ওপর রান তোলে দুই উইকেটে। সাকিব বল হাতে নিয়ে একই ওভারে আফগান অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব ও মোহাম্মদ নবীকে আউট করেন, এটাই ছিল বাংলাদেশের জয়ের টার্নিং পয়েন্ট। সাকিব তার ৫১ রানের পাশাপাশি, ২৯ রানে ৫ উইকেট নেন।

মুশফিকের ৮৩ রান

তামিম ইকবাল আউট হবার পর সাকিব আল হাসানের সাথে ৬১ রানের জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিম। সাকিব আউট হবার পরেও মুশফিকুর রহিম দলকে ২৫০+ সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান। মুশফিকুর রহিম করেন ৮৭ বলে ৮৩ রান। ১৭ রানের জন্য টানা দুটি সেঞ্চুরি মিস করেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। ৬ ম্যাচে ৩২৭ রান তোলেন তিনি এখন পর্যন্ত।

আবারো মাহমুদুল্লাহ-মোসাদ্দেক ক্যামিও

সৌম্য সরকার যখন আউট হয়ে যান তখন ১৫১ রানে চার উইকেট নেই বাংলাদেশের। এরপর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এসে ধীর স্থির হয়ে ব্যাট করেন। ৩৮ বলে তোলেন ২৭ রান। তবে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত খেলার গিয়ার পরিবর্তন করেন। ২৪ বলে ৩৫ রান তোলেন তিনি। দ্রুত স্ট্রাইক রোটেশন ও চারটি চার মারেন এই লোয়ার মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। সূত্র : বিবিসি।


আরো সংবাদ




gebze evden eve nakliyat instagram takipçi hilesi