২৫ মার্চ ২০১৯

অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো বাংলাদেশের

বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (ফাইল ফটো) - সংগৃহিত

বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের প্রথম ম্যাচ দিয়ে অষ্টম ভেন্যু হিসেবে গত ৩ নভেম্বর টেস্ট অভিষেক হয় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের। সিলেটের অভিষেককে জয় দিয়ে উদযাপন করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। দেশের মাটিতে অভিষেক ভেন্যুগুলোতে অতীত দুঃস্মৃতিগুলো মুছে ফেলতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেটি আর হলো না। দেশের মাটিতে অভিষেক ভেন্যুতে জয়হীনই থেকে গেল বাংলাদেশ। সিলেটের অভিষেক টেস্টে ১৫১ রানের ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ। এর আগের সাতটি ভেন্যুর অভিষেক ম্যাচে হারের তিক্ত স্বাদই পেয়েছিল টাইগাররা।

২০০০ সালে টেস্ট অভিষেক হয় বাংলাদেশের। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ওই ম্যাচটি। আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সেঞ্চুরির পরও ৯ উইকেটে ম্যাচ হারে বাংলাদেশ।

এর পরের বছরই টেস্ট ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ভেন্যু হিসেবে অভিষেক হয় চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওই ম্যাচটি ৮ উইকেটে হেরে যায় টাইগাররা।

২০০১ সালের পর ২০০৬ সালে বাংলাদেশের টেস্ট দিয়ে তিনটি ভেন্যুর অভিষেক হয়। ভেন্যুগুলো হলো চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম ও নারায়ণগঞ্জের খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়াম। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটি ৮ উইকেটে হারে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি হয় শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে। ওই ম্যাচটি ১০ উইকেটে হেরে যায় টাইগাররা।

একই বছরের এপ্রিলে খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। দুর্দান্ত লড়াইয়ের ম্যাচটি ৩ উইকেটে হারে টাইগাররা।

বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ভেন্যু বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম থেকে ক্রিকেট সরিয়ে নিয়ে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে করা হয় হোম অব ক্রিকেট। ২০০৭ সালের মে’তে ভারতের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলতে নামে বাংলাদেশ। সেটিই ছিল মিরপুরের প্রথম টেস্ট। ওই ম্যাচটি ইনিংস ও ২৩৯ রানের ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ।

২০০৭ সালের পর ২০১২ সালে বাংলাদেশে আরেকটি নতুন টেস্ট ভেন্যুর অভিষেক হয়। সেটি ছিল খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামের প্রথম ম্যাচে ১০ উইকেটে হারে বাংলাদেশ।

তাই আগের সাত ভেন্যুর ভাগ্যে যা লিপিবদ্ধ হয়েছিল, সিলেটের ভাগ্যেও একই ফলাফল লেখা হয়ে গেলো। দেশের মাটিতে অভিষেকে ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের অপেক্ষা আরো দীর্ঘায়িত হলো।

 

১৭ বছর পর এমন জয়...

সিলেট টেস্টে বাংলাদেশকে ১৫১ রানে হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ফলে পাঁচ বছর পর টেস্ট ম্যাচ জিতলো তারা। পাশাপাশি বিদেশের মাটিতে টেস্ট জিতলো দীর্ঘ ১৭ বছর পর।

সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে ২০১৩ সালে ঘরের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে জিতেছিল। আর নিজ দেশের বাইরে শেষ টেস্ট ম্যাচ জিতে ২০০১ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে।

আজ দিনের শুরুতে ১০ উইকেট হাতে রেখে ২৬ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করেন ওপেনার ইমরুল কায়েস ও লিটন দাস। এই জুটির ভাঙন ধরান সিকান্দার রাজা। এর পরই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।

মূলত সিকান্দার রাজা ও ব্রেন্ডন মাভুতা বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন-আপ ধস নামান। রাজা শিকার করেন চারটি উইকেট আর মাভুতা তিনটি।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন ইমরুল কায়েস, আরিফুল হক ৩৮ ও লিটন করেন ২৩ রান।

অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ১৬ রান করে আউট হন। মুশফিকুর রহিম করেন ১৩ রান।

সিলেটের মাটিতে অভিষেক এই টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে। প্রথম ইনিংসে ২৮২ রান তোলে তারা।

অপরদিকে প্রথম ইনিংসে ১৪৩ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮১ রান তুলে বাংলাদেশকে ৩২১ রানের টার্গেট দেয় সফরকারী দল।

মাত্র ৬৩ ওভার ১ বল ব্যাট করে ১৬৩ রানে অলআউট হয়ে যায় স্বাগতিক বাংলাদেশ।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al