১৫ অক্টোবর ২০১৯

ব্রিটেনের রাণীকে পরিচয়পত্র দিলেন মুনা তাসনীম

ব্রিটেনের রাণীকে পরিচয়পত্র দিলেন মুনা তাসনীম - সংগৃহীত

ব্রিটেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম বাকিংহাম প্যালেসে রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।

লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বুধবার রানীর প্রতিনিধি অ্যালিস্টার হ্যারিসন লন্ডনের কুইন্স গেইটে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে আসেন। তিনি হাইকমিশনার, তার স্বামী তৌহিদুল আই চৌধুরী ও হাইকমিশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের রাজকীয় ঘোড়ার গাড়ির বহরে করে বার্কিংহাম প্যালেসে নিয়ে যান।

পারমানেন্ট আন্ডার সেক্রেটারি ও ব্রিটিশ ডিপ্লোম্যাটিক কর্পের প্রধান স্যার সাইমন ম্যাকডোনাল্ড, ডিপ্লোম্যাটিক কর্পের অ্যাসিসট্যান্ট মার্শাল এবিগেইল বয়েল এবং রাণীর একজন প্রতিনিধি প্যালেসে প্রধান ফটকে হাইকমিশনারকে অভ্যর্থনা জানান।

প্যালেসের নির্ধারিত কক্ষে প্রবেশের পর মার্শাল বয়েল হাইকমিশনার ও তার স্বামীকে রাণীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর সাইদা মুনা তাসনীম তার পরিচয়পত্র রাণীর কাছে হস্তান্তর করেন। এসময় হাইকমিশনার বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উষ্ণ শুভেচ্ছাবার্তা রাণীর কাছে পৌঁছে দেন।

১৯৬১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও ১৯৮৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে রাণীর সফরের কথা উল্লেখ করে সাইদা মুনা তাসনীম বলেন, বাংলাদেশের মানুষের মনে রাণী এলিজাবেত এক বিশেষ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার স্থান দখল করে আছেন।

রাণী এলিজাবেত হাইকমিশনারকে ব্রিটেনে স্বাগত জানান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এরপর সাইদা মুনা তাসনীম রাণীর সাথে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেন। কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সামরিক উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আমিনুল হক, মিনিস্টার (কনস্যুলার) লুৎফুল হাসান, কমার্শিয়াল কাউন্সিলর জাকারিয়া হক এবং প্রথম সচিব শফিউল আলম।

পরিচয়পত্র পেশ করার পর ডিপ্লোম্যাটিক কর্পোর অ্যাসিসট্যান্ট মার্শাল এবিগেইল বয়েল বাংলাদেশের হাইকমিশনার ও তার সঙ্গীদের রাজকীয় ঘোড়ার গাড়ির বহরে করে বাকিংহাম প্যালেস থেকে সেন্টস জেমস কোর্টে (তাজ হোটেল) নিয়ে যান। সেখানে পরিচয়পত্র প্রদান পরবর্তী এক সম্বর্ধনার আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন, ব্রিটেনের হাউজ অব লর্ডস ও হাউজ অব কমনওয়েলথ সিনিয়র সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, ব্রিটিশ ফরেন এবং কমনওয়েলথ অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশিষ্ট সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী এবং ব্রিটিশ-বাংলাদেশী কমিউনিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


আরো সংবাদ




astropay bozdurmak istiyorum