১৮ আগস্ট ২০১৯

আজকেও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে

ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আজ সকাল ৯ টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর একথা জানিয়েছে।

রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আজ সকাল ৬ টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬ টা ১৫ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫ টা ৪৭ মিনিটে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে যা গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত অতিক্রম করছে।

এদিকে পরবর্তী ৭২ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।

 

আরো দেখুন : কালবৈশাখীতে ব্যাপক ক্ষতি : নিহত ৬
নয়া দিগন্ত অনলাইন ০১ এপ্রিল ২০১৯, ১৩:৩৯

হঠাৎ কালবৈশাখীতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছয়জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। নৌকাডুবিও ঘটেছে বেশ কিছু জায়গায়। বেশ কয়েক দিন ধরে বৃষ্টি না থাকায় শুকনো খটখটে হয়েছিল। তাপমাত্রাও হঠাৎ করে বৃদ্ধি পাচ্ছিল। দেশের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি অতিক্রম করে। দেশে সৃষ্টি হয় খরা পরিস্থিতি। এর মধ্যেই গতকাল রোববার সন্ধ্যার দিকে শুরু হয় ভারী বৃষ্টিসহ কালবৈশাখী ঝড়। ঝড় ও বজ্রপাতে রাজধানীতে তিনজন, মৌলভীবাজারে দুই বোন এবং সুনামগঞ্জে একজন নিহত হয়েছেন।

গতকাল সন্ধ্যায় হঠাৎ করে আকাশ কালো করে শুরু হয় ঝড় ও বৃষ্টি। ভেঙে পড়ে গাছের ডাল। ভবনের উপর থেকে ইট, চেয়ার ইত্যাদি পড়ে নিহত হওয়ার ঘটনাসহ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কয়েক মিনিটের বৃষ্টিতে রাস্তায় জমে যায় পানি। পল্টনের একটি ভবন থেকে এক চা-দোকানির মাথায় ইট পড়লে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। শেরেবাংলা নগরে এক মহিলার উপরে গাছ পড়লে তিনি সাথে সাথেই মারা যান বলে খবর পাওয়া গেছে। শেওড়া পাড়ায় মারা গেছেন অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি। হাতিরঝিলে ওয়াটার ট্যাক্সি দুর্ঘটনার কবলে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

রাজধানীতে গাছ উপড়ে পড়া গাছের ডাল, বিদ্যুতের খুঁটি, বিলবোর্ডের অবশিষ্টাংশ রাস্তায় পড়ে যানজট লেগে যায়। অনেক স্থানে স্থানীয় মানুষ নিজ উদ্যোগে গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করে দিয়েছে। অন্যান্য জায়গায় পুলিশ এসে গাছ সরিয়ে রাস্তা চলাচলের উপযোগী করে দিয়েছে। রাজধানীতে কোনো কোনো স্থানে চলন্ত প্রাইভেট গাড়ি, সিএনজিচালিত অটোরিকশার উপর গাছের ডাল ভেঙে পড়ে।

ঢাকায় শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া না গেলেও ঢাকার বাইরে বড় বড় শিলাবৃষ্টি পড়ে বাড়িঘর, ফসলের ব্যাপাক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমের মুকুলসহ এ মওসুমের কিছু ফল গাছের।

ঝড়ের কারণে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। হঠাৎ বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়ে আবাসিক এলাকাগুলো। মোমবাতি জ্বালিয়ে কোনোমতে প্রয়োজনীয় কাজ সারতে হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে। কোথাও কোথাও ২০ থেকে ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।


আরো সংবাদ




bedava internet