২৩ মে ২০১৯

২৫ বলে টর্নেডো সেঞ্চুরি!

চারদিকে সমানতালে খেলেছেন জর্জ মানজি - ছবি : সংগৃহীত

১৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি পেরিয়ে গেছেন। ঠিক আছে। কিন্তু ২৫ বলে সেঞ্চুরি হয়ে যায় কিভাবে? কারণ বাকি আটটি বলকেই সর্বোচ্চ কাজে লাগিয়েছেন স্কটল্যান্ডের ব্যাটসম্যান জর্জ মানজি। ফলে ২৫ বলেই সেঞ্চুরি পুরো হয়ে যায় তার। খোলা চোখেও হিসাব করা যাচ্ছে স্ট্রাইক রেট ৪০০।

এত সুন্দর একটা সেঞ্চুরি করার পরও জর্জ মানজির দুঃখ অবশ্য একটা থাকছে। ম্যাচটি আনঅফিসিয়াল হওয়ায় এখনও দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ান হিসেবে গেইলের নামই রেকর্ডে থাকবে। টি-২০ ম্যাচে গেইলের সেঞ্চুরিটি ছিল মাত্র ৩০ বলে। গতকাল সোমবার আইসিসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট আইসিসি ক্রিকেট ডটকম এ তথ্য জানায়।

মানজি অবশ্য সেঞ্চুরি করেই থেমে যাননি। ৩৯ বলে ১৪৭ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ক্রিকেট বিশ্বে নতুন চমক সৃষ্টি করেন তিনি। তার ইনিংসটি ছিল ৫টি চার আর ২০টি ছক্কায় সাজানো।

গ্লুচেস্টারশায়ারের হয়ে বাথ সিসি একাদশের বিপক্ষে এক আনঅফিসিয়াল টি-২০ ম্যাচে খেলতে নেমে মাত্র ১৭ বলে অর্ধশতক পেরিয়ে যান। পরের ৮ বলে পৌঁছে যান শতকে। তার এই টর্নেডো ইনিংসের ওপর ভর করে ম্যাচে নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ৩ উইকেটে ৩২৬ রানের বিশাল পাহাড় গড়ে জর্জ মানজির দল।

জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে বাথ সিসিও খারাপ করেনি। ২১৪ রানে ইনিংস শেষ হয় তাদের। ফলে ১১২ রানের বড় জয় পায় গ্লুচেস্টারশায়ার।

অফিসিয়াল টি-২০ তে সবচেয়ে দ্রুত শতকের রেকর্ড ক্যারিবিয়ান হার্ড হিটার ক্রিস গেইলের। ক্রিস গেইল শতক পূরণ করেছিলেন ৩০ বলে। তার চেয়ে পাঁচ বল কম খেলে শতক পূর্ণ করেছেন জর্জ মানজি।

 

আরো পড়ুন : টি-টেন ম্যাচে প্রথম শতক উইল জ্যাকের
নয়া দিগন্ত অনলাইন, ২৩ মার্চ ২০১৯, ১২:৫৩

মাঝে মাঝে অনেক চেষ্টা করেও কিছু হয় না, আবার মাঝে মাঝে কিছু হয়ে যায় এমনিতেই। এমনটাই মনে করছেন উইল জ্যাক। কারণ সারের হয়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিরুদ্ধে প্রি-সিজন ১০ ওভারের ম্যাচে খেলতে গিয়ে এমন ব্যাটই করেছেন যে, গণমাধ্যমে ইতোমধ্যেই হিরো হয়ে গেছেন তিনি। অথচ বলছেন, এমন কিছু নাকি তার মাথাতেই ছিল না।

দুবাইয়ে সারের পক্ষে ওপেনার হয়ে নেমেছিলেন ২০ বছর বয়সী উইল জ্যাক। শুরু থেকেই শুরু করেন তিনি। এক পর্যায়ে এক ওভারে ছয়টি ছক্কাও মারেন তিনি। এভাবে করতে করতে যখন ৯৮ হয়ে গিয়েছিল, তখনও শতকের কথা ভাবেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের পুরো অর্ধেক বল অর্থাৎ ৩০ বল খেলে ১০৫ রান করেন তিনি। এ রান করতে গিয়ে বলকে মোট ১৯ বার মাঠের বাইরে পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে হাওয়ায় ভেসে মাঠছাড়া হয়েছিল ১১ বার আর মাটি কামড়ে আট বার। এর মধ্যে ল্যাঙ্কাশায়ারের বোলার স্টিফেন প্যারির এক ওভারে ছয় ছক্কায় নেন ৩৭ রান। তার এই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ১০ ওভার শেষে দলের স্কোর গিয়ে দাঁড়ায় তিন উইকেটে ১৭৬-এ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ল্যাঙ্কাশায়ারের ইনিংস শেষ হয় ৯ উইকেট হারিয়ে ৮১-তে। সারের হয়ে বল হাতে নায়ক গ্যারেথ ব্যাটি। ২১ রান দিয়ে চারটি উইকেট নেন তিনি।

জ্যাকের মতো এ গৌরব রয়েছে শুধু একজনেরই। ক্রিস গেইলের। তবে সেটা টি-টুয়েন্টিতে। ২০১৩ আইপিএলে ৩০ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। প্রফেশনাল ক্রিকেটে এটাই দ্রুততম সেঞ্চুরি। তবে গেইলের পাশে আপাতত বসা হচ্ছে না জ্যাকের। কারণ অফিশিয়াল স্ট্যাটাস না পাওয়ায় রেকর্ড বুকে থাকবে না তার এই বিধ্বংসী ইনিংস।

এর আগে ১০ ওভারের খেলায় সর্বোচ্চ স্কোর ছিল অ্যালেক্স হেলসের। গত ডিসেম্বরে তিনি টি-টেন খেলায় ৮৭ রান করেছিলেন।

ইনিংস শেষে জ্যাক বলেন, প্রথম বল থেকেই আমি আমার শটগুলো খেলার চেষ্টা করছিলাম। প্রথম কয়েক ওভারের পর আমি লক্ষ্য ছিল সব বলে ছক্কা হাঁকানোর। চারটি ছক্কার পর আমি ভাবলাম আমি ছ'টি ছক্কাও মারতে পারি।


আরো সংবাদ




agario agario - agario