২০ জানুয়ারি ২০২০

পাতালরেলে ২৮৪ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এডিবি বছরে সুদ গুনতে হবে ২ শতাংশ হারে

-

ঢাকায় পাতালরেল নির্মাণে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশী মুদ্রায় ২৮৪ কোটি টাকার বেশি ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এই ঋণের জন্য বাংলাদেশকে বছরে ২ শতাংশ হারে সুদ গুনতে হবে। মেট্রোরেল-৫ প্রকল্পের পূর্ত কাজের জন্য বিশদ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, প্রকৌশল ডিজাইন, প্রকিউরমেন্ট দলিল প্রস্তুতসহ যাবতীয় পরিকল্পনা প্রণয়নে এই ঋণের অর্থ ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া এডিবি বিদুৎ খাতের একটি প্রকল্পে ৩০ কোটি ডলার ঋণসহায়তা দিচ্ছে।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষ-২ এ ব্যাপারে গতকাল দু’টি আলাদা ঋণচুক্তি সই হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে চুক্তিকে সই করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মনোয়ার আহমেদ। আর সংস্থাটির পক্ষে চুক্তিতে সই করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ। এ সময় মেট্রোরেল লাইন-৫ প্রকল্প এবং বিদ্যুতের ঢাকা অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন জোন ট্রান্সমিশন গ্রিড সম্প্রসারণ প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
ইআরডি থেকে জানানো হয়, যানজটমুক্ত রাজধানী গড়তে উত্তরা তৃতীয় পর্যায় থেকে আগারগাঁও রুটে মেট্রোরেল নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। এমআরটি-৬ এর মতোই দ্বিতীয় ধাপের এমআরটি-৫ রুট মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্প একনেক থেকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আমিন বাজার থেকে গাবতলী হয়ে দাশেরকান্দির মধ্যে এমআরটি ৫ এর আওতায় নির্মিতব্য ১৭ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রকল্পের প্রাথমিক কাজের জন্য সহজ শর্তে ঋণ দিচ্ছে সংস্থাটি। এই মেট্রোরেল হবে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে আমিন বাজার, গাবতলী, মিরপুর-১, কচুক্ষেত, বনানী, গুলশান-২, নতুন বাজার হয়ে ভাটারা পর্যন্ত।
মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ৪ কোটি কোটি ৪৫ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলারের মধ্যে এডিবি দিচ্ছে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৬০ হাজার ডলার। বাকি ১ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার ডলার বাংলাদেশ সরকারকে নির্বাহ করতে হবে। ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট ২৫ বছরে এই অর্থবছরে ২ শতাংশ হারে সুদে পরিশোধ করতে হবে। এই প্রকল্পের আওতায় এডিবির অর্থায়নে মালামাল ও সেবাদি সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে এডিবির ক্রয় নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
বিদ্যুৎ খাতে ৩০ কোটি ডলার
ঢাকা অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন জোন ট্রান্সমিশন গ্রিড সম্প্রসারণ প্রকল্পে ৩০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৭৫ কোটি ডলার। এর মধ্যে এডিবি ঋণ হলো সাধারণ মূলধন সহায়তা (ওসিআর)। ৫ বছর গ্রেস পিরিয়িডসহ মোট ২৫ বছরে এই ঋণের অর্থ পরিশোধ করতে হবে। এর সুদহার হবে ইউরিবোরসহ শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। এ ছাড়া শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ হারে ম্যাচুরিটি প্রিমিয়াম এবং অব্যয়িত অর্থের জন্য শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট চার্জ প্রদান করতে হবে।


আরো সংবাদ




krunker gebze evden eve nakliyat