২০ অক্টোবর ২০১৯

বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে ডব্লিউসিআইটি

-

২০২১ সালে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বৈশ্বিক শীর্ষ সম্মেলন ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন ইনফরমেশন টেকনোলজি (ডব্লিউসিআইটি) বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে। ডিজিটাল কানেক্টিভিটি ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বাংলাদেশে দ্রুত ডিজিটালাইজড হওয়ায় আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে নির্বাচন করা হয়েছে বলে জানান তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ডব্লিউসিআইটি হচ্ছে, ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস এর অ্যালায়েন্স। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সবচেয়ে বড় সংগঠন। এতে সংগঠনে পৃথিবীর ৯০টি দেশের আইসিটি বিষয়ক ও সহযোগী সংগঠন এতে প্রতিনিধিত্ব করে।
আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে কানের ডেমিরচায়ান কমপ্লেক্সে আয়োজিত ‘ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন ইনফরমেশন টেকনোলজি-২০১৯’ (ডব্লিওসিআইটি) এর মিনিস্ট্রিয়াল রাউন্ড টেবিল আলোচনায় প্রতিমন্ত্রী জানান, ডব্লিউসিআইটির মহাসচিব জেমস পয়জান্টস সম্মেলন উদ্বোধনের সময় ঢাকায় ২০২১ সালে এ সম্মেলন করার ঘোষণা দিয়েছেন। মিনিস্ট্রিয়াল রাউন্ড টেবিল আলোচনায় পলক বলেন, বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া শুরুর সাথে সাথে ব্যবসাবাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক পরিবেশ অতীতের তুলনায় অনেক বেশি প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠেছে। এ তীব্র প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আমাদেরকে প্রযুক্তি ও জ্ঞাননির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তর ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। সামনের দিনগুলোতে তথ্যপ্রযুক্তির সব সুবিধা পৃথিবীর সবাই যেন পেতে পারে এবং প্রত্যেকের কাছে প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেয়া যায় সেই লক্ষ্যে সমন্বিত প্রয়াসে কাজ করতে হবে। মিনিস্ট্রিয়াল সেশনে অন্যান্যের মধ্যে আর্মেনিয়ার হাইটেক ইন্ডাস্ট্রি বিষয়ক মন্ত্রী হাকোব আরশাকায়ান, মালয়েশিয়ার পেনাং প্রদেশের পাবলিক ওয়ার্কস প্রতিমন্ত্রী মিস্টার জোহায়ের, কম্বোডিয়ার কমিউনিকেশন ডিপুটি মিনিস্টার মিস মেরিন নিকোলো, ইরানের কমিউনিকেশন মিনিস্টার ইয়াহুসিসহ বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা অংশ নেন। ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্সের মহাসচিব ডা: জেমস এইচও আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন। আমাদের সবারই সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে ডিজিটাল যুগের বিবর্তন করা উল্লেখ করে পলক বলেন, বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক মানের দেশ হিসেবে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে। আইসিটি খাতের ভিশন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বাংলাদেশ ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়েছে উল্লেখ করে পলক বলেন, ইন্টারনেট অবকাঠামো, শিক্ষার হার, খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্নতা অর্জন, সবার জন্য বিদ্যুৎ ও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়াসহ হাইস্পিড ব্রডব্যান্ড, ইন্টারনেট সেবা, কানেক্টিভিটি, সফটওয়্যার এক্সপোর্ট, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসার প্রসার ঘটানো, মোবাইল ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন সেবা লক্ষণীয় মাত্রায় বেড়েছে। স আহমেদ ইফতেখার

 


আরো সংবাদ




portugal golden visa
paykwik