২৩ মার্চ ২০১৯

ফখর জামানের ব্যাটে রেকর্ড গড়ে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

ফখর জামানের ব্যাটে রেকর্ড গড়ে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান। ছবি - সংগৃহীত

দুই দলই এর আগে ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে। তবে জয় তালিকায় থাকতো অস্ট্রেলিয়া। এবার সেসব রেকর্ড গুড়িয়ে দিয়ে নতুন রেকর্ড গড়ে জয় নিজেদের ঘরে তোলেন ফখর জামানদের পাকিস্তান। পাকিস্তানকে এই ম্যাচ জিততে হলে  রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড গড়েতে হতো।ফখরের ব্যাটে হেসে খেলেই তা টপকে গেল পাকিস্তান। দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে বাঁহাতি ওপেনার পাকিস্তানকে এনে দিলেন শিরোপা।

জিম্বাবুয়েরর হারারেতে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ৪ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টির শীর্ষ দলটি জিতল টানা ৯ সিরিজ নিজেরে ঘরে তোলার রেকর্ডও গড়েছে এর মাধ্যমে।

প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৮৩ রান তুলেছিল অস্ট্রেলিয়া। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যেটি বেশ বড় সংগ্রহই। তাছাড়া এত বড় রান তাড়া করে এর আগে জিততে পারেনি পাকিস্তান।

অস্ট্রেলিয়ার দেয়া ১৮৪ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে দলীয় দুই রানেই দুটি উইকেট হারিয়ে বিপাকে পরে পাকিস্তান। কিন্তু এক প্রান্ত দিয়ে দুই সতীর্থ নিরাশ করলেও হাল ছাড়েননি ফখর জামান। অপর প্রান্তে দারুণ ব্যাটিং করে একের পর এক সীমানা ছাড়া করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের। তার দাপুটে ব্যাটিংয়ের সামনে রীতিমতো অসহায় ছিলো অস্ট্রেলিয়ার বোলিং ডিপার্টমেন্ট। এই ইনিংসের মাধ্যমে ফখর জামান যেন মনে করিয়ে দিয়েছেন গত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে দারুণ এক সেঞ্চুরি করে ম্যাচ জেতানোর কথা। যদিও এই ম্যাচটিতে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছেন তিনি। মাত্র ৪৬ বলে ৯১ রানের ইনিংসে ছিলো ১২টি চার ও ৩টি ছক্কা।

অন্য প্রান্তে ফখরকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন সরফরাজ আহমেদ ও শোয়েব মালিক। সরফরাজ ২৮ রানে রানআউট হলেও শোয়েব মালিক ছিলেন শেষ পর্যন্ত। ১৬তম ওভারের শেষ বলে কাভার পয়েন্ট ক্যাচ দিয়ে যখন ফকর জামান ফিরে যান, ততক্ষণে পাকিস্তান ম্যাচ পকেটে পুরেছে। এরপর বাকি কাজটুকু সাড়ার দায়িত্ব নিজ কাধে তুলে নেন শোয়েব মালিক। ফকর জামান যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন, অনেকটাই নিষ্প্রভ ছিলেন মালিক। ফকর আউট হওয়ার সময় তার সংগ্রহ ছিলো ২৮ বলে ২৭ রান। কিন্তু সঙ্গী ফিরে যাওয়ার পর নিজেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন মালিক। চার বল বাকি থাকতেই যখন জয় তুলে নিয়ে ম্যাচ শেষ করেন ব্যক্তিগত স্কোর তখন ৩৭ বলে ৪৩ রান। ৩টি চার ও একটি ছক্কা ছিলো মালিকের ইনিংসের।

এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাট হাতে শুরুটা ভালোই করেছিল অস্ট্রেলিয়া। উদ্বোধনী জুটি ডি'অর্কি শর্ট ও অ্যারন ফিঞ্চ গড়েছিল ৯৫ রান। কিন্তু নবম ওভারে শাদাব খানের বলে ফিঞ্চের আউটের পরই বিপত্তি বাধে। অর্ধশত থেকে তিন রান দুরে থাকতেই সাজঘরে ফিরেন ফিঞ্চ। এরপর ধারাবাহিক উইকেটের পতন হয়। বেশিক্ষণ এক প্রান্ত লাগলে রাখতে পারেননি শর্ট।

শর্ট ৭৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে তরুণ শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে সাজঘরে ফেরেন। ৫৩ বলে সাতটি বাউন্ডারি ও চারটি ছক্কা হাকান। এর আগে তাণ্ডব চালান সাদাব আর আমির। ম্যাক্সওয়েলকে ফিরিয়ে দ্বিতীয় উইকেট শিকার করেন সাদাব। আর আমির বিদায় করেন স্টোইনিসকে। আমির শিকার করেন দুটি উইকেট। একটি করে উইকেট ঝুলিতে পড়েন ফাহিম আশরাফ, হাসান আলি ও হাসান আলি। ৮ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ১৮৩ রান।

সিরিজের অন্য দলটি ছিলো স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে।

 


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al