২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা

শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা - ছবি : নয়া দিগন্ত

চলমান তাপপ্রবাহ কমার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। আজ থেকে তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে। একই সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা আছে। বৃষ্টি হলে তাপপ্রবাহ কমতে পারে। 

এপ্রিল-মে মাসে বাংলাদেশে ওপর সূর্য কিরণ খাড়াভাবে পড়ে। এর ফলে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। জুন মাসে বৃষ্টিবাদল শুরু হলে তাপমাত্রা কমে আসে। এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। গত ৩ মে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রলঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ফণী উপকূলে আঘাত হানে। এতে তিন দিন ঝড়বৃষ্টির সাথে তাপমাত্রা কমে আসে। কিন্তু এর পরই দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপপ্রবাহ শুরু হয়। প্রচণ্ড গরমে মানুষ ও প্রাণিকুল কাহিল হয়ে পড়ে। বিভিন্ন ধরনের রোগ-ব্যাধির প্রকোপ দেখা দেয়। রাজশাহী, যশোরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রিতে পৌঁছায়। রাজধানী ঢাকায় চলমান তাপপ্রবাহে জীবন যাত্রা স্থবির হয়ে পড়ে। ডায়রিয়া, সর্দি-কাশি এবং মওসুমি জ্বরে বহু মানুষ আক্রান্ত হয়। আবহাওয়া বিভাগের গতকালের পূর্বাভাসে জনমনে কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। 

তবে আজো দেশের কোথাও কোথাও তাপপ্রবাহ থাকতে পারে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী আজ টাঙ্গাইল, রাঙ্গামাটি, নোয়াখালী, পাবনা, রাজশাহী অঞ্চলসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ (৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে) বয়ে যেতে পারে এবং আজ উল্লিখিত স্থানের কোথাও কোথাও প্রশমিত হয়ে যেতে পারে।
তাপপ্রবাহের ফলে ডায়রিয়া ও জ্বরের সাথে সমান তালে চলেছে হিটস্ট্রোক। রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন যাবত অনেকে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। 

গতকাল রোববার আবারো দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহীতে ৩৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন শনিবার রাজশাহীতেই উঠেছিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল রাজধানীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ছিল সিলেটে ২১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


আরো সংবাদ