২৫ মার্চ ২০১৯

আলোচিত এক পেসার তত্ত্ব, যা বললেন মাহমুদুল্লাহ

-

এমন ব্যাটিংয়ের ব্যাখ্যা দেয়া আসলেই কষ্টকর। কী বলবেন মাহমুদুল্লাহ। কেউ কি ইচ্ছা করে খারাপ করে? মোটেও না। তাহলে এমন যাচ্ছেতাই ব্যাটিং কেন? ১৪৩ ও ১৬৯। একটা টেস্ট দলের এমন ব্যাটিং কি হওয়া উচিত? এটা নতুন কিছু নয়। টানা ৪ ম্যাচের ৮ ইনিংসে ২০০’র নিচে ইনিংসগুলো। সাংবাদিকদের দিকে তাকাতেই পারছিলেন না মাহমুদুল্লাহ। সব দায় তো তারই। তিনি অধিনায়ক। সাকিবের অবর্তমানে এ দায়িত্ব এখন বোঝা হয়ে গেছে মনে হলো! লজ্জাবনত মুখে বললেন ‘এমন ব্যাটিংয়ের ব্যাখ্যা দেয়া আসলে খুবই কঠিন। একটা জিনিস বলতে পারি, টেস্ট ক্রিকেট খেলতে যেই ধরনের ডিসিপ্লিন থাকা উচিত, আমরা সে ডিসিপ্লিন দেখাতে পারিনি। কারণ উইকেট বেশ ভালো ছিল, ইভেন আজকেও (গতকাল) উইকেট ভালো ছিল। দুই-একটি বল টার্ন করেছে। এ ছাড়া আমার কাছে ভালোই মনে হয়েছে। আমার মনে হয় ডিসিপ্লিনের ইস্যু আমাদের ভালো করে দেখতে হবে। নিজেদের ওপর বিশ্বাস আরেকটু বাড়াতে হবে। এই ইস্যুগুলো নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। কারণ বেশ কয়েকটি টেস্টে আমাদের ব্যাটিং খুব বাজে হচ্ছে। আমাদের এসব নিয়ে ভাবতে হবে, একটা উপায় বের করতে হবে।’

ব্যাটসম্যানদেরই দায়টা দিচ্ছেন অধিনায়ক। বোলাররা ভালো খেলেছে। জিম্বাবুয়েকে প্রথম ও দ্বিতীয় ইনিংসে অল আউট করে দিয়েছে। দোষ ব্যাটসম্যানদেরই। বিগত ম্যাচগুলোয় যে জিনিসটা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সেটা ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ। মাহমুদুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের স্ট্রোক খেলার প্রবণতা খুবই বেশি। এই জিনিসটা আমরা হয়তো ইমোশনালি করছি। এখানে কন্ট্রোল করতে হবে। দেখে খেলতে হবে। আমরা কোন বোলারকে কখন কিভাবে খেলতে পারি এটা দেখতে হবে। আমরা ছোট ছোট পার্টনারশিপও করতে পারছি না। আমরা সবাই ব্যর্থ হচ্ছি। এটা আমরা ঠিক করতে পারলে ঢাকা টেস্টে ভিন্ন কিছু দেখা যাবে।’

মাহমুদুল্লাহ নিজেদের ব্যর্থতা নিয়ে সবাইকে আলাদা আলাদা বসে আলোচনা করে ঠিক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ‘এটা হলে আমরা অবশ্যই ফিরে আসবো মার্কে’।

বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘দ্বিতীয় ইনিংসে ৩২১ রান করে আমরা জিতব এ দৃঢ়তা ছিল দলের। রেকর্ড হয় ক্রিকেটে। তা ছাড়া উইকেটে যেহেতু তেমন কিছুই ছিল না; তাই আমরা ভালো একটা ব্যাটিং করে ম্যাচ জিতব বলে ধরে নিয়েছিলাম; কিন্তু আমরা বাজে ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে হেরে গিয়েছি।

নিজেদের আউটগুলো নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা অনেকগুলো বলে খুব বাজে আউট হয়েছি, যা ছিল খুবই দৃষ্টিকটু। যদি পারসনালি বলি, আমি বেশ পজেটিভ ছিলাম। ভেবেছিলাম আমি হয়তোবা ভালো খেলে বড় জুটি গড়লে তাদের টার্গেটের কাছাকাছি যেতে পারব, আমরা বড় পার্টনারশিপই করতে পারিনি। আপনি বড় জুটি না গড়তে পারলে ম্যাচ জিতবেন না।’

বিশ্বকাপ ভাবনায় টেস্ট ক্রিকেট মূল্য হারাচ্ছে কি না- এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা টেস্ট খেলার সময় শুধু এটা নিয়েই চিন্তা করি। বোলাররা যথেষ্ট ভালো বোলিং করেছে। প্রতিপক্ষকে অল্প রানে আটকে ফেলছেন। ব্যাটসম্যানরা ভালো করছে না। ওয়ানডে ফরম্যাটে ভালো ছন্দে আছে। কিন্তু ওই ডিসিপ্লিন টেস্ট ক্রিকেটে নিতে পারছি না। অবশ্যই এটা চিন্তার বিষয়। আমাদের অবশ্যই শক্তভাবে ফাইট ব্যাক করতে হবে। তা ছাড়া এমন ব্যর্থতার কারণ ফাইন্ড আউট করতেই হবে, বের করতে হবে কী উপায় আছে। কারণ এভাবে ব্যাটিং ব্যর্থতার দায়ভার আমরাও নিতে চাই না। আমাদের সবার ইন্ডিভিজুয়াল ইমেজ আছে। একই সাথে এটা বাংলাদেশ দলের ব্যাপার। আমরা বাংলাদেশ দলের জন্য খেলছি, অবশ্যই আমাদের বাংলাদেশ ক্রিকেটকে কিছু ফেরত দিতে হবে।’

একাদশে ছিল এক পেসার। এটা কতটা যুক্তিযুক্ত ছিল- এমন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘সেরা একাদশ একবারে ঠিক ছিল। কারণ পিচ শুষ্ক ছিল। এ জন্যই তিন স্পিনার খেলানো।’

তিনি বলেন, ‘সাকিব-তামিম দলের সেরা দু’জন পারফর্মার। কে না চাইবে তাদের খেলা। কিন্তু ইনজুরি তো কারো হাতে নেই। তারপরও যে দল আছে জিম্বাবুয়েকে হারানোর সামর্থ্য ছিল। আমাদের জিম্বাবুয়েকেও কৃতিত্ব দিতে হবে, তারা ভালো ক্রিকেট খেলেছে।’

টেস্ট পরিবারে যুক্ত হয়েছে আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডও। এমনি মুহূর্তে এমন ব্যার্থতা হুমকিস্বরূপ কি না এমন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি। আমি কেবল পারফরম্যান্স নিয়েই চিন্তা করছি। টেস্ট ম্যাচ কমবে না বাড়বে এসব নিয়ে আমার কোনো রকম মাথাব্যথা নেই। যদি আমি ভালো করি টেস্ট ম্যাচের সংখ্যা বাড়বে। যদি খারাপ করতে থাকি, এ রকম বাজে পারফর্ম করতে থাকি তাহলে টেস্ট ম্যাচ সংখ্যা অবশ্যই কমে যাবে। এটা আইসিসি ও ক্রিকেট বোর্ডের বিষয়।’


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al