২৫ মে ২০১৯

৮৯ হাজার টাকা ছিঁড়ে কুচি কুচি

৮৯ হাজার টাকা ছিঁড়ে কুচি কুচি - সংগৃহীত

টাকা পয়সা যত সাবধানে রাখা যায় ততই ভাল। আর বাড়িতে পুঁচকে ছেলে-মেয়ে থাকলে তো কথাই নেই। তার হাতের কাছে যাতে কোনোভাবেই নোট বা কয়েন না যায়- সে ব্যাপারে সাবধান থাকা। কারণ, নোট যেমন সে ছিঁড়ে ফেলতে পারে তেমনি কয়েন গিলে ফেলারও আশঙ্কা থাকে। কিন্তু এই কথা শোনে আর কয়জন। এমনই এক অসাবধানতার খেসারত দিতে হলো এক মার্কিন দম্পতিকে।

যুক্তরাষ্ট্রের উটার বাসিন্দা জ্যাকি এবং বেন বেনলাপ। প্রায় এক বছর ধরে তারা টাকা জমাচ্ছিলেন স্থানীয় ফুটবল লিগের সিজন টিকিট কিনবেন বলে। টাকা জমিয়ে রেখেছিলেন একটি মুখবদ্ধ খামে। উদ্দেশ্য ছিল টিকিট কিনতে গিয়ে এক্কেবারে খুলবেন খামের মুখ। একদিন বাদেই টিকিট কিনতে যাওয়ার কথা ছিল। তাই মুখবন্ধ খামটি টেবিলের উপর রেখে কাজে বেরিয়ে যান দু'জনেই।

কিন্তু কপালে না থাকলে কি আর ভাল কিছু পাওয়া যায়। দম্পতির কষ্টের সেই সঞ্চয়ের খামটি চলে যায় বছর দুইয়ের ডানপিটে ছেলে লিওর হাতে। প্রথমে সে খামটিকে ভাল করে দেখে। কী জিনিস বুঝতে না পেরে একটি যন্ত্রের মধ্যে ফেলে কুচি কুচি করে কাটে। তারপর এক জায়গায় ডলারের টুকরোগুলো রেখে চলে যায়।

বাড়িতে ফিরে এই কাণ্ড দেখে চোখ কপালে বেনের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট করে সে জানায় ওই খামটির ভিতরে এক হাজার ৬০ মার্কিন ডলার ছিল। বাংলাদেশী মুদ্রায় দাড়ায় প্রায় ৮৯ হাজার টাকা। এতো টাকা একসাথে এভাবে নষ্ট হওয়ায় বেশ কষ্ট পেয়েছেন এই দম্পতি।

নেটিজেনরা অবশ্য এতে কষ্টের চেয়ে মজাই বেশি পাচ্ছেন। ক্ষুদের কীর্তিকে অনেকেই হাসি ঠাট্টার ছলে নিচ্ছেন। এসবের মধ্যে ওই দম্পতির একটি সান্ত্বনার কারণও রয়েছে অবশ্য। যুক্তরাষ্ট্রে এই ছেড়া নোটের জন্য সরকারের আলাদা দফতর আছে। সেখানে নোটের ছেড়া অংশগুলি জমা দিলে এক-দু বছরের মধ্যেই তারা টাকা ফেরতও পেয়ে যাবেন।

 

নিলামের পরেই টুকরো টুকরো হলো ১৪ লাখ ডলারের ছবি

'গার্ল উইথ বেলুন'। উড়তে থাকা একটি লাল বেলুনের দিকে দু’হাত বাড়িয়ে রয়েছে একটি ফ্রক পরা ছোট্ট মেয়ে। বেলুনটিকে দু’হাতের মধ্যে পেতে অধীর আগ্রহ তার মুখে। ব্যাঙ্কসির আঁকা ছবিটি সম্প্রতি লন্ডনে নিলামে ওঠে।

ছবি ঘিরে প্রতিক্রিয়াও ছিল ব্যাপক। শিল্পীর প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে যায় সেই প্রতিক্রিয়া। যার দাম ওঠে ১৪ লাখ ডলার। আর তারপরেই ঘটে অনাকাঙ্ক্ষিত সেই ঘটনা।

উপস্থিত দর্শকদের সবাইকে অবাক করে দিয়ে নিজে থেকেই টুকরো টুকরো হয়ে গেল ‘গার্ল উইথ বেলুন’! তারপর ছেঁড়া ছবিটা ফটো ফ্রেম থেকে আস্তে আস্তে বাইরেও বেরিয়ে এলো।

এমন ঘটনা দেখে তাজ্জব বনে যান সবাই। পরে শিল্পী ব্যাঙ্কসি নিজেই পুরো ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে কীভাবে এমন হলো বিস্তারিত জানান।

শিল্পী জানান, আসলে আগে থেকেই একটি শ্রেডার ফটো ফ্রেমে রেখে দিয়েছিলেন তিনি। কী ভাবে ওই যন্ত্রটি ফটো ফ্রেমে রেখেছেন ভিডিওতে তাও দেখানো রয়েছে। যে মুহূর্তে নিলাম প্রক্রিয়া শেষ হবে, হাতুড়ির ঘা পড়বে, যন্ত্রটিও কাজ করতে শুরু করবে। যন্ত্রটিকে এ ভাবেই ফিট করা হয়েছিল।

ফলে নিলামে সর্বোচ্চ দাম ১৪ লাখ ডলার ওঠা মাত্রই হাতুড়ির ঘা মেরে নিলাম প্রক্রিয়া শেষ হয়। আর তারপরই এই ঘটনা ঘটে। শিল্পীর এমন অভিনব শিল্প আগে কখনও ঘটেনি বলে জানান ওই নিলাম সংস্থা।

 

নতুন মায়ের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠান

ইথিওপিয়ার একটি অঞ্চলে কোনো নারী সন্তান জন্ম দেয়ার পাঁচদিনের মাথায় একটি বিশেষ রীতি পালন করেন পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশী নারীরা।

তাদের বিশ্বাস এর মাধ্যমে সন্তান জন্মদাতা নারী যেমন শক্তি ও সাহস ফিরে পায় যা থেকে উপকৃত হয় নবজাতক শিশুও।

তবে সেখানকার নারীরা মনে করেন এটি শুধু শিশু বা মায়ের মঙ্গল কামনার জন্যই নয় বরং এটি তাদের সংস্কৃতিরই অংশ।

দেশটির অরোমিয়া অঞ্চলের একদল নারী জঙ্গল থেকে গাছগাছালি সংগ্রহ করেন দল বেঁধে।

যেগুলোকে তারা হারবাল বা ভেষজ ওষুধ হিসেবে সংগ্রহ করেন আর সেগুলো তারা ব্যবহার করেন একটি বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠানের জন্য।

যেটি আয়োজন করা হয় কোনো নারী সন্তান জন্ম দেয়ার পাঁচ দিনের মাথায়।

মূলত এগুলো দিয়ে গোসল করানো হয় নতুন মা হওয়া নারীকে।

কিন্তু এই ভেষজ ঔষধ ব্যবহার করলে কি হয়?

জবাবে স্থানীয় একজন নারী বলছেন, ‘সন্তান জন্ম দেয়ার পর একজন নারীর শরীর খুবই দুর্বল হয়ে যায়। ট্র্যাডিশনাল এই ওষুধ ব্যবহার করে তাকে গোসল করানোর পর এটা তার শরীরে শক্তি যোগাতে সহায়তা করে।’

বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে এ ওষুধের প্রয়োগ হলে তার প্রভাবে নিজের শক্তির পাশাপাশি নবজাতক শিশুও উপকার পায় তার মায়ের কাছ থেকে। এমনটিই বিশ্বাস ওই অঞ্চলের নারীদের।

একজন নারী বলছেন, ‘যদি সন্তান জন্ম দেয়ার পর নতুন মা দুর্বল ও অসুস্থ থাকে তাহলে বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো ও তার যথাযথ যত্ন করা কষ্টকর হয়ে পড়তে পারে। কিন্তু যখন সে তার শরীরে শক্তি ফেরত পায় দ্রুত তাহলে সন্তানকে খাওয়ানোর জন্য পর্যাপ্ত বুকের দুধও তার থাকবে।’

জঙ্গল থেকে দল বেঁধে তুলে আনা গাছ গাছালি নিয়ে একদল নারী নানা ধরনের প্রথা পালন করেন সন্তানসহ নবজাতকের ঘরের সামনেই। জঙ্গল থেকে আনা গাছগাছালি হাতে এক ধরনের গান গাইতে দেখা যায় তাদের।

এরপর তারা ঘরে প্রবেশ করে একে একে মাকে শুভেচ্ছা জানাতে থাকেন।

তখন প্রার্থনাতেও মিলিত হন তারা এবং সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া করেন নতুন শিশু ও মায়ের নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্যের জন্য এমনকি তাদের প্রার্থনায় থাকে দেশের জন্য শান্তি কামনার বিষয়টিও।

ওই অনুষ্ঠানেই মারকা নামে এক ধরণের খাবার বিতরণ করা হয়।

সদ্যই মা হয়েছেন ফৌজিয়া নাগা। তাকে ঘিরে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের পর অনেকটা প্রশান্তিময় অভিব্যক্তি দেখা যাচ্ছিলো তার চোখে মুখে।

‘আমি অত্যন্ত খুশী। নয় মাসের গর্ভধারণের পর এখন তারা যেভাবে আনন্দ করলো ও অন্য সব কছু পালন করলো তাতে আমি সত্যিই অনেক খুশী। এটি আমাদের সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যও খুব সহায়ক হবে। এর মাধ্যমেই এটি পৌঁছে যাবে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে।’

তবে অরোমিয়া অঞ্চলে একজন নতুন মাকে মানসিকভাবে সহায়তা করা কিংবা তার পাশে থাকা এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই শেষ হয়ে যায় না। বরং প্রায় চল্লিশ দিন পর্যন্ত এভাবেই সমর্থন যোগাতে থাকে সবাই।


আরো সংবাদ

Instagram Web Viewer
agario agario - agario
hd film izle pvc zemin kaplama hd film izle Instagram Web Viewer instagram takipçi satın al Bursa evden eve taşımacılık gebze evden eve nakliyat Canlı Radyo Dinle Yatırımlık arsa Tesettürspor Ankara evden eve nakliyat İstanbul ilaçlama İstanbul böcek ilaçlama paykasa