১৯ আগস্ট ২০১৯

ফেরা হোক কিউই ‘শূন্য’ ঘুচিয়ে

ফেরা হোক কিউই ‘শূন্য’ গুছিয়ে - ছবি : সংগৃহীত

নিউজল্যন্ডে সর্বশেষ সফরগুলোতে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান শূন্য। এই ঝুলিতে রয়েছে জয়হীন ২১ ম্যাচ। এবার কি হবে শূন্য থেকে শুরু? নিউজল্যন্ডের আবহওয়া বাংলাদেশের জন্য একদমই প্রতিকূল। মাত্র বিপিএল শেষ হলো, হুড়মুড় করে এক দিন পরই নিউজল্যান্ড পাড়ি জমালো খেলোয়াড়রা। এমন অবস্থায় যে হিসেব দাঁড়ায়, কিউইদের সাথে সবচেয়ে ভালো পারফর্মারদের নাম বললে প্রথমে আসবে সাকিব আল হাসান। তার অনুপস্থিতি ভয়াবহভাবে ভোগাবে তা অধিনায়ক মাশরাফি আগেই বলেছেন। তার সাথে আরেকটি বড় আঘাত যোগ করেছেন বিপিএলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারধারী তাসকিন আহমেদের চোট। নিউজল্যান্ডে তাসকিনের গতি এবং সুইং দুটিই প্রয়োজন ছিল দলের জন্য।

অধিনায়ক মাশরাফি এরপরও মানতে নারাজ এই অভাবগুলো। জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী দলনেতা। নিউজল্যান্ডের সাথে ভালো করতে হলে অবশ্যই পেসার অ্যাটাক সুরক্ষা রাখতে হবে। বাংলাদেশ দলে যথেষ্ট প্রতিভাবান ও অভিজ্ঞ বোলার রয়েছে। মোস্তাফিজের কথা বলার কিছু নেই, তবে তাকে দিয়েও আপাদত ওয়ানডে এবং টি-২০ খেলানোটা ভালো হবে। কারণ, সামনের মে থেকেই শুরু হবে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর বিশ্বকাপ ক্রিকেট। ওয়ানডে দলে তার কার্টার কাজে লাগাতে পারলে ভালো কিছু আশ করা যায়। রুবেল হোসেন ভালো স্পিড রয়েছে, অভিজ্ঞ সম্পন্ন পেসার, বিপিএলে এবার দারুণ সময় কাটিয়েছেন। বোলিংয়ের প্রধান অস্ত্র নিউজল্যান্ড সফরে। আবু জায়েদ ও খালেদ আহমেদ বিপিএলে নির্বাচকদের নজর কেড়েছেন। টেস্টে অভিষেক হলে দুজনই স্মরণীয় কিছু রেখে যেতে পারে সফরে। দলে রয়েছেন অলরাউন্ডার সাইফুদ্দিন। তার বল-ব্যাট দুটিই বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখবে। এছাড়াও সম্ভাবনাময়ী স্পিনার নাইম হাসান, মেহেদি হাসান মিরাজকে নিয়ে গড়া বাংলাদেশের এই বোলিং অ্যাটাককে নেতৃত্ব দিবেন অধিনায়ক মাশরাফি নিজেই।

ব্যাটিংয়ে ওপেনার তামিম ইকবালের ফর্ম তুঙ্গে রয়েছে। সর্বশেষ বিপিএল এবং জাতীয় দলে পরিসংখ্যানের দিকে তাকালেই তা বুঝা যায়। বিপিএলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেন এবং জাতীয় দলের হয়ে বছরে সবচেয়ে বেশি রান সংগ্রহ করেন তামিম। তার সাথে আরেক ওপেনার সৌম্য রয়েছেন দারুণ অপফর্মে। তার ব্যাটে হাসি ছড়ালে যেকোন দেশের জন্য ভরাডুবির সম্ভাবনা থাকে। ইমরুল কায়েসও ভালো ফর্মে রয়েছে। মি. ডিপেন্ডেবল মুশফিক ভালো ফর্মে রয়েছে। ওয়ানডে টি-২০ ও টেস্ট তিন ফরম্যাটেই তিনি ছন্দে। সাইলেন্ট কিলার প্রস্তুতি ম্যাচে পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরি। সিনিয়রদের সাথে মিথুন, সাব্বির ও মিরাজরা যদি রানে ফিরে তবে একটি হাড্ডাহড্ডি লাড়াই দেখতে পাবে ক্রিকেটপ্রেমীরা।

যদি পরিবেশ প্রতিকূলতার মাঝেও নিজেদের খাপ খাইয়ে সর্বোচ্চটা দিয়ে খেললে ২১ বনাম ০ থেকে হয়তো বের হওয়া সম্ভব হবে।

১৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা থেকে প্রথম ওডিআই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। বাকি দুটি ম্যাচ ১৬ ও ২০ ফেব্রুয়ারি ভোর ৪টা থেকে শুরু হবে।

২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রথম টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে। ৮ ও ১৬ মার্চ বাকি দুটি টেস্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে সফর শেষ হবে।

সিরিজের আনুষ্ঠানিক সম্প্রচারক স্কাই স্পোর্টস, সবগুলো খেলা সম্প্রচার করবে চ্যানেল-৯, স্টার স্পোর্টস-১, সুপার স্পোর্টস (দক্ষিণ আফ্রিকা), ইউলো টিভি ও অনলাইন টিভি চ্যানাল হটস্টার।


আরো সংবাদ




bedava internet