২২ এপ্রিল ২০১৯

দেশের বাইরে রান করাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি : মুশফিক

হায়দরাবাদ টেস্টে সেঞ্চুরির পর মুশফিকুর রহিমের উচ্ছ্বাস - সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে দেয়ার কারিগর হিসেবে যে কয়েকজন অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন, তাদের মধ্যে মুশফিকুর রহিম একজন। ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারদের কাছে তিনি অনন্য উদাহারণ হিসেবে থাকবেন। বিদেশের মাটিতে দুর্দান্ত পারফরমেন্সের জন্য মুশফিক তাদের অনুপ্রেরণা যোগাবেন। কিন্তু তিনি নিজে কীভাবে এই পারফরমেন্সকে বিবেচনা করেন? মুশফিকের জবাব, 'বিদেশের মাটিতে রান করাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি।'

ক্রিকেটের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোকে এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন তিনি।

গত পাঁচ বছরে মুশফিক দেশের বাইরে টেস্ট ম্যাচে গড়ে ৫০ রান করেছেন। কীভাবে রান করার ধারবাহিকতা ধরে রাখছেন?

মুশফিকের জবাব, 'আমার মনে হয় না, কেউ ইচ্ছে করে ঘরের মাঠে অথবা বিদেশের মাটিতে বেমি রান করে। আমি সব সময় সব ম্যাচে নিজের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করি। তবে এটা সত্যি, দেশের বাইরে রান করাটা আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেই। অনেকের ধারণা, বাংলাদেশী ক্রিকেটাররা ঘরের মাঠে ভালো পারফরমেন্স করে। তবে আমি দেশের বাইরের খেলায় রান তোলার ব্যাপারে উন্নতি করার চেষ্টা করেছি। আমি পরিস্থিতি বুঝে এবং বোলিং দেখে রান নেই।'

এ ব্যাপারে মুশফিক আরো বলেন, 'তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ- আমরা মাঝে মাঝেই এই ব্যাপারে আলোচনা করি। আমরা বলি, আমাদের লিড নেয়া উচিত। আমি ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্টে ভালো পারফরেমেন্স করিনি, তবে পরের সিরিজে ভালো করার আশা করছি। নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আমি আমার শতভাগ দিয়েছি।

২০১৪ সালে কিংসটন এবং ২০১৭ সালে ওয়েলিংটন ও হায়দরাবাদে সেঞ্চুরি করেছেন মুশফিক। বিদেশের মাটিতে তার সবচেয়ে প্রিয় ইনিংস কোনটি?

জবাবে অভিজ্ঞ এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান এবং সাবেক অধিনায়ক বলেন, 'ওয়েলিংটনের সেঞ্চুরিটি আমার কাছে বিশেষ কিছু্। সফরের প্রথম ওয়ানডের পর আমি ইনজুরিতে পড়ি। তাছাড়া নিউজিল্যান্ডে আমার বা বাংলাদেশের কোনো রেকর্ড ছিল না। মহান আল্লাহর অশেষ রহমত যে, আমি খুব ভালো একটা ইনিংস খেলেছি। এছাড়া তামিম আর মুমিনুলের যেভাবে নতুন বল মোকাবেলা করেছে- এজন্য তাদের সাদুবাদ দিতে হয়। তারা আমার আমার সাকিবের জন্য পথটা মসৃন করে দিয়ে গেছে। বাক পথটা আমরা ভালোভাবেই পার হয়েছি।'

'এরপর হায়দরাবাদের সেঞ্চুরির কথা বলতে হয়। ভারত সেরা দলগুলোর একটি। তাদের বোলিং অসাধারণ। এ দলটির বিপক্ষে সেঞ্চুরি করার স্বপ্ন ছিল এবং ভারতের মাটিতে আমি বাংলাদেশের হয়ে প্রথম টেস্টে লিড করেছি। এ দুটি সেঞ্চুরি আমার কাছে স্পেশাল।'

 

আরো পড়ুন : আশরাফুলকে অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছেন মাশরাফি

জাতীয় দলে খেলার আশা এখনো জাগিয়ে রেখেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। বয়সের ভারে যখন ক্রিকেট থেকে সরে যাওয়ার কথা, তখন আশরাফুল স্বপ্ন দেখছেন আবারো জাতীয় দলে খেলার। এ ব্যাপারে তিনি উজ্জীবিত মাশরাফিতে। একজন বোলার হয়েও মাশরাফি এখনো সেরা পারফরম্যান্স করে যাচ্ছেন এটা আশরাফুলের জন্য আশা জাগানো বিষয়। এ ছাড়া আশরাফুলের চেয়েও বেশি বয়স নিয়ে খেলে গেছেন মোহাম্মদ রফিক, হাবিবুল বাশার সুমন। সেটাও আশরাফুলকে সাহস জোগাচ্ছে।

আশরাফুলের ব্যাপারে বোর্ড সভাপতিও ইতিবাচক। ক’দিন আগে বোর্ড সভাপতির সাথে তার কথাও হয়েছে। বোর্ড সভাপতি নাকি বলেছেন, ‘যদি ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি ভালো খেলতে পারেন তাহলে তাকে সুযোগ দেয়া হবে। আশরাফুল নিজেও সে সুযোগের অপেক্ষায়। তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলে ফেরার বিষয়টা আসলে আমার নিজের ওপর। ভালো পারফরম্যান্স না করলে আমাকে জাতীয় দলে বিবেচনা করবে না কেউ। ফলে আমাকেই ভালো করতে হবে। এ ক্ষেত্রে জাতীয় ক্রিকেট লিগে যদি আমি ২০০ বা ততোধিক স্কোর করতে পারি, নিয়মিত রান করতে পারি তাহলে হয়তো আমি বিবেচনায় চলে আসব।’

এটা ঠিক বিপিএলে ফিক্সিংয়ের অপরাধে পাঁচ বছর নিষেধাজ্ঞার খড়গ কাটিয়ে আবার ক্রিকেটে ফিরেছেন আশরাফুল। মনোবল তার বেশি বলেই এটা করতে সক্ষম হয়েছেন। এখনও স্বপ্ন জিইয়ে রেখেছেন ফেরার। আশরাফুলের এ মনোবল অবশ্যই তাকে এগিয়ে নেবে। জাতীয় দলে না খেলতে পারলেও জাতীয় ক্রিকেট লিগ থেকে শুরু করে ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো ক্রিকেট খেললে সেটা তার জন্য অ্যাডভান্টেজ। তা ছাড়া জাতীয় দল এখন প্রচুর ম্যাচ খেলছে সব ফরম্যাটে। এ খেলার জন্য যে পরিমাণ ক্রিকেটার পাইপলাইনে থাকার কথা সে পরিমাণ ক্রিকেটার নেই বা ক্রিকেটার রয়েছে কিন্তু অভিজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার মতো যোগ্য ক্রিকেটারের সত্যিই অভাব। আশরাফুল যদি ব্যাট ও তার ফিটনেসে এগিয়ে থাকতে পারেন- তাহলে অবশ্যই তিনি ফিরবেন। বয়স এ ক্ষেত্রে সমস্যা নয়। জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক সে আশাতেই দিনের পর দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

গতকাল মিরপুরে ক্রিকেট সমর্থকদের একটি অনলাইন-ভিত্তিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। সেখানেই এসব বিষয়ে কথা বলেন। আশরাফুলের প্রথম টার্গেট আগামী মাসের সূচনায় আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটে খেলার যদি সুযোগ পাওয়া।

তিনি বলেছেন, ‘যদি খেলোয়াড় ড্রাফটে আমাকে কেউ দলভুক্ত করে, তাহলে আমি সেখানে নিজেকে প্রমাণের একটা সুযোগ পেয়ে যাবো। সেখানে আমি চেষ্টা করব ফিটনেস ও পারফর্ম প্রদর্শনের, যা হবে আমার জন্য ঘরোয়া ক্রিকেটে এগিয়ে যাওয়ার প্লাটফর্ম।’

উল্লেখ্য, দুবাইয়ে আগামী ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ার কথা আফগানিস্তানের ফ্রাঞ্চাইজি লিগের ওই লিগ।


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat