২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আইপিএলের ভাগ্য ঝুলে আছে

আইপিএলের ১১তম আসরে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলেছেন মোস্তাফিজুর রহমান - সংগৃহীত

নির্বাচনের জন্য ভারত থেকে সরে আইপিএল আরো একবার চলে যেতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকায়। এখনও দেশটির আগামী বছরের নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। তারই অপেক্ষায় রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। নির্বাচন কমিশনের দিকে তাকিয়ে এখন আইপিএল কমিটি। এখনও পর্যন্ত যা খবর, নির্বাচনের সাথে আইপিএলের সময় প্রায় এক হয়ে যেতে পারে। এর আগেও একই কারণে দেশের বাইরে দু’বার আইপিএল আয়োজন করতে হয়েছিল। সেটা ২০০৯ এ দক্ষিণ আফ্রিকা ও ২০১৪তে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

১২তম আইপিএল-এর ভাগ্য এই মুহূর্তে ঝুলে রয়েছে। বিসিসিআই ইতোমধ্যেই আইপিএল-এর আয়োজক হিসেবে কাজ শুরু করে দিয়েছে ২০১৯-এর প্রতিযোগিতার। সব পরিস্থিতির জন্যই পরিকল্পনা করে রেখেছে কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্স। কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্সের সাথে রয়েছে বিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে রয়েছেন সিইও রাহুল জোহুরি এবং আইপিএল সিওও হেমাঙ্গ আমিন। প্ল্যান ‘এ’ কাজ না করলে রয়েছে প্ল্যান ‘বি’। আর সবার শেষে প্ল্যান ‘সি’।

মুম্বাই মিররের খবর অনুযায়ী, ভারতে টুর্নামেন্ট করা না গেলে বিসিসিআই-এর পছন্দের ভেন্যুর দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আর কোনো কারণে যদি পুরো টুর্নামেন্ট বাইরে নিয়ে যেতে না হয় তা হলে সেক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতই পছন্দ। ভারত থেকে যাতায়াতটা সেখানে সুবিধে। ইংল্যান্ড তালিকায় থাকলেও রয়েছে সবার শেষে। কারণ সেক্ষেত্রে খরচের পরিমাণ বাড়বে অনেকটাই।

আরব আমিরাতের ক্ষেত্রে বাধ সাধছে সেখানকার পরিকাঠামো। এতো বড় টুর্নামেন্টের জন্য সেই পরিকাঠামো যথেষ্ট নয়। সেখানে মাত্র তিনটিও বড় মাঠ রয়েছে দুবাই, শারজাহ ও আবুধাবিতে। যা পুরো আইপিএল-এর জন্য যথেষ্ট নয়। একটা অংশ হতে পারে মাত্র। সেক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকা সেরা বিকল্প। সম্ভাব্য তিন দেশ, স্টেক হোল্ডার্স, ফ্র্যাঞ্চাইজিজের সরকারিভাবে এখনও কিছুই জানানো হয়নি। সবটাই রয়েছে মৌখিক পর্যায়ে।

মঙ্গলবার সিওএ-র মিটিংয়ে এই নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়াও এবারের আইপিএল-এর আরো একটি বড় সমস্যা বিশ্বকাপ। ৩০ মে থেকে শুরু হবে ২০১৯ বিশ্বকাপ। সাধারণত সেই সময় আইপিএলও শেষ হয়। আইপিএল খেলা ক্রিকেটাররা ক্লান্ত হয়ে পড়বেন। সে কারণে আইপিএল-এর নির্ধারিত সময়ও কিছুটা এগোতে হবে। কিন্তু খুব বেশি এগোনোর মতোও জায়গা নেই। এক সপ্তাহের মতো এগোতে পারে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের বদলে মার্চের শেষ সপ্তাহে শুরু হতে পারে। কিন্তু সব কিছুই নির্ভর করছে নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার উপর।


আরো সংবাদ